দৈনিক পল্লীবাংলা
সর্বশেষ

জাতীয়

মতামতমতামত

বাংলাদেশে ন্যানোপ্রযুক্তির সম্ভাবনা

কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা, জ্বালানি ও শিল্পখাতে বাংলাদেশে ন্যানোপ্রযুক্তির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে; তবে নীতিগত জটিলতা ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে এর অগ্রগতি ধীর হয়ে পড়েছে। যদিও এআইইউবি (AIUB)-এর সিএনআর (CNR) এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের বিভিন্ন উদ্যোগের মতো গবেষণা কেন্দ্রগুলো গড়ে উঠছে, তবুও একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপনে বিলম্বের ফলে মেধাপাচার (brain drain) ও সুযোগ হারানোর ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।বাংলাদেশে ন্যানোপ্রযুক্তির বর্তমান অবস্থা1.সরকারি স্বীকৃতি: 'প্রেসপেক্টিভ প্ল্যান ২০২১–২০৪১' এবং 'স্মার্ট বাংলাদেশ আইসিটি মাস্টার প্ল্যান ২০৪১'-এ ন্যানোপ্রযুক্তিকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।2.গবেষণা কেন্দ্রসমূহ: সেন্টার ফর ন্যানোটেকনোলজি রিসার্চ (সিএনআর), এআইইউবি (প্রতিষ্ঠা: ২০২০) ন্যানোইলেকট্রনিক্স, ন্যানোমেডিসিন, ন্যানো-কৃষি এবং গ্রিন ন্যানোটেকনোলজির ওপর গুরুত্বারোপ করে।বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (বিএইসি): সাভারে একটি ন্যানোপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনা থাকলেও বাজেট ও নীতিগত বিতর্কের কারণে এর অগ্রগতি থমকে আছে।পাইলট প্রকল্প: অ্যাক্রাইলিক পলিমার প্রযুক্তি ব্যবহার করে সিলেটে ন্যানোপ্রযুক্তি-ভিত্তিক পরিবেশবান্ধব সড়ক নির্মাণ।প্রধান সম্ভাবনাসমূহ১. কৃষি: টেকসই উপায়ে ফসলের ফলন বাড়াতে ন্যানো-সার। পরিবেশের ওপর প্রভাব কমিয়ে নিখুঁত বা সুনির্দিষ্ট কৃষিকাজের (Precision farming) জন্য ন্যানো-কীটনাশক। গ্রামীণ বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সম্ভাবনা।২. স্বাস্থ্যসেবা : ক্যান্সার ও দীর্ঘস্থায়ী রোগের চিকিৎসায় সুনির্দিষ্টভাবে ওষুধ প্রয়োগ (Targeted drug delivery)। ডায়াবেটিস, ফুসফুসের রোগ এবং অন্যান্য জটিল শারীরিক অবস্থা দ্রুত শনাক্তকরণের জন্য ন্যানো-সেন্সর। পোশাক ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বা জীবাণু-প্রতিরোধী কাপড় তৈরি।৩. জ্বালানি ও পরিবেশ : সৌরকোষের (Solar cells) কার্যকারিতা বাড়াতে ন্যানো-ম্যাটেরিয়ালের ব্যবহার। পানি বিশুদ্ধকরণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য ন্যানো-ফিল্টার। ন্যানো-ক্যাটালিস্ট বা প্রভাবক ব্যবহার করে পানি বিভাজনের মাধ্যমে হাইড্রোজেন উৎপাদনের সম্ভাবনা।৪. শিল্প ও আইসিটি (ICT) : পোশাক শিল্পে স্মার্ট টেক্সটাইল বা প্রযুক্তিনির্ভর বিশেষ কাপড়ের ব্যবহার। আইসিটি উদ্ভাবনের জন্য নমনীয় ইলেকট্রনিক্স (flexible electronics) এবং কোয়ান্টাম যোগাযোগ ব্যবস্থা। কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে অবদান।সম্ভাবনা বনাম চ্যালেঞ্জসম্ভাবনা : ন্যানো-সারের মাধ্যমে টেকসই কৃষি জাতীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপনে নীতিগত বিলম্ব । ন্যানো-ম্যাটেরিয়ালের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য শক্তি । স্মার্ট টেক্সটাইল ও আইসিটি উদ্ভাবন আমদানিকৃত প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা ।চ্যালেঞ্জ  : উন্নত স্বাস্থ্যসেবা রোগ নির্ণয় ও ওষুধ প্রয়োগ তহবিল ও অবকাঠামোর অভাব । তরুণ বিজ্ঞানীদের দেশত্যাগের (ব্রেইন ড্রেইন) ঝুঁকি । পানি বিশুদ্ধকরণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ শিক্ষা ও শিল্প খাতের মধ্যে সহযোগিতার অভাব । ঝুঁকি ও সীমাবদ্ধতা : নীতিগত জটিলতা দীর্ঘমেয়াদী কৌশল বাস্তবায়নের পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। মেধা পাচার (Brain drain): সুযোগের অভাবে প্রতিভাবান গবেষকরা দেশ ছেড়ে চলে যেতে পারেন। পরীক্ষামূলক পর্যায়: অনেক প্রয়োগই এখনও পাইলট বা গবেষণাগারের পর্যায়ে সীমাবদ্ধ। আমদানির ওপর নির্ভরতা: বর্তমান প্রকল্পগুলো প্রায়শই স্থানীয় উদ্ভাবনের পরিবর্তে বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল।উপসংহার : ন্যানো-প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে—বিশেষ করে কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা এবং নবায়নযোগ্য শক্তির খাতে—যা দেশের এসডিজি (SDG) ২০৩০ লক্ষ্যমাত্রার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে এই সুবিধাগুলো পুরোপুরি কাজে লাগাতে হলে দেশকে নীতি বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে হবে, অবকাঠামোতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে এবং শিক্ষা ও শিল্প খাতের মধ্যে সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। এই পদক্ষেপগুলো না নিলে বাংলাদেশ এমন একটি ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকিতে পড়বে, যা তার অর্থনীতি ও টেকসই ভবিষ্যতের রূপান্তর ঘটাতে সক্ষম।

বাংলাদেশে পিকেএল (PKL) বিদ্যুতের সম্ভাবনা

বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকার জন্য সৌরশক্তির একটি সাশ্রয়ী এবং দিন-রাত ও বর্ষাকালেও কার্যকর বিকল্প হিসেবে 'পাথরকুচি পাতা' বা PKL (Pathor Kuchi Leaf) থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়টি অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। তবে এটি এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে এবং এর দক্ষতা, বড় পরিসরে প্রয়োগযোগ্যতা ও স্থায়িত্বের ক্ষেত্রে কিছু চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। গবেষকরা বিদ্যুৎ-সংযোগহীন (অফ-গ্রিড) এলাকায় সহায়তা প্রদান, মোবাইল চার্জিং এবং এলইডি (LED) বাতি জ্বালানোর ক্ষেত্রে এর সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন; তবে ব্যাপক ব্যবহারের জন্য এর আরও উন্নয়ন প্রয়োজন।বাংলাদেশে PKL বিদ্যুতের গুরুত্ব ১. গ্রামীণ বিদ্যুতায়নের ঘাটতি: বাংলাদেশে এখনও লক্ষ লক্ষ মানুষ নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত, বিশেষ করে বিদ্যুৎ সংযোগহীন গ্রামগুলোতে।২. সৌরশক্তির (SPV) সীমাবদ্ধতা: সৌরশক্তি রাত ও বর্ষাকালে কাজ করে না; এক্ষেত্রে চকখ-এর নিরবচ্ছিন্ন কার্যকারিতা একটি বড় সুবিধা।৩. স্থানীয় উদ্ভাবন: PKL বিদ্যুৎকে অনেক সময় "বাংলা বিদ্যুৎ" বলা হয়, কারণ এটি সর্বপ্রথম বাংলাদেশে উদ্ভাবন করেছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. মো. কামরুল আলম খান।প্রযুক্তিগত সম্ভাবনা১. শক্তির উৎস: PKL বা পাথরকুচি পাতায় (বৈজ্ঞানিক নাম: Bryophyllum pinnatum) ম্যালিক, সাইট্রিক ও আইসো-সাইট্রিকের মতো জৈব অ্যাসিড থাকে, যা ইলেক্ট্রোলাইট বা বিদ্যুৎ-পরিবাহী মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।২. ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল বা তড়িৎ-রাসায়নিক বিন্যাস: সাধারণত পাথরকুচি পাতার নির্যাস বা রসের সাথে জিঙ্ক (Zn) ও কপার (Cu)-এর ইলেকট্রোড ব্যবহার করা হয়।কার্যক্ষমতা:১. ব্যবহারিক প্রয়োগের জন্য ১ কিলোওয়াট (kW) ক্ষমতার PKL মাইক্রো-পাওয়ার সিস্টেম পরীক্ষা করা হয়েছে।২. সৌরশক্তির বিপরীতে এটি দিন ও রাত উভয় সময়েই কাজ করে।৩. এর মাধ্যমে মোবাইল ফোন, এলইডি বাতি এবং ছোটখাটো বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম চালানো সম্ভব।দক্ষতা: গবেষণায় দেখা গেছে যে এর শক্তি রূপান্তরের দক্ষতা প্রায় ৬৫% এবং অভ্যন্তরীণ রোধ (internal resistance) প্রায় ০.৬ ওহম।তুলনামূলক পর্যালোচনা: PKL বনাম সোলার পিভি (Solar PV) বৈশিষ্ট্য সোলার পিভি PKL বিদ্যুৎ কার্যকারিতা শুধুমাত্র দিনের বেলা দিন-রাত ও সব আবহাওয়ায় বর্ষাকালে নির্ভরযোগ্যতা কম স্থিতিশীল খরচ প্রাথমিক বিনিয়োগ বেশি কম খরচ, স্থানীয়ভাবে লভ্য সম্প্রসারণযোগ্যতা বৈশ্বিকভাবে প্রমাণিত উদীয়মান ক্ষুদ্র পরিসর ব্যবহারের ক্ষেত্র গৃহস্থালি, শিল্প, গ্রিড গ্রামীণ অফ-গ্রিড এলাকা, মোবাইল চার্জিং সীমাবদ্ধতা সূর্যালোক ও স্টোরেজ ব্যাটারির প্রয়োজন                দক্ষতা ও স্থায়িত্বজনিত সমস্যা  চ্যালেঞ্জ ও ঝুঁকি১. পরীক্ষামূলক পর্যায়: PKL এখনও বাণিজ্যিকভাবে চালু হয়নি।২. দক্ষতা সংক্রান্ত উদ্বেগ: সময়ের সাথে ভোল্টেজ ও কারেন্ট কমে যায়; অভ্যন্তরীণ রোধ (internal resistance) আদর্শ মানের চেয়ে বেশি।৩. স্থায়িত্ব: PKL সেলের দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা উন্নয়নের প্রয়োজন।৪. সম্প্রসারণযোগ্যতা: বর্তমান ব্যবস্থাগুলো ক্ষুদ্র পরিসরের; শিল্পক্ষেত্রে এর ব্যবহার অনিশ্চিত।ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা১. গ্রামীণ ক্ষমতায়ন: PKL গ্রামের যোগাযোগ, শিক্ষা ও ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে।২. হাইব্রিড ব্যবস্থা: সোলারের সাথে PKL -এর সমন্বয় ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে পারে।৩. উপজাত পণ্য: PKL সেল থেকে জিঙ্ক বর্জ্য (যা সার হিসেবে ব্যবহারযোগ্য) ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়, যা অর্থনৈতিক মূল্য যোগ করে।৪. গবেষণার দিক: দক্ষতা বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ রোধ কমানো এবং কমিউনিটি-স্তরের গ্রিড পর্যন্ত সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া ।সারসংক্ষেপ বাংলাদেশের গ্রামীণ বিদ্যুতায়নের ক্ষেত্রে PKL বিদ্যুৎ একটি সম্ভাবনাময় উদ্ভাবন; যেখানে সোলার ব্যবস্থা হিমশিম খায়, সেখানে এটি নিরবচ্ছিন্ন ও কম খরচে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম। তবে, মূলধারার জ্বালানি সমাধান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে একে দক্ষতা ও সম্প্রসারণযোগ্যতা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠতে হবে।

অধ্যাদেশ বিলুপ্তির দাবিতে কর্মবিরতি কর্মসূচি চলবে

ন কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে তাদের স্লোগান দিতে দেখা যায়। এনবিআরের অধীনস্থ সারা দেশের অন্য সব অফিসেও একইভাবে কর্মসূচি পালিত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। ভ্যাট ও কর অফিসেও সেবা বন্ধ ছিল। তবে রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা কাযক্রম চলমান ছিল। শনিবার এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার এদিপ বিল্লাহ, উপকর কমিশনার মোস্তফিজুর রহমান, সহকারী কর কমিশনার ইশতিয়াক হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক, যা ইতোমধ্যেই দেশের প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ ও থিংকট্যাংকসহ সর্বমহলে স্বীকৃতি পেয়েছে। এনবিআর তথা রাজস্ব প্রশাসনের আমূল সংস্কার আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। তবে এই সংস্কার হতে হবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত সর্বোত্তম ব্যবস্থা ও পদ্ধতির অনুরূপ। দেশের স্বার্থ ও উন্নয়ন দর্শন এতে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হতে হবে। এছাড়া রাজস্ব প্রশাসন অধিকতর কার্যকর, প্রগতিশীল ও দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে এবং এ সংস্কার বিশেষ কারও স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হবে না। কিন্তু রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের স্বার্থে আমাদের এমন যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে সরকার কেন, কী কারণে এবং কাদের প্ররোচনায় বিলম্ব করছে, তা বোধগম্য নয়।    এতে আরও বলা হয়, আজ (শনিবার) সকাল থেকেই এনবিআর ভবনের অভ্যন্তরে এবং বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে। এ বিষয়টি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে নানা ধরনের প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে। তবে রোববারও একইভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেখানে হস্তক্ষেপ করবে, সেখানে তারা প্রেস ব্রিফিং করবেন।ভিন্নমত যাদের: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ‘দাবি আদায়ের নামে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এখন যা হচ্ছে তা রীতিমতো সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান। এটি সম্পূর্ণ শৃঙ্খলাপরিপন্থি কাজ, সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি এসব কর্মকাণ্ড পারমিট করে না।’ তারা মনে করেন, এনবিআর বিলুপ্ত করে যে গেজেট করা হয়েছে সেখানে প্রত্যাশার অনেক কিছু চলে এসেছে। যেটুকু অবশিষ্ট আছে তা পরবর্তী সংশোধনী ও বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে সংযোজন করা সম্ভব। এজন্য এভাবে আন্দোলন করার প্রয়োজন ছিল না। বিষয়টিকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে নিয়ে গেলে ভালো হতো। 

অনিয়মে জর্জরিত ‘ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স’, ঝুঁকিতে ব্যান্ডউইথ নিরাপত্তা

নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মকানুন উপেক্ষা করে একে একে আইআইজি, আইটিসি, আইজিডব্লিউসহ ইন্টারনেট-টেলিকম খাতের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স দখলে নেয় আওয়ামী সুবিধাভোগী এ প্রতিষ্ঠান। এসব লাইসেন্স অর্জনে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।সংশ্লিষ্ট সূত্র ও নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি), দেশের অভ্যন্তরের আইটিসি প্রতিষ্ঠান এবং এয়ারটেল ও টাটার মতো শীর্ষ ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ওয়ান এশিয়ার মোট বকেয়ার পরিমাণ ২৩ কোটি টাকারও বেশি। বিটিআরসির কাছেই এর বকেয়া প্রায় ৪ কোটি টাকা। বিএসসিসিএল-এর কাছে রয়েছে আরও ১ কোটি টাকার বেশি। অপরদিকে টেলিকম জায়ান্ট এয়ারটেল তাদের ১৩ কোটি টাকার এবং টাটা ৫ কোটি টাকার বকেয়া দাবি করছে। এদিকে বকেয়া আদায়ে নানাভাবে চেষ্টা করে না পেয়ে ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স-এর বিরুদ্ধে বিএসসিপিএলসি ঢাকা জেলা জজ আদালতে ‘আরবিট্রেশন মামলা’ দায়ের করে। এর রায়ে তারা জয়ী হয়। সেই রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি ‘অ্যাওয়ার্ড এক্সিকিউশন মামলা’ করে, যা এখনো চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, যেন লাইসেন্স বাতিল না হয় এবং তাদের ব্যবসা চালু রাখা যায়। ইতোমধ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে তারা এনওসিও নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসির একটি সূত্র।ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স একসময় আইআইজি, আইটিসি ও আইজিডব্লিউ লাইসেন্স নিয়ে টেলিকম বাজারে প্রবেশ করলেও সময়ের সঙ্গে শর্ত লঙ্ঘন করে একাধিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মালিকানাধীন বেঙ্গল ব্রডব্যান্ড ২০১৬ সালে ডিভিশনাল আইএসপি লাইসেন্স পেলেও নবায়ন না করেই বর্তমানে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি এর মালিকানাধীন প্রিজমা ডিজিটাল নেটওয়ার্কের রয়েছে ন্যাশন ওয়াইড আইএসপি লাইসেন্স।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারবার মোবালইল ফোনে কল, হোয়াটসঅ্যাপ ও এসএমএসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ওয়ান এশিয়া অ্যালায়ন্সের মূল প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসফারিয়া খায়েরের সঙ্গে। তবে তিনি সাড়া দেননি। পরে পুনরায় চেষ্টা করলে দেখা যায়, তিনি প্রতিবেদকের নম্বরই ব্লক করে দিয়েছেন।বিটিআরসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্সকে মোট বকেয়ার ৫০ শতাংশ এককালীন পরিশোধ এবং বাকি অংশ কিস্তিতে পরিশোধের শর্তে এনওসি প্রদান করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত মাত্র ১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে বলে তিনি জানান।ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, আইএসপি সেক্টরের সেবাদান নির্ভর করে আইআইজি ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারীদের ওপর। কেউ যদি কোটি টাকা বকেয়া রেখে অনিয়ম করে, তা গ্রাহকের নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের জন্য হুমকি। তবে নেপথ্যে যদি নীতিগত বা কাঠামোগত কোনো সমস্যা থাকে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়ম ও নীতিমালার আলোকে পর্যালোচনা জরুরি। এক্ষেত্রে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বকেয়া বা নীতিগত ব্যত্যয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমাধান হওয়া উচিত। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসলাম হোসেন যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন তাগাদা দিলেও প্রতিষ্ঠানটি পাওনা পরিশোধ করেনি, চিঠির জবাবও দেয়নি। এখন তাদের কাউকে খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মামলা করেছি।ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব যুগান্তরকে বলেন, আমরা চাই, ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছন্দে ব্যবসা করুক, গ্রাহকদের সেবা দিক। কিন্তু সরকারের পাওনা পরিশোধ না করে কেউ যদি অনিয়মে জড়ায়, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

এলডিসির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নীতির পুনর্মূল্যায়ন জরুরি

বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি নীতিমালা  : এলডিসি পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয়তা এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত অধ্যাপক লুৎফে সিদ্দিকী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান।মূল প্রবন্ধে ড. সেলিম রায়হান বলেন, রাজস্ব খাতে সংস্কারের অভাব এবং প্রত্যক্ষ করের মাধ্যমে কর বৃদ্ধিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে পরোক্ষ কর ও আমদানি করের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা দেখা দিচ্ছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশের আমদানি শুল্ক হার অনেক বেশি। রপ্তানি খাতও শুধু তৈরি পোশাকে সীমাবদ্ধ। তাও আবার পোশাকের প্রবৃদ্ধি নগদ প্রণোদনা ও কর ছাড়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চাপ সামলাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি নতুন রপ্তানি পণ্য ও নতুন বাজার খোঁজা উচিত।প্রধান অতিথির বক্তব্যে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যকার কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তবে যে গতিতে বর্তমানে সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। সত্যিকার অর্থে শিল্প খাতসহ অন্য সেক্টরে কোনো দীর্ঘমেয়াদে রোডম্যাপ নেই, যা হতাশার বিষয়। এলডিসি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পাশাপাশি সরকারের সংস্থাগুলোর মধ্যকার সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশকে এলডিসি উত্তরণ করতেই হবে। এখান থেকে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। তবে এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের উচ্চমানের তৈরি পোশাক, ওষুধ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ওপর বেশি হারে মনোযোগী হতে হবে। তিনি আরও বলেন, এলডিসি উত্তরণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিল্প-কারখানা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক আস্থা-বিশ্বাস বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য (কাস্টমস) কাজী মোস্তাফিজুর রহমান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নেন বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের জয়েন্ট চিফ (ইন্টারন্যাশাল কো-অপারেশন ডিভিশন) মসিউল ইসলাম, বেসিসের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, ডেল্টা ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জাকির হোসেন এবং ফকির ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ প্রমুখ।

‘কাজ শেষ না করে আমরা কোথাও যাচ্ছি না’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করছেন না উল্লেখ করে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমরা আমাদের কাজ শেষ না করে কোথাও যাচ্ছি না। শনিবার একনেক বৈঠকের পর হওয়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টিকারী বিষয়গুলো চিহ্নিত করা এবং সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, তিনি চলে যাবেন বলেননি। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছেন, আমরা যে কাজ করছি, আমাদের সামনে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতে অনেক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমরা সব বাধা অতিক্রম করব।অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অর্পিত দায়িত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ এর ওপর নির্ভর করছে। আমরা এ দায়িত্ব ছেড়ে যেতে পারি না।পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গা থেকে কী কী বাধা আসছে, কে কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং আমরা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কী কী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।উপদেষ্টা রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব পক্ষের সমর্থন চেয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সব শক্তি এবং সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার আহ্বান জানাব। এটা শুধু আমাদের একার দায়িত্ব নয়।ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, উপদেষ্টারা স্বপ্রণোদিতভাবে এখানে আসেননি। তবে তাদের একটি জাতীয় দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে এবং তারা তা ছেড়ে যাবেন না।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেননি উপদেষ্টা।

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৫ পিএম
রাজনৈতিক দলগুলোর রাজপথের কর্মসূচি (যেমন অবরোধ বা লংমার্চ) কি সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় অতিরিক্ত দুর্ভোগ সৃষ্টি করছে ?

রাজনৈতিক দলগুলোর রাজপথের কর্মসূচি (যেমন অবরোধ বা লংমার্চ) কি সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় অতিরিক্ত দুর্ভোগ সৃষ্টি করছে ?

  হ্যাঁ, কর্মসূচি পালনে ভিন্ন ও শান্তিপূর্ণ উপায়ের পথ খোঁজা উচিত
  না, দাবি আদায়ের জন্য রাজপথের কর্মসূচি স্বাভাবিক
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ১ জন
১

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর সময়ের চেয়ে ইরানি বাহিনী এখন আরও শক্তিশালী: সেনা মুখপাত্র

২

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

৩

শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

৪

ভাষা ও জ্ঞানচর্চার নতুন ভাবনা নিয়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু

৫

বারহাট্টায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

৬

বড়লেখায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

৭

বাগেরহাটে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

৮

প্রটোকল ভেঙে জনতার কাতারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

৯

ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বরের র‍্যালীতে গাজীপুরের হাজার হাজার নেতাকর্মী

১০

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি

সর্বশেষ সব খবর
১

জিসিসির কাউলতিয়া অঞ্চল -৫ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের শুভ সুচনা

২

১/১১ সময় ১৪ মামলা নিয়ে ঘর ছাড়া মান্নান জনগণের দাবিতে বারুইপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী

৩

চর ঝাউকান্দায় বন্যাদুর্গত ও প্রান্তিক মৎস্যচাষিদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

৪

৫০ জনের ছানি অপারেশন, চিকিৎসাসেবা পেলেন ৭০০ রোগী

৫

কাড়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রবীণ ও তরুণদের পছন্দে চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ রবিউল ইসলাম রবি

৬

গাজীপুরে ছাত্রদলের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

৭

কোনাবাড়িতে শ্রমিক আন্দোলনে আহত স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা রবি চৌধুরী

৮

বিএনপির নেতা মনির সিকদারের আয়োজনে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

৯

জনগণের দাবির মুখে রাখালগাছি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বাপ্পি

১০

কাউলতিয়া ২০ নং ওয়ার্ডের পক্ষ থেকে জিসিসির প্রশাসক কে ফুলেল শুভেচ্ছা

জনপ্রিয় সব খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!
“
২১ দিন আগে

মো. নূরুল ইসলাম
মো. নূরুল ইসলাম
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য

 সারাদেশ সারাদেশ

কোনাবাড়িতে শ্রমিক আন্দোলনে আহত স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা রবি চৌধুরী

কোনাবাড়িতে শ্রমিক আন্দোলনে আহত স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা রবি চৌধুরী

চলমান আন্দোলনে গত দুইদিন যাবত গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর অগ্নি সংযোগ করা হয়েছে। এই আন্দোলনের সাথে বিএনপি একমত পোষন করেছে,কিন্তু আন্দোলনের নামে গাড়ি ভাংচুর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান,পুলিশ বক্সে আগুন দেওয়া এটা মেনে নিতে পারছে না দেশের শান্তি প্রিয় মানুষ। তাই গাজীপুর মহানগর বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নির্দেশে মানুষের জানমাল নিরাপত্তা বজায় রাখতে, শান্তিপূর্ন আন্দোলন চালাতে কোনাবাড়িতে অবস্থান কর্মসুচি পালন করেছে বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। ২রা নভেম্বর সকাল সাড়ে ৯ টায় কোনাবাড়ি বিসিক ১ নং গেইটে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শতাধিক নেতাকর্মী অবস্থান নিয়েছিল। হাজার হাজার শ্রমিক আন্দোলন করছে,এর পাশাপাশি কিছু মাক্স পড়ে হাতে লাঠি নিয়ে কোনাবাড়ি সুরমা হোটেল সংলগ্ন ভাংচুর করতে গেলে,সেখানে তাদের কে সরে যেতে বলেন কোনাবাড়ি থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রবিউল আলম রবি চৌধুরী। পাশাপাশি সেখানে বিএনপির আরও দুইজন নেতাও তাদের ভাংচুর করতে নিষেধ করলেই বাধা প্রদান করেন একাধিক শ্রমিক বৃন্দ। এমন পরিস্থিতিতে হাতে লাঠি ও ইটের খোয়া নিয়ে রবি চৌধুরী সহ আরও দুইজন কে বেধড়ক মেরেছে শ্রমিক বৃন্দ। এতে করে রবি চৌধুরী সহ বাকি ২ জন তাৎক্ষণিক জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। সাথে থাকা নেতাকর্মীরা তাদের উদ্ধার করে কোনাবাড়িতে হাসপাতালে ভর্তি করান।এ ব্যাপারে মুঠোফোন রবি চৌধুরী বলেন,আমরা শ্রমিকদের আন্দোলনে বাধা দেওয়ার জন্য অবস্থান করিনি, কিন্তু যখন দেখলাম তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক ভাংচুর করছে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করছে,বাধা দেওয়াই আমাকে তারা মেরে আহত করেছে। শ্রমিকদের উদ্দেশ্য রবি চৌধুরী বলেন,বেতন বৃদ্ধির জন্য কমিশন গঠন করা হয়েছে,আপনারা কাজে ফিরে যান,অন্যের কথায় কোন প্রকার অকারেন্স করলে, সেটার দায়ভার আপনাকে ও আপনার পরিবার কে বহন করতে হবে। তাই সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকুন আর নিজেদের কাজে ফিরে যান। এতে করে আপনি ও আপনার পরিবার ভালো থাকবে।

ফরিদপুর পৌরসভার ব্যাপক উন্নয়ন, প্রশংসায় ভাসছেন প্রশাসক

ফরিদপুর পৌরসভার ব্যাপক উন্নয়ন, প্রশংসায় ভাসছেন প্রশাসক

সাম্প্রতিক সময়ে ফরিদপুর পৌর প্রশাসন কর্তৃক জনকল্যাণমুখী বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে ধীরো ধীরে বদলাতে শুরু করেছে ২৭ টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ফরিদপুর পৌরসভার চিত্র।দির্ঘদিন পর প্রাণ ফিরে পেয়েছে ফরিদপুর পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও শহরের উন্নয়ন কার্যক্রম। দুর্নীতিমুক্ত বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ সফলভাবে বাস্তবায়ন করায় প্রশংসায় ভাসছেন পৌর প্রশাসক মো. ইলিয়াছুর রহমান।পৌরসভার লাইসেন্স পরিদর্শক রাশেদ বিন আহমেদ জানান, আমাদের নতুন প্রশাসক মো. ইলিয়াছুর রহমান স্যার যোগদান করার পর থেকেই দুর্নীতি বন্ধে নানা উদ্যোগ নিয়েছেন। এরমধ্যে ইজি বাইক ও ব্যাটারী চালিত রিক্সার লাইসেন্স ফি সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে জমা নেওয়া হচ্ছে এছাড়াও ট্রেড লাইসেন্স এর টাকা অনলাইনের মাধ্যমে গ্রহণ করা হচ্ছে। ফলে এখন আর কোন প্রকার দুর্নীতির সুযোগ নেই।ফরিদপুর পৌর এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহিম বলেন, নতুন প্রশাসক স্যার আসার পর থেকে পৌর বাসীর সব সমস্যা দুর হয়েছে। পৌর বাসীর সমস্যার কথা তাকে জানানোর আগেই তিনি নিজে থেকেই সমস্যা চিহ্নতকরে সমাধান করে থাকেন।রেলস্টেশন এলাকার হারুন অর রশিদ জানান, এই প্রশাসক সাহেব অত্যান্ত সৎ, দক্ষ ও পরোপকারী একজন ভালো মানুষ। তিনি এই পৌরসভায় যোগদানের পর থেকেই ব্যাপক উন্নয়ন আমরা লক্ষ করছি। শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ ঢাকা কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সিনিয়র সভ-সভাপতি এস.এম আকাশ জানান, বর্তমান পৌর প্রশাসক সাহেব বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে অল্প সময়ে পৌরবাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন।  এত অল্প সময়ে প্রশাসক হিসেবে যে সকল কাজ বাস্তবায়ন করেছেন এবং যা হাতে নিয়েছেন তা সত্যি প্রশংসার দাবিদার।পৌর প্রশাসক মো. ইলিয়াছুর রহমান জানান, তিনি নিজের দায়বদ্ধতা থেকেই দুর্নীতিমুক্ত এ কাজগুলো করে যাচ্ছেন। যতোদিন দায়িত্বে থাকবেন ততদিন ফরিদপুর পৌরসভার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাবেন। এ বিষয়ে তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।পৌরসভার চলমান কাজের মধ্যে রয়েছে- রাজেন্দ্র কলেজ থেকে ডিআইবি বটতলা হয়ে তেতুলতলা পর্যন্ত (চ্যানেল ০+০০০ থেকে ১+৩৩০) বিসি দ্বারা সড়কের উন্নয়ন। ফরিদশা রোড থেকে সোনালী ব্যাংক মোড়, অম্বিকা হল, অপসোনিন মোড়, ডায়াবেটিক হাসপাতাল, মাতৃমঙ্গল হয়ে পৌরসভা পর্যন্ত (চ্যানেল ০+০০০ থেকে ১+৪০৫ মিটার) বিসি দ্বারা সড়কের উন্নয়ন। মাতৃমঙ্গল থেকে ডিসি অফিস, তেতুলতলা, পুলিশ হাসপাতাল হয়ে মুজিব সড়ক (আরএইচডি) পর্যন্ত (চ্যানেল ০+০০০ থেকে ১+৬২০ মিটার) বিসি দ্বারা সড়কের উন্নয়ন। সব খানেই রাস্তার আলো, আরসিসি ড্রেন ও ফুটপাথ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এছাড়াও আরো একাধিক উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে।

শ্রমিকদের দাবির সাথে একমত পোষন করেছে শ্রমিক ফেডারেশন

শ্রমিকদের দাবির সাথে একমত পোষন করেছে শ্রমিক ফেডারেশন

বর্তমান পোশাক শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির সাথে একমত পোষন করেছে বিভিন্ন শ্রমিক ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ। তবে শান্তিপূর্ন আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে বরদাস্ত করা হবে না বলে হুশিয়ার করেছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ঢাকা বিভাগীয় উত্তর এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুল বারেক সরকার। তিনি পহেলা নভেম্বর সকাল ৯ টায় বিভিন্ন শ্রমিক ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দদের সাথে কোনাবাড়িতে একটি শান্তিপূর্ন বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তী সময়ে শ্রমিকদের বেধড়ক ভাংচুরের কারনে তা বন্ধ হয়ে যায়। পরে তিনি নিজ কর্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন। বারেক সরকার বলেন,আমরা দেখেছি দীর্ঘদিন শ্রমিকরা আন্দোলন করছে তাদের বেতনভাতা বৃদ্ধির দাবিতে। আমরাও একমত পোষন করছি,কিন্তু দেখলাম কিছু মানুষের মুখে মাক্স ও হাতে লাঠি নিয়ে ভাংচুর করছে,এগুলো কারা।প্রশাসন কে বললো দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন।দেশের পোশাক শিল্পকে বাঁচাতে হলে কঠোর হতে হবে। তিনি আরও বলেন, যেহেতু  মজুরি বোর্ড গঠন হয়েছে, অচিরেই বেতন বৃদ্ধি করা হবে। তিনি বলেন, শ্রমিক ভাইবোনদের বলবো কাজে যোগদান করুন।

৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশ বক্সে আগুন

৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশ বক্সে আগুন

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর ও আশপাশের এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে আবারও বিক্ষোভ করেছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। আজ রবিবার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলনের ফলে উক্ত মহাসড়কে যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। একপর্যায়ে কোনাবাড়ী এলাকায় উত্তেজিত শ্রমিকেরা মহাসড়কের ওপর অবস্থিত একটি পুলিশ বক্সে আগুন ধরিয়ে দেয়।ঘটনা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৮টার পর থেকেই কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর বাজার, চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ, মৌচাক ও তেলিচালা এলাকার বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকেরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে জড়ো হতে থাকেন। এর আগে কালিয়াকৈরের রতনপুর এলাকার করণী নিট কম্পোজিট, নিট এশিয়াসহ আশপাশের কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা সকালে কাজ যোগ দিয়ে হাজিরা নিশ্চিত করার পরপরই বাইরে বেরিয়ে আসেন। পরে সফিপুর বাজারসহ কয়েকটি পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে বেতন বাড়ানোর দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা।বিক্ষোভের কারণে মহাসড়কের দুই পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং যাত্রী ও পরিবহন চালকেরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আশপাশের বেশ কয়েকটি পোশাক কারখানায় আজকের জন্য ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইফতেখার হোসেন কোনাবাড়ীর পুলিশ বক্সে আগুন দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, সকাল থেকেই শ্রমিকেরা মহাসড়কে অবস্থান নেওয়ায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়।এদিকে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে ৫ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

 রাজনীতি রাজনীতি

ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বরের র‍্যালীতে গাজীপুরের হাজার হাজার নেতাকর্মী

ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বরের র‍্যালীতে গাজীপুরের হাজার হাজার নেতাকর্মী

জাতীয় বিপ্লবী ও সংহতি দিবস পালন উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির র‍্যালীতে অংশগ্রহণ করার জন্য গাজীপুর মহানগর বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ গ্রহন।৭ই নভেম্বর সকাল ১১ টা থেকে নগরের ৮ টি থানা থেকে বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আসতে শুরু করেছেন রমনা পার্কে। এতে পুরো রমনা পার্ক গাজীপুরের বিএনপির পরিবারের শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে। পুর্ব নিধারিত সময়ে নয়া পল্টনের দলীয় কার্যালয় থেকে পায়ে হেঁটে র‍্যালীতে অংশ গ্রহন করেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। ঐ র‍্যালীকে সফল ও স্বার্থক করতে দুপুর আড়াইটায় রমনা পার্ক থেকে গাজীপুরের বিএনপির নেতাকর্মীরা রওনা হন জিয়া উদ্যানের পথে। এতে মিছিলে নেতৃত্ব দেন গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব শওকত হোসেন সরকার ও গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও গাজীপুর -২ আসনের সংসদ সদস্য এম মঞ্জুরুল করিম রনি। ৮ টি সাংগঠনিক থানা বিএনপির সভাপতি / সাধারণ সম্পাদক, আহবায়ক, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক, সদস্য সচিব সহ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। 

৩ ঘণ্টা আগে
নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...

 খেলাধুলা খেলাধুলা

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে ইতিহাস গড়েছেন তাওহিদ হৃদয়। দলের বিপর্যয়কর পরিস্থিতিতে উইকেটে নেমে অপরাজিত দৃষ্টিনন্দন ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে নিজের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখিয়েছেন তিনি। ৩৫৯ বলে ২২টি চার ও ১১টি ছক্কায় সাজানো তাঁর অপরাজিত ২৪২ রানের এই ইনিংসটি শুধু টাইগারদের শঙ্কা থেকে মুক্তই করেনি, গড়েছে একাধিক নতুন রেকর্ড।হৃদয়ের এই ঐতিহাসিক ইনিংসটি টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। এর মাধ্যমে তিনি ২০১৮ সালে মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মুশফিকুর রহিমের করা ২১৯ রানের আগের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। একই সঙ্গে ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট শতককেই ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপ দেওয়া প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটার হওয়ার অনন্য কীর্তি গড়লেন হৃদয়। এর আগে দেশের হয়ে টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করা অন্য তিন ব্যাটার হলেন মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল।ইনিংসজুড়ে ছক্কার ঝড় তুলে বিশ্বরেকর্ড ও জাতীয় রেকর্ডের কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন হৃদয়। তাঁর মারা ১১টি ছক্কা টেস্ট ইনিংসে সর্বোচ্চ ছক্কা হাঁকানোর তালিকায় তাঁকে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে বসিয়েছে। এই তালিকায় টেস্টের ইতিহাসে এক ইনিংসে ১২টি করে ছক্কা মেরে সবার ওপরে আছেন কেবল ওয়াসিম আকরাম ও যশস্বী জয়সওয়াল। বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে এর আগে ২০১৫ সালে খুলনায় পাকিস্তানের বিপক্ষে সাতটি ছক্কা মেরে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ডটি ছিল তামিম ইকবালের দখলে।দলের মোট রানের শতকরা অবদানের দিক থেকেও নতুন ইতিহাস গড়েছেন হৃদয়। বাংলাদেশের মোট ৩৮৬ রানের মধ্যে তাঁর একাই অবদান ৬২.৬৯ শতাংশ (২৪২ রান), যা টেস্ট ইনিংসে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ। এর আগের রেকর্ডটি ছিল লিটন দাসের দখলে; ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের ৪৩ রানে অলআউট হওয়া সেই ইনিংসে লিটনের ২৫ রান দলের মোট রানের ৫৮.১৩ শতাংশ ছিল।এছাড়া বাউন্ডারি থেকে রান সংগ্রহের ক্ষেত্রেও দেশসেরা হয়েছেন হৃদয়। তাঁর ইনিংসে চার ও ছক্কা মিলিয়ে বাউন্ডারি থেকেই এসেছে ১৫৪ রান, যা টেস্ট ইনিংসে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটারের সর্বোচ্চ বাউন্ডারি রান। ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২১৭ রানের ইনিংসে ৩১টি চারের সাহায্যে ১২৪ রান করে আগের রেকর্ডটি গড়েছিলেন সাকিব আল হাসান। পাশাপাশি সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটারের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের আগের রেকর্ডও (২০২৫ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মাহমুদুল হাসান জয়ের ১৭১ রান) পেছনে ফেলেছেন তিনি।৬ উইকেটে ১৮৪ রান থেকে বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পটাও ছিল দারুণ নাটকীয়। নিচের সারির ব্যাটারদের সঙ্গে নিয়ে হৃদয়ের লড়াকু জুটি থেকে সপ্তম উইকেট পতনের পর যোগ হয় আরও ২০২ রান। টেস্ট ইনিংসে শেষ তিন উইকেট থেকে বাংলাদেশের এটিই সর্বোচ্চ সংগ্রহ। এর আগে ২০২১ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ তিন উইকেটে ১৯৮ রান করেছিল বাংলাদেশ।দিনের খেলা শুরুর সময় ২৯ রানে অপরাজিত থাকা হৃদয় ওই দিন যোগ করেন আরও ২১৩ রান। এর মাধ্যমে টেস্টে একদিনে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটারের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের আগের রেকর্ডটিও ভেঙেছেন তিনি, যা ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২১২ রান করে নিজের করে রেখেছিলেন সাকিব আল হাসান।

৩ ঘণ্টা আগে

 বিনোদন বিনোদন

গাজীপুর সাফারি পার্কে নীলগাইয়ের নতুন ৪ শাবকসহ মোট সংখ্যা ১৩

গাজীপুর সাফারি পার্কে নীলগাইয়ের নতুন ৪ শাবকসহ মোট সংখ্যা ১৩

বাংলাদেশের নওগাঁ, জয়পুরহাট, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় জেলার সমতল ও ঝোপঝাড়পূর্ণ এলাকায় একসময় প্রচুর নীলগাই অবাধে বিচরণ করত। কিন্তু দীর্ঘ কয়েক দশক বিলুপ্ত থাকার পর ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতের সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও, নওগাঁ ও পঞ্চগড় অঞ্চলে বেশ কিছু নীলগাই প্রবেশ করে।ওই সময়ে বাংলাদেশ বন বিভাগ নীলগাইগুলোকে উদ্ধার করে দিনাজপুরের রামসাগর জাতীয় উদ্যানসহ বিভিন্ন পশু নিধন এলাকায় কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে সংরক্ষণের চেষ্টা চালায়।এরই ধারাবাহিকতায় গাজীপুরে সাফারি পার্কে নীলগাই সংরক্ষণ শুরু করে সংশ্লিষ্ঠ কর্তপক্ষ। আর এ নীলগাই পরিবারে এরই মধ্যে যোগ হয়েছে ৪ নতুন নীলগাই শাবক। প্রায় এক মাস পূর্বে কোর সাফারি অংশে এগুলোর জন্ম হলেও সার্বিক নিরাপত্তা ও পরিচর্যার স্বার্থে বিষয়টি এতদিন প্রকাশ্যে আনেনি কর্তৃপক্ষ। নতুন এ অতিথিদের আগমনে সাফারি পার্কে আসা দর্শনার্থী, বিশেষ করে শিশুদের মাঝে বাড়তি উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে।পার্ক প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কোর সাফারির হরিণ সাফারি এলাকায় ৪ শাবকসহ নীলগাইয়ের উপস্থিতি প্রথম শনাক্ত করেন দায়িত্বে থাকা কর্মীরা। নতুন জন্ম নেয়া শাবকগুলো বর্তমানে শারীরিকভাবে পুরোপুরি সুস্থ রয়েছে। মায়ের দুধ পানের পাশাপাশি এগুলো কোর সাফারির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে অন্যান্য প্রাণিদের সাথে ছোটাছুটি ও খুনসুটি করে সময় পার করছে। তবে বয়স কম থাকায় এখনো এদের লিঙ্গ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। এ ৪ সদস্য যুক্ত হওয়ায় পার্কে নীলগাইয়ের বর্তমান মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩টিতে।বন্যপ্রাণী পরিদর্শক মো. রাজু আহমেদ বলেন, প্রায় মাসখানেক আগে প্রথম বাচ্চাগুলোর দেখা মেলে। সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করে তাৎক্ষণিকভাবে সংবাদ মাধ্যমে এটি জানানো হয়নি। বর্তমানে শাবকগুলো সম্পূর্ণ সুস্থ আছে এবং সার্বক্ষণিক বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে।অনুরূপ তথ্য নিশ্চিত করে পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ৪টি শাবক একসাথে ঘুরে বেড়ানো ও খেলাধুলা করার দৃশ্য আগত দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করছে। নতুন এই প্রাণিদের দেখে দর্শনার্থী এবং শিশুরা বেশ আনন্দ পাচ্ছে।উল্লেখ্য, নীলগাই হলো এশিয়ার বৃহত্তম হরিণজাতীয় (অ্যান্টিলোপ) বন্যপ্রাণি। হিন্দি শব্দ ‘নীল’ এবং ‘গাই’ (গাভী) থেকে এর নামকরণ হয়েছে নীলগাই। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ নীলগাইয়ের গায়ের চামড়া কালচে নীলচে-ধূসর রঙের হয়, যা থেকে এ নামের উৎপত্তি।

কালজয়ী বাউল সাধক দুর্বিন শাহের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী আজ

কালজয়ী বাউল সাধক দুর্বিন শাহের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী আজ

‘আমার অন্তরায় আমার কলিজায়’ কিংবা ‘নির্জন যমুনার কূলে’র মতো অগণিত কালজয়ী গানের স্রষ্টা, ‘জ্ঞানের সাগর’ খ্যাত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মরমী বাউল সাধক দুর্বিন শাহের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯২০ সালের এই দিনে (২ নভেম্বর) তৎকালীন সিলেট জেলার সুনামগঞ্জ মহকুমার ছাতক থানার নোয়ারাই গ্রামের তারামনি টিলায় জন্মগ্রহণ করেন এই সাধক।সুফি সাধক পিতা সফাত আলি শাহ ও মা পীরানী হাসিনা বানুর ঘর আলোকিত করে বেড়ে ওঠা দুর্বিন শাহ পারিবারিক সূত্রেই আধ্যাত্মিক আবহ ও সঙ্গীতচর্চার আবহ পান। তিনি শুধু একজন গীতিকার বা বাউলশিল্পীই ছিলেন না; ছিলেন মরমী দর্শন, দেহতত্ত্ব, মারফতি ও মানবাধিকারের এক বিরল ভাবুক। বাউল, বিচ্ছেদ, ভাটিয়ালি, মারফতি, রাধা-কৃষ্ণ বিষয়ক পদাবলী ও সুফিতত্ত্বের পাশাপাশি তিনি দেহতত্ত্ব ও স্বদেশের গানসহ বৈচিত্র্যময় ধারায় অগাধ সৃষ্টিশীলতার পরিচয় দিয়েছেন।১৯৬৭ সালে প্রবাসী বাঙালিদের আমন্ত্রণে বিশিষ্ট বাউল সাধক শাহ আব্দুল করিমকে সঙ্গে নিয়ে ইংল্যান্ড সফরে যান দুর্বিন শাহ। সেখানে তাঁর গানের গভীরতা, আধ্যাত্মিক ভাব ও অপূর্ব সুরমূর্ছনায় মুগ্ধ হয়ে প্রবাসী সঙ্গীতপ্রেমীরা তাঁকে ‘জ্ঞানের সাগর’ উপাধিতে ভূষিত করেন।১৯৭৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি (১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ৩ ফাল্গুন) ৫৭ বছর বয়সে নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কালজয়ী এই গীতিকবি।দুর্বিন শাহের জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে সুনাসগঞ্জের জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার আহমেদ মঞ্জুরুল হক চৌধুরী পাবেল জানান, মরমী গীতিকবি দুর্বিন শাহের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে জেলা শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনব্যাপী আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

সালমান শাহ হত্যা মামলা / খলনায়ক ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর

প্রখ্যাত চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন (সালমান শাহ) কে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।আজ ৬ষ্ঠ অতিরিক্ত ঢাকা মহানগর দায়রা জজ তাওহীদা আক্তার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।এর আগে গত ৯ আগস্ট ভোরে বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে আটক করে। পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর গত ২৭ আগস্ট একই আদালত এই মামলায় তাঁর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে বর্তমানে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর পর রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছিল। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে গত বছরের ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদীপক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে অপমৃত্যু মামলাটিকে হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।এর পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ২১ অক্টোবর সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।এই হত্যা মামলার অন্য আসামিরা হলেন— সালমান শাহের স্ত্রী সামিরা হক, শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মে ফেয়ার বিউটি পার্লারের রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও রেজভী আহমেদ ফরহাদ। এ ছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে।

খলনায়ক ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর

শেরপুরে বাউলসম্রাট লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস

মানবতার কবি ও বাউলসম্রাট লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে শেরপুরে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এ স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন।অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক আরিফা সিদ্দিকা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদ এবং বিশিষ্ট সমাজসেবী রাজিয়া সামাদ ডালিয়া।আলোচনা সভায় বক্তারা লালন সাঁইয়ের কালজয়ী জীবনদর্শন, কালচারাল ঐতিহ্য ও মানবতাবাদী চিন্তার নানা দিক আলোকপাত করেন। তারা বলেন, লালন সাঁই তাঁর ভাবসংগীত ও দর্শনের মাধ্যমে জাতি, ধর্ম ও বর্ণগত ভেদাভেদ ভুলে সাম্য ও অসাম্প্রদায়িকতার জয়গান গেয়ে গেছেন। তাঁর এই প্রেম ও অসাম্প্রদায়িক অদ্বৈত চেতনা আজও আমাদের সমাজে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।আলোচনা পর্ব শেষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীরা লালন সাঁইয়ের অমর গান ও ঐতিহ্যবাহী বাউলসংগীত পরিবেশন করেন।

শেরপুরে বাউলসম্রাট লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস

‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’ / ছেউড়িয়ায় লাখো ভক্তের ঢলে শুরু হলো তিন দিনব্যাপী লালন স্মরণোৎসব

একটি গানও নিজ হাতে লিখে না রেখেও মৃত্যুর দীর্ঘ ১৩৬ বছর পর ভক্তদের কণ্ঠে ও হৃদয়ে পরম মমতায় বেঁচে আছেন মরমি সাধক ও মানবতাবাদী দার্শনিক ফকির লালন সাঁই। ‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ছেউড়িয়া আখড়াবাড়িতে শনিবার (১৭ অক্টোবর) থেকে শুরু হয়েছে তাঁর তিন দিনব্যাপী তিরোধান স্মরণোৎসব। আগামী ১৯ অক্টোবর (সোমবার) পর্যন্ত চলবে এ আয়োজন।জাতপাত ও ধর্মীয় ভেদাভেদের ঊর্ধ্বে মানুষকে স্থান দেওয়া লালন সাঁই ১২৯৭ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক (১৮৯০ সালের ১৭ অক্টোবর) ছেউড়িয়ার আখড়ায় প্রয়াণ লাভ করেন। তাঁর মৃত্যুর পর থেকেই অনুসারীরা প্রতিবছর ১ কার্তিক দিনটিকে তিরোধান দিবস হিসেবে পালন করে আসছেন। অধিবাস সেবার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই আয়োজনে প্রচলিত প্রাচীন সাধুরীতি মেনে অষ্টপ্রহরের সাধুসঙ্গ, বাল্যসেবা ও পূর্ণসেবা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।উৎসব উপলক্ষে দেশ-বিদেশ থেকে আসা লাখো ভক্ত ও অনুসারীর পদচারণায় এখন মুখরিত ছেউড়িয়ার আখড়াবাড়ি। আখড়া চত্বরে নিজেদের ঘরানায় ছোট ছোট আসর বসিয়ে দোতারা ও একতারার সুরে সুরে সাঁইজির বাণী ছড়িয়ে দিচ্ছেন সাধুরা। প্রবীণ সাধকদের মতে, বাহ্যিক আড়ম্বর নয়, সহজ মানুষের সহজ আনন্দ ও আত্মশুদ্ধির সাধুসঙ্গের মধ্যেই এ উৎসবের আসল তাৎপর্য নিহিত।মাজার প্রাঙ্গণে সাধুসঙ্গের পাশাপাশি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ও কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের আয়োজনে লালন একাডেমি চত্বরে তিন দিনব্যাপী আলোচনা সভা ও লোকসংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আজ সন্ধ্যায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এমপি এ উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লালন একাডেমির সভাপতি ও কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. তৌহিদ বিন হাসান। আলোচনা সভা শেষে প্রতিদিন গভীর রাত পর্যন্ত মূল মঞ্চে পরিবেশিত হচ্ছে দেশবরেণ্য বাউল শিল্পীদের লালন সংগীত। অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে পুরো ছেউড়িয়া এলাকায় নেওয়া হয়েছে নিছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

ছেউড়িয়ায় লাখো ভক্তের ঢলে শুরু হলো তিন দিনব্যাপী লালন স্মরণোৎসব

ওস্তাদ জানু খাঁ ও মাসুদ করিমের নতুন মিউজিক ভিডিও ‘আলো আঁধারি’ প্রকাশিত

দেশের শীর্ষস্থানীয় ক্রিয়েটিভ প্রোডাকশন হাউস 'ড্রিমমেকার এন্টারটেইনমেন্ট'-এর ব্যানারে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পেয়েছে ওস্তাদ জানু খাঁ ও মাসুদ করিমের নতুন মৌলিক মিউজিক ভিডিও "আলো আঁধারি"। উপমহাদেশের বিশিষ্ট শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী ওস্তাদ জানু খাঁর সুমধুর কণ্ঠে গাওয়া এ গানটির কথা, সুর ও সিনেমাটিক ভিডিও পরিচালনা করেছেন শিল্পী ও নির্মাতা মাসুদ করিম।বর্তমান দ্রুতগতির বাণিজ্যিক গানের ভিড়ে "আলো আঁধারি" শ্রোতাদের ফিরিয়ে নিয়ে গেছে ক্লাসিক্যাল ও আত্মোপলব্ধির এক গভীর মেলোডিয়াসের আবহে । সম্পর্কের জটিল টানাপোড়েন, মনের ভেতরের না-বলা বেদনা এবং মানুষের জীবনের আলো ও আঁধারের লুকোচুরি খেলাকে কেন্দ্র করে গানটি সাজানো হয়েছে ।গানটি প্রসঙ্গে গীতিকার ও নির্মাতা মাসুদ করিম বলেন, সম্পর্কের আলো-আঁধারি ও নীরব ভুল বোঝাবুঝির মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন থেকেই গানটির জন্ম। ওস্তাদ জানু খাঁর কালজয়ী গায়কী এতে এক অনন্য পূর্ণতা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের ভিজ্যুয়াল ও সিনেমাটোগ্রাফির মাধ্যমে নির্মিত এই মিউজিক ভিডিওটিতে একাকীত্ব ও সম্পর্কের অন্তর্লীন দ্বন্দ্ব অত্যন্ত শৈল্পিকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

ওস্তাদ জানু খাঁ ও মাসুদ করিমের নতুন মিউজিক ভিডিও ‘আলো আঁধারি’ প্রকাশিত
.
আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...
google.com, pub-5018842995190966, DIRECT, f08c47fec0942fa0

 অর্থনীতি অর্থনীতি

সকল জেলার খবর

 আন্তর্জাতিক আন্তর্জাতিক

আর্কাইভ

সাহিত্য

‘বাবুই শিশুসাহিত্য উৎসব’ পেলেন নেত্রকোনার কবি এনামুল হক পলাশ

‘বাবুই শিশুসাহিত্য উৎসব’ পেলেন নেত্রকোনার কবি এনামুল হক পলাশ

রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত জাঁকজমকপূর্ণ ‘বাবুই শিশুসাহিত্য উৎসব-২০২৬’-এ নিজের অনবদ্য সৃষ্টি ‘পাখপাখালির ছড়া’ গ্রন্থের জন্য সেরা লেখকের সম্মাননা অর্জন করেছেন নেত্রকোনার কৃতি সন্তান, কবি ও শিশুসাহিত্যিক এনামুল হক পলাশ।গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) দিনব্যাপী আয়োজিত এই সাহিত্য উৎসবে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত তিন শতাধিক শিশুসাহিত্যিক ও ছড়াকারের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ছিল লক্ষ্য করার মতো। সকালে জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং ফেস্টুন উড়িয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত বিশিষ্ট ছড়াকার আবু সালেহ।শিশুসাহিত্য উৎসব উদযাপন কমিটির সদস্য-সচিব কাদের বাবুর স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী, গবেষক ও বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক মনসুর মুসা। কবি রেজাউদ্দিন স্টালিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেণ্য কবি হাসান হাফিজ, শিশুসাহিত্যিক রোকেয়া খাতুন রুবী এবং জুলফিকার শাহাদাৎ।দিনব্যাপী এই উৎসবের আয়োজনে শিশু-কিশোরদের জন্য ছিল চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, তাৎক্ষণিক গল্প ও ছড়া লেখা, জাদুকরী প্রদর্শনী এবং প্রবীণ-নবীন লেখকদের ছড়াপাঠের আসর। এছাড়া বিকেলে জাতীয় দৈনিকের শিশুসাহিত্য পাতার সম্পাদকদের সঙ্গে নবীন লেখকদের মুখোমুখি সংলাপ ও শিশুসাহিত্যের সংকট নিয়ে বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।উৎসবের শেষ পর্বে ঘোষণা করা হয় বহুল প্রতীক্ষিত ‘বাবুই সেরা লেখক সম্মাননা ২০২৬’। ‘পাখপাখালির ছড়া’ গ্রন্থের সুবাদে কবি এনামুল হক পলাশকে সেরা লেখকের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। তাঁর এই অর্জনে নেত্রকোনা জেলাসহ দেশের সাহিত্য অঙ্গনে আনন্দের জোয়ার বইছে। দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য এই আয়োজন সফলভাবে সমাপ্ত হয় সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে।