‘আমার অন্তরায় আমার কলিজায়’ কিংবা ‘নির্জন যমুনার কূলে’র মতো অগণিত কালজয়ী গানের স্রষ্টা, ‘জ্ঞানের সাগর’ খ্যাত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মরমী বাউল সাধক দুর্বিন শাহের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯২০ সালের এই দিনে (২ নভেম্বর) তৎকালীন সিলেট জেলার সুনামগঞ্জ মহকুমার ছাতক থানার নোয়ারাই গ্রামের তারামনি টিলায় জন্মগ্রহণ করেন এই সাধক।
সুফি সাধক পিতা সফাত আলি শাহ ও মা পীরানী হাসিনা বানুর ঘর আলোকিত করে বেড়ে ওঠা দুর্বিন শাহ পারিবারিক সূত্রেই আধ্যাত্মিক আবহ ও সঙ্গীতচর্চার আবহ পান। তিনি শুধু একজন গীতিকার বা বাউলশিল্পীই ছিলেন না; ছিলেন মরমী দর্শন, দেহতত্ত্ব, মারফতি ও মানবাধিকারের এক বিরল ভাবুক। বাউল, বিচ্ছেদ, ভাটিয়ালি, মারফতি, রাধা-কৃষ্ণ বিষয়ক পদাবলী ও সুফিতত্ত্বের পাশাপাশি তিনি দেহতত্ত্ব ও স্বদেশের গানসহ বৈচিত্র্যময় ধারায় অগাধ সৃষ্টিশীলতার পরিচয় দিয়েছেন।
১৯৬৭ সালে প্রবাসী বাঙালিদের আমন্ত্রণে বিশিষ্ট বাউল সাধক শাহ আব্দুল করিমকে সঙ্গে নিয়ে ইংল্যান্ড সফরে যান দুর্বিন শাহ। সেখানে তাঁর গানের গভীরতা, আধ্যাত্মিক ভাব ও অপূর্ব সুরমূর্ছনায় মুগ্ধ হয়ে প্রবাসী সঙ্গীতপ্রেমীরা তাঁকে ‘জ্ঞানের সাগর’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
১৯৭৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি (১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ৩ ফাল্গুন) ৫৭ বছর বয়সে নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কালজয়ী এই গীতিকবি।
দুর্বিন শাহের জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে সুনাসগঞ্জের জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার আহমেদ মঞ্জুরুল হক চৌধুরী পাবেল জানান, মরমী গীতিকবি দুর্বিন শাহের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে জেলা শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনব্যাপী আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
‘আমার অন্তরায় আমার কলিজায়’ কিংবা ‘নির্জন যমুনার কূলে’র মতো অগণিত কালজয়ী গানের স্রষ্টা, ‘জ্ঞানের সাগর’ খ্যাত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মরমী বাউল সাধক দুর্বিন শাহের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯২০ সালের এই দিনে (২ নভেম্বর) তৎকালীন সিলেট জেলার সুনামগঞ্জ মহকুমার ছাতক থানার নোয়ারাই গ্রামের তারামনি টিলায় জন্মগ্রহণ করেন এই সাধক।
সুফি সাধক পিতা সফাত আলি শাহ ও মা পীরানী হাসিনা বানুর ঘর আলোকিত করে বেড়ে ওঠা দুর্বিন শাহ পারিবারিক সূত্রেই আধ্যাত্মিক আবহ ও সঙ্গীতচর্চার আবহ পান। তিনি শুধু একজন গীতিকার বা বাউলশিল্পীই ছিলেন না; ছিলেন মরমী দর্শন, দেহতত্ত্ব, মারফতি ও মানবাধিকারের এক বিরল ভাবুক। বাউল, বিচ্ছেদ, ভাটিয়ালি, মারফতি, রাধা-কৃষ্ণ বিষয়ক পদাবলী ও সুফিতত্ত্বের পাশাপাশি তিনি দেহতত্ত্ব ও স্বদেশের গানসহ বৈচিত্র্যময় ধারায় অগাধ সৃষ্টিশীলতার পরিচয় দিয়েছেন।
১৯৬৭ সালে প্রবাসী বাঙালিদের আমন্ত্রণে বিশিষ্ট বাউল সাধক শাহ আব্দুল করিমকে সঙ্গে নিয়ে ইংল্যান্ড সফরে যান দুর্বিন শাহ। সেখানে তাঁর গানের গভীরতা, আধ্যাত্মিক ভাব ও অপূর্ব সুরমূর্ছনায় মুগ্ধ হয়ে প্রবাসী সঙ্গীতপ্রেমীরা তাঁকে ‘জ্ঞানের সাগর’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
১৯৭৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি (১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ৩ ফাল্গুন) ৫৭ বছর বয়সে নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কালজয়ী এই গীতিকবি।
দুর্বিন শাহের জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে সুনাসগঞ্জের জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার আহমেদ মঞ্জুরুল হক চৌধুরী পাবেল জানান, মরমী গীতিকবি দুর্বিন শাহের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে জেলা শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনব্যাপী আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

মতামত