দেশের পোশাক শিল্পের উৎপাদন অব্যাহত রাখা, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং শ্রমিকদের রুটি-রুজি ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার সর্বাত্মক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে শ্রমিক আন্দোলনের নামে রাজপথে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী ও ইন্ধনদাতাদের কঠোর হস্তে দমনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
আজ সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে পোশাকশিল্প খাতের চলমান সংকট নিরসনে তৈরি পোশাক খাতের মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সকালের সফল বৈঠকের ধারাবাহিকতায় আজ বিকেলে সব শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তাদের মতামতের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হবে। তিনি আরও বলেন, “শ্রমিকদের দাবি ও সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি তিন বছর অন্তর ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠনের নিয়ম রয়েছে। সেই অনুযায়ী গত পরশু রাতে (৩১ অক্টোবর) শ্রমিক পক্ষের মনোনীত প্রতিনিধির নাম পাওয়ার পর ১ নভেম্বর সকালে শ্রম মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে বোর্ড গঠন সম্পন্ন করেছে। শীঘ্রই বোর্ডের প্রথম সভা শেষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নতুন মজুরি ঘোষণা করা হবে।”
গার্মেন্টস খাতে সাম্প্রতিক গোলযোগ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, “আমরা লক্ষ্য করেছি মজুরি বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া চলাই সত্ত্বেও গত কয়েকদিন ধরে সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ ও অগ্নিসংযোগ করে অসন্তোষ উসকে দেওয়া হচ্ছে। আন্দোলনে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পদধারী নেতাসহ পতিত স্বৈরাচারের সমর্থকরা জড়িত ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে ভিডিও ফুটেজ দেখে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কোনো কারখানা যেন বন্ধ না থাকে এবং প্রকৃত কোনো শ্রমিক যেন বেকার না হয়, সে লক্ষ্যে আমরা শিল্প মালিকদের পূর্ণ সহযোগিতা চেয়েছি।”
শিল্প এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিতে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের কথা জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “শিল্প খাতে সার্বক্ষণিক নজরদারির জন্য সুরক্ষা অ্যাপস ও পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে বিশেষ কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা পরিস্থিতি মনিটর করা হবে।”
শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন সংক্রান্ত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “পলাতক খুনি ও সাজাপ্রাপ্ত ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনাসহ তার দোসরদের ফেরত আনতে প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতের কাছে আবেদন করা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বর নিয়ে যারা বিভ্রান্তি ও হাইপ তোলার চেষ্টা করছে, তাদের পলাতক নেতাকর্মীদের উৎসাহিত করার সেই অপচেষ্টা কখনো সফল হবে না।”

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
দেশের পোশাক শিল্পের উৎপাদন অব্যাহত রাখা, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং শ্রমিকদের রুটি-রুজি ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার সর্বাত্মক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে শ্রমিক আন্দোলনের নামে রাজপথে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী ও ইন্ধনদাতাদের কঠোর হস্তে দমনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
আজ সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে পোশাকশিল্প খাতের চলমান সংকট নিরসনে তৈরি পোশাক খাতের মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সকালের সফল বৈঠকের ধারাবাহিকতায় আজ বিকেলে সব শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তাদের মতামতের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হবে। তিনি আরও বলেন, “শ্রমিকদের দাবি ও সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি তিন বছর অন্তর ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠনের নিয়ম রয়েছে। সেই অনুযায়ী গত পরশু রাতে (৩১ অক্টোবর) শ্রমিক পক্ষের মনোনীত প্রতিনিধির নাম পাওয়ার পর ১ নভেম্বর সকালে শ্রম মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে বোর্ড গঠন সম্পন্ন করেছে। শীঘ্রই বোর্ডের প্রথম সভা শেষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নতুন মজুরি ঘোষণা করা হবে।”
গার্মেন্টস খাতে সাম্প্রতিক গোলযোগ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, “আমরা লক্ষ্য করেছি মজুরি বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া চলাই সত্ত্বেও গত কয়েকদিন ধরে সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ ও অগ্নিসংযোগ করে অসন্তোষ উসকে দেওয়া হচ্ছে। আন্দোলনে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পদধারী নেতাসহ পতিত স্বৈরাচারের সমর্থকরা জড়িত ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে ভিডিও ফুটেজ দেখে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কোনো কারখানা যেন বন্ধ না থাকে এবং প্রকৃত কোনো শ্রমিক যেন বেকার না হয়, সে লক্ষ্যে আমরা শিল্প মালিকদের পূর্ণ সহযোগিতা চেয়েছি।”
শিল্প এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিতে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের কথা জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “শিল্প খাতে সার্বক্ষণিক নজরদারির জন্য সুরক্ষা অ্যাপস ও পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে বিশেষ কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা পরিস্থিতি মনিটর করা হবে।”
শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন সংক্রান্ত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “পলাতক খুনি ও সাজাপ্রাপ্ত ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনাসহ তার দোসরদের ফেরত আনতে প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতের কাছে আবেদন করা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বর নিয়ে যারা বিভ্রান্তি ও হাইপ তোলার চেষ্টা করছে, তাদের পলাতক নেতাকর্মীদের উৎসাহিত করার সেই অপচেষ্টা কখনো সফল হবে না।”

মতামত