যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ তদন্তে উচ্চপর্যায়ের ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সরকার। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মাহফুজুল আলম খানকে এ কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ২৪২টি পদের বিপরীতে এ নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে পরীক্ষা শুরুর ঠিক ১ ঘণ্টা আগে তা স্থগিত ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। ঢাকার ৯৫টি কেন্দ্রে প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার পরীক্ষার্থীর এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল।
এ বিষয়ে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন বাসসকে জানান, সরকার পরীক্ষায় স্বচ্ছতা রক্ষা ও রাষ্ট্রের আর্থিক অপচয় রোধে এ কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, "বিতর্কিত কোনো পরীক্ষা নিয়ে ফল প্রকাশ করা সরকারের নীতি নয়। কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র পৌঁছানোর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁসের তথ্য জানতে পেরে আমরা দ্রুত স্থগিতের পদক্ষেপ নিই।"
মহাপরিচালক আরও জানান, কেন্দ্র ফাঁকা থাকা সাপেক্ষে আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে পরীক্ষার পুনর্নির্ধারিত তারিখ বিজ্ঞপ্তি ও এসএমএসের মাধ্যমে প্রার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে। নতুন প্রশ্নপত্রে দ্রুতই এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত সাপেক্ষে প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ তদন্তে উচ্চপর্যায়ের ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সরকার। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মাহফুজুল আলম খানকে এ কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ২৪২টি পদের বিপরীতে এ নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে পরীক্ষা শুরুর ঠিক ১ ঘণ্টা আগে তা স্থগিত ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। ঢাকার ৯৫টি কেন্দ্রে প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার পরীক্ষার্থীর এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল।
এ বিষয়ে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন বাসসকে জানান, সরকার পরীক্ষায় স্বচ্ছতা রক্ষা ও রাষ্ট্রের আর্থিক অপচয় রোধে এ কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, "বিতর্কিত কোনো পরীক্ষা নিয়ে ফল প্রকাশ করা সরকারের নীতি নয়। কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র পৌঁছানোর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁসের তথ্য জানতে পেরে আমরা দ্রুত স্থগিতের পদক্ষেপ নিই।"
মহাপরিচালক আরও জানান, কেন্দ্র ফাঁকা থাকা সাপেক্ষে আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে পরীক্ষার পুনর্নির্ধারিত তারিখ বিজ্ঞপ্তি ও এসএমএসের মাধ্যমে প্রার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে। নতুন প্রশ্নপত্রে দ্রুতই এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত সাপেক্ষে প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

মতামত