চলমান আন্দোলনে গত দুইদিন যাবত গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর অগ্নি সংযোগ করা হয়েছে।
এই আন্দোলনের সাথে বিএনপি একমত পোষন করেছে,কিন্তু আন্দোলনের নামে গাড়ি ভাংচুর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান,পুলিশ বক্সে আগুন দেওয়া এটা মেনে নিতে পারছে না দেশের শান্তি প্রিয় মানুষ। তাই গাজীপুর মহানগর বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নির্দেশে মানুষের জানমাল নিরাপত্তা বজায় রাখতে, শান্তিপূর্ন আন্দোলন চালাতে কোনাবাড়িতে অবস্থান কর্মসুচি পালন করেছে বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
২রা নভেম্বর সকাল সাড়ে ৯ টায় কোনাবাড়ি বিসিক ১ নং গেইটে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শতাধিক নেতাকর্মী অবস্থান নিয়েছিল। হাজার হাজার শ্রমিক আন্দোলন করছে,এর পাশাপাশি কিছু মাক্স পড়ে হাতে লাঠি নিয়ে কোনাবাড়ি সুরমা হোটেল সংলগ্ন ভাংচুর করতে গেলে,সেখানে তাদের কে সরে যেতে বলেন কোনাবাড়ি থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রবিউল আলম রবি চৌধুরী। পাশাপাশি সেখানে বিএনপির আরও দুইজন নেতাও তাদের ভাংচুর করতে নিষেধ করলেই বাধা প্রদান করেন একাধিক শ্রমিক বৃন্দ। এমন পরিস্থিতিতে হাতে লাঠি ও ইটের খোয়া নিয়ে রবি চৌধুরী সহ আরও দুইজন কে বেধড়ক মেরেছে শ্রমিক বৃন্দ। এতে করে রবি চৌধুরী সহ বাকি ২ জন তাৎক্ষণিক জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। সাথে থাকা নেতাকর্মীরা তাদের উদ্ধার করে কোনাবাড়িতে হাসপাতালে ভর্তি করান।
এ ব্যাপারে মুঠোফোন রবি চৌধুরী বলেন,আমরা শ্রমিকদের আন্দোলনে বাধা দেওয়ার জন্য অবস্থান করিনি, কিন্তু যখন দেখলাম তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক ভাংচুর করছে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করছে,বাধা দেওয়াই আমাকে তারা মেরে আহত করেছে। শ্রমিকদের উদ্দেশ্য রবি চৌধুরী বলেন,বেতন বৃদ্ধির জন্য কমিশন গঠন করা হয়েছে,আপনারা কাজে ফিরে যান,অন্যের কথায় কোন প্রকার অকারেন্স করলে, সেটার দায়ভার আপনাকে ও আপনার পরিবার কে বহন করতে হবে। তাই সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকুন আর নিজেদের কাজে ফিরে যান। এতে করে আপনি ও আপনার পরিবার ভালো থাকবে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬
চলমান আন্দোলনে গত দুইদিন যাবত গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর অগ্নি সংযোগ করা হয়েছে।
এই আন্দোলনের সাথে বিএনপি একমত পোষন করেছে,কিন্তু আন্দোলনের নামে গাড়ি ভাংচুর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান,পুলিশ বক্সে আগুন দেওয়া এটা মেনে নিতে পারছে না দেশের শান্তি প্রিয় মানুষ। তাই গাজীপুর মহানগর বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নির্দেশে মানুষের জানমাল নিরাপত্তা বজায় রাখতে, শান্তিপূর্ন আন্দোলন চালাতে কোনাবাড়িতে অবস্থান কর্মসুচি পালন করেছে বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
২রা নভেম্বর সকাল সাড়ে ৯ টায় কোনাবাড়ি বিসিক ১ নং গেইটে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শতাধিক নেতাকর্মী অবস্থান নিয়েছিল। হাজার হাজার শ্রমিক আন্দোলন করছে,এর পাশাপাশি কিছু মাক্স পড়ে হাতে লাঠি নিয়ে কোনাবাড়ি সুরমা হোটেল সংলগ্ন ভাংচুর করতে গেলে,সেখানে তাদের কে সরে যেতে বলেন কোনাবাড়ি থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রবিউল আলম রবি চৌধুরী। পাশাপাশি সেখানে বিএনপির আরও দুইজন নেতাও তাদের ভাংচুর করতে নিষেধ করলেই বাধা প্রদান করেন একাধিক শ্রমিক বৃন্দ। এমন পরিস্থিতিতে হাতে লাঠি ও ইটের খোয়া নিয়ে রবি চৌধুরী সহ আরও দুইজন কে বেধড়ক মেরেছে শ্রমিক বৃন্দ। এতে করে রবি চৌধুরী সহ বাকি ২ জন তাৎক্ষণিক জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। সাথে থাকা নেতাকর্মীরা তাদের উদ্ধার করে কোনাবাড়িতে হাসপাতালে ভর্তি করান।
এ ব্যাপারে মুঠোফোন রবি চৌধুরী বলেন,আমরা শ্রমিকদের আন্দোলনে বাধা দেওয়ার জন্য অবস্থান করিনি, কিন্তু যখন দেখলাম তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক ভাংচুর করছে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করছে,বাধা দেওয়াই আমাকে তারা মেরে আহত করেছে। শ্রমিকদের উদ্দেশ্য রবি চৌধুরী বলেন,বেতন বৃদ্ধির জন্য কমিশন গঠন করা হয়েছে,আপনারা কাজে ফিরে যান,অন্যের কথায় কোন প্রকার অকারেন্স করলে, সেটার দায়ভার আপনাকে ও আপনার পরিবার কে বহন করতে হবে। তাই সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকুন আর নিজেদের কাজে ফিরে যান। এতে করে আপনি ও আপনার পরিবার ভালো থাকবে।

মতামত