গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীতে মাদ্রাসায় শিশুশিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগের ঘটনায় করা পাল্টা মামলা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও ফোনে প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার পর স্ত্রী ও শিশুকন্যাকে নিয়ে বাসা ছেড়েছেন শাহজালাল রুমি। ২৩ অক্টোবর থেকে তাঁরা ভাড়া বাসায় ফিরছেন না বলে জানিয়েছেন ওই ভবনের নিরাপত্তাকর্মী।
আজ সোমবার সকালে রুমির বাসার নিরাপত্তাকর্মী মো. হাবিবুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ২৩ অক্টোবর ফ্ল্যাটে তালা দিয়ে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে বেরিয়ে যান রুমি। এরপর থেকে তাঁরা আর বাসায় ফেরেননি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গাজীপুরের টঙ্গী কলেজ গেটের আউচপাড়া এলাকার ৭৪/১ এসএস একাডেমি রোডের একটি বহুতল ভবনের ষষ্ঠ তলায় ভাড়া থাকতেন শিশুটির পরিবার। নির্যাতনের শিকার শিশুটি পাশের রফিউদ্দিন রোডের আউচপাড়া অভিযান এলাকার ১৯৩ নম্বর বাড়িতে অবস্থিত ক্বারীউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
শিশুটিকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ২৩ অক্টোবর মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে থাপ্পড় মারেন তার বাবা শাহজালাল রুমি। এ ঘটনায় করা মামলায় পুলিশ মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মোসলেম আহমেদকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
পরে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ কারি মোহাম্মদ আলমাছ হোসেন শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিকে প্রধান আসামি করে লুটপাট, মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগে পাল্টা মামলা করেন। এর পর থেকেই রুমি আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে শাহজালাল রুমির ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীতে মাদ্রাসায় শিশুশিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগের ঘটনায় করা পাল্টা মামলা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও ফোনে প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার পর স্ত্রী ও শিশুকন্যাকে নিয়ে বাসা ছেড়েছেন শাহজালাল রুমি। ২৩ অক্টোবর থেকে তাঁরা ভাড়া বাসায় ফিরছেন না বলে জানিয়েছেন ওই ভবনের নিরাপত্তাকর্মী।
আজ সোমবার সকালে রুমির বাসার নিরাপত্তাকর্মী মো. হাবিবুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ২৩ অক্টোবর ফ্ল্যাটে তালা দিয়ে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে বেরিয়ে যান রুমি। এরপর থেকে তাঁরা আর বাসায় ফেরেননি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গাজীপুরের টঙ্গী কলেজ গেটের আউচপাড়া এলাকার ৭৪/১ এসএস একাডেমি রোডের একটি বহুতল ভবনের ষষ্ঠ তলায় ভাড়া থাকতেন শিশুটির পরিবার। নির্যাতনের শিকার শিশুটি পাশের রফিউদ্দিন রোডের আউচপাড়া অভিযান এলাকার ১৯৩ নম্বর বাড়িতে অবস্থিত ক্বারীউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
শিশুটিকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ২৩ অক্টোবর মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে থাপ্পড় মারেন তার বাবা শাহজালাল রুমি। এ ঘটনায় করা মামলায় পুলিশ মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মোসলেম আহমেদকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
পরে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ কারি মোহাম্মদ আলমাছ হোসেন শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিকে প্রধান আসামি করে লুটপাট, মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগে পাল্টা মামলা করেন। এর পর থেকেই রুমি আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে শাহজালাল রুমির ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

মতামত