কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ‘আরাকান রোহিঙ্গা আর্মি’ (এআরএ) সদস্য সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে দুটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র (ক্রিস) উদ্ধার করা হয়।
আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উখিয়ার ঘোনারপাড়া পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন ক্যাম্প-১৯-এর বি/১ ব্লক এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—ক্যাম্প-১০ এর হাসেম উল্লাহর ছেলে মোহাম্মদ ইমরান (১৯) এবং মোহাম্মদ ইসহাকের ছেলে মো. তৌয়ব (১৫)।
৮ এপিবিএন সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, ক্যাম্প-১৯-এর বি/১ ব্লক এলাকায় এআরএ সশস্ত্র গোষ্ঠীর ৬ থেকে ৭ জন সদস্য দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। খবর পেয়ে এপিবিএন সদস্যরা দ্রুত সেখানে অভিযান চালান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে দুজনকে দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ আটক করা হয়। এ সময় তাঁদের সঙ্গে থাকা অজ্ঞাতনামা আরও ৪ থেকে ৫ জন পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
৮ এপিবিএনের অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমদ জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অপরাধমূলক তৎপরতা প্রতিরোধে এপিবিএনের নিয়মিত অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ‘আরাকান রোহিঙ্গা আর্মি’ (এআরএ) সদস্য সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে দুটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র (ক্রিস) উদ্ধার করা হয়।
আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উখিয়ার ঘোনারপাড়া পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন ক্যাম্প-১৯-এর বি/১ ব্লক এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—ক্যাম্প-১০ এর হাসেম উল্লাহর ছেলে মোহাম্মদ ইমরান (১৯) এবং মোহাম্মদ ইসহাকের ছেলে মো. তৌয়ব (১৫)।
৮ এপিবিএন সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, ক্যাম্প-১৯-এর বি/১ ব্লক এলাকায় এআরএ সশস্ত্র গোষ্ঠীর ৬ থেকে ৭ জন সদস্য দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। খবর পেয়ে এপিবিএন সদস্যরা দ্রুত সেখানে অভিযান চালান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে দুজনকে দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ আটক করা হয়। এ সময় তাঁদের সঙ্গে থাকা অজ্ঞাতনামা আরও ৪ থেকে ৫ জন পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
৮ এপিবিএনের অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমদ জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অপরাধমূলক তৎপরতা প্রতিরোধে এপিবিএনের নিয়মিত অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

মতামত