তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে অবস্থিত বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) নিয়ন্ত্রণাধীন যমুনা সারকারখানায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড। এর ফলে ফের বন্ধ হয়ে গেছে দেশের অন্যতম বৃহৎ এই শিল্পপ্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন কার্যক্রম।
আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যমুনা সারকারখানার উৎপাদন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. ফজলুল হক এবং তিতাস গ্যাসের তারাকান্দির সিনিয়র কারিগরি কর্মী মো. দুলাল মিয়া।
কারখানা সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ সাত মাস বন্ধ থাকার পর গত ২১ সেপ্টেম্বর কারখানায় পুনরায় গ্যাস সরবরাহ চালু হয়। পরে প্রস্তুতি ও বয়লারের মেরামত কাজ শেষে গত ২৩ অক্টোবর সকাল ১০টায় পুনরায় উৎপাদন শুরু হয়েছিল। কিন্তু চালুর মাত্র দুই দিনের মাথায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় উৎপাদন কার্যক্রমে নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দিল।
যমুনা সারকারখানা সূত্রে জানা গেছে, কারখানাটিতে স্বাভাবিক উৎপাদন বজায় রাখতে প্রতিদিন ৪৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাপ প্রয়োজন হয়। গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত এই সময়ে প্রায় ৩ হাজার ১৯৬ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৫ কোটি টাকা। তবে বারবার উৎপাদন বন্ধ ও চালুর প্রক্রিয়ায় কারখানার পরিচালন ব্যয় ও আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা বাড়ার পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের ১৯টি জেলায় সার সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষক ও সচেতন মহল।
স্থানীয় কৃষকদের আশঙ্কা, রবি মৌসুমের শুরুতে যমুনা সারকারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকায় উত্তরাঞ্চলে সারের সংকট তৈরি হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে কৃষি উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত যমুনা সারকারখানায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে অবস্থিত বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) নিয়ন্ত্রণাধীন যমুনা সারকারখানায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড। এর ফলে ফের বন্ধ হয়ে গেছে দেশের অন্যতম বৃহৎ এই শিল্পপ্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন কার্যক্রম।
আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যমুনা সারকারখানার উৎপাদন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. ফজলুল হক এবং তিতাস গ্যাসের তারাকান্দির সিনিয়র কারিগরি কর্মী মো. দুলাল মিয়া।
কারখানা সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ সাত মাস বন্ধ থাকার পর গত ২১ সেপ্টেম্বর কারখানায় পুনরায় গ্যাস সরবরাহ চালু হয়। পরে প্রস্তুতি ও বয়লারের মেরামত কাজ শেষে গত ২৩ অক্টোবর সকাল ১০টায় পুনরায় উৎপাদন শুরু হয়েছিল। কিন্তু চালুর মাত্র দুই দিনের মাথায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় উৎপাদন কার্যক্রমে নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দিল।
যমুনা সারকারখানা সূত্রে জানা গেছে, কারখানাটিতে স্বাভাবিক উৎপাদন বজায় রাখতে প্রতিদিন ৪৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাপ প্রয়োজন হয়। গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত এই সময়ে প্রায় ৩ হাজার ১৯৬ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৫ কোটি টাকা। তবে বারবার উৎপাদন বন্ধ ও চালুর প্রক্রিয়ায় কারখানার পরিচালন ব্যয় ও আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা বাড়ার পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের ১৯টি জেলায় সার সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষক ও সচেতন মহল।
স্থানীয় কৃষকদের আশঙ্কা, রবি মৌসুমের শুরুতে যমুনা সারকারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকায় উত্তরাঞ্চলে সারের সংকট তৈরি হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে কৃষি উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত যমুনা সারকারখানায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।

মতামত