গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) পূবাইল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে চাঞ্চল্যকর স্ত্রী হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি মেহেদী হাসান মারুফকে (২৪) গ্রেফতার করেছে। কুষ্টিয়া সদর এলাকা থেকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ
ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় মাস পূর্বে
প্রবাসী মেহেদী হাসান মারুফের সঙ্গে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় সাতানীপাড়ার ব্যবসায়ী
মো. আফসার মিয়ার বড় মেয়ে আফসানা
আক্তার স্নিগ্ধার (২১)।
প্রায়
দেড় মাস আগে আসামি দেশে ফিরে কাজীর মাধ্যমে নিকাহনামা সম্পন্ন করেন। তবে পরিবারের লোকজন এ বিয়ে মেনে
না নেয়ায় তিনি স্ত্রীকে নিয়ে তালটিয়া মধ্যপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন।
বাসায়
থাকার পর থেকেই আসামির
বিরুদ্ধে স্ত্রীকে বিভিন্ন সময় পারিবারিক কলহের জেরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের
অভিযোগ ওঠে।
গত
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি. রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে
ছোট বোন সিনথিয়ার সঙ্গে স্নিগ্ধার শেষ কথা হয়। পরদিন (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা
১১ টার দিকে পাশের বাসার ভাড়াটিয়া বাদীর বাসায় গিয়ে খবর দেন যে, স্নিগ্ধা নিজ ঘরের ভেতরে মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন।
খবর
পেয়ে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে দেখতে পান চিলেকোঠা রুমের ফ্লোরের তোষকের ওপর স্নিগ্ধার লাশ পড়ে আছে। স্বজনদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ওই দিন সকাল
১০ টার দিকে আসামি মারুফ তার ব্যাগ ও জামাকাপড় গুছিয়ে
অজ্ঞাত স্থানে পালিয়ে যান। বাদীর ধারণা, ১৮ সেপ্টেম্বর রাত
৮ টা থেকে ১৯
সেপ্টেম্বর সকাল ১০ টার মধ্যবর্তী
যেকোনো সময় আসামি মারুফ বালিশ চাপা দিয়ে স্নিগ্ধাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।
এ
ঘটনায় নিহতের বাবা মো. আফসার মিয়া বাদী হয়ে পূবাইল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নম্বর- ০৮, তারিখ: ১৯/০৯/২০২৬
খ্রি., ধারা- ৩০২/৩৪ পেনাল কোড)।
মামলা
রুজুর পর থেকেই আসামি
গা-ঢাকা দেন। অবশেষে পূবাইল থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায়
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালান।
গত
১৬ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি. দিবাগত রাত ১:২৫ মিনিটে
কুষ্টিয়া সদর থানা এলাকা থেকে আসামি মেহেদী হাসান মারুফকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক
জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামি মারুফ এই হত্যাকাণ্ডের কথা
স্বীকার করেছেন এবং আদালতে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মতি প্রকাশ করেছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়।
বিধি
মোতাবেক তাঁকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হলে আদালত আসামির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) পূবাইল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে চাঞ্চল্যকর স্ত্রী হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি মেহেদী হাসান মারুফকে (২৪) গ্রেফতার করেছে। কুষ্টিয়া সদর এলাকা থেকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ
ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় মাস পূর্বে
প্রবাসী মেহেদী হাসান মারুফের সঙ্গে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় সাতানীপাড়ার ব্যবসায়ী
মো. আফসার মিয়ার বড় মেয়ে আফসানা
আক্তার স্নিগ্ধার (২১)।
প্রায়
দেড় মাস আগে আসামি দেশে ফিরে কাজীর মাধ্যমে নিকাহনামা সম্পন্ন করেন। তবে পরিবারের লোকজন এ বিয়ে মেনে
না নেয়ায় তিনি স্ত্রীকে নিয়ে তালটিয়া মধ্যপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন।
বাসায়
থাকার পর থেকেই আসামির
বিরুদ্ধে স্ত্রীকে বিভিন্ন সময় পারিবারিক কলহের জেরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের
অভিযোগ ওঠে।
গত
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি. রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে
ছোট বোন সিনথিয়ার সঙ্গে স্নিগ্ধার শেষ কথা হয়। পরদিন (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা
১১ টার দিকে পাশের বাসার ভাড়াটিয়া বাদীর বাসায় গিয়ে খবর দেন যে, স্নিগ্ধা নিজ ঘরের ভেতরে মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন।
খবর
পেয়ে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে দেখতে পান চিলেকোঠা রুমের ফ্লোরের তোষকের ওপর স্নিগ্ধার লাশ পড়ে আছে। স্বজনদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ওই দিন সকাল
১০ টার দিকে আসামি মারুফ তার ব্যাগ ও জামাকাপড় গুছিয়ে
অজ্ঞাত স্থানে পালিয়ে যান। বাদীর ধারণা, ১৮ সেপ্টেম্বর রাত
৮ টা থেকে ১৯
সেপ্টেম্বর সকাল ১০ টার মধ্যবর্তী
যেকোনো সময় আসামি মারুফ বালিশ চাপা দিয়ে স্নিগ্ধাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।
এ
ঘটনায় নিহতের বাবা মো. আফসার মিয়া বাদী হয়ে পূবাইল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নম্বর- ০৮, তারিখ: ১৯/০৯/২০২৬
খ্রি., ধারা- ৩০২/৩৪ পেনাল কোড)।
মামলা
রুজুর পর থেকেই আসামি
গা-ঢাকা দেন। অবশেষে পূবাইল থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায়
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালান।
গত
১৬ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি. দিবাগত রাত ১:২৫ মিনিটে
কুষ্টিয়া সদর থানা এলাকা থেকে আসামি মেহেদী হাসান মারুফকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক
জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামি মারুফ এই হত্যাকাণ্ডের কথা
স্বীকার করেছেন এবং আদালতে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মতি প্রকাশ করেছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়।
বিধি
মোতাবেক তাঁকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হলে আদালত আসামির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মতামত