কক্সবাজারের ইনানী পাটুয়ারটেক এলাকার টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ছয়জনসহ ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর)২০২৬ সকাল ৭টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তিনতলাবিশিষ্ট কাঠের তৈরি রিসোর্টটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়লে পুরো স্থাপনাটি পুড়ে যায়।
রিসোর্ট থেকে ফিরে আসা ঢাকার বনশ্রীর বাসিন্দা আশিকুল ইসলাম জানান, গত বৃহস্পতিবার স্ত্রী, শ্যালিকাসহ একই পরিবারের নয়জন ওই রিসোর্টে ওঠেন। শনিবার সকাল ৭টার দিকে রিসোর্টের রান্নাঘর থেকে বিকট শব্দ শোনা যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো রিসোর্টে ছড়িয়ে পড়ে।
আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় আশিকুল ইসলামসহ পরিবারের তিনজন বের হতে সক্ষম হন। তবে বাকি ছয়জনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ছয়জন হলেন—ইসরাত জাহান মালিহা (৩০), মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), লায়লা জাহান নাবিলা (২৭), ফায়িজান আহম্মেদ (৫), সাবরিন (২৩) ও জেরিফ (১৮)।
এ ছাড়া নাফিসতা মীম (২৭) ও চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩)-এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি দুজনের পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে প্রশাসন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, রিসোর্টের এক কর্মচারী বৈদ্যুতিক কেটলিতে চা তৈরি করতে দিলে সেখান থেকে শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তবে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ঘটনার সময় রিসোর্টটিতে প্রায় ৩০ জন অবস্থান করছিলেন বলে জানা গেছে। কাঠের তৈরি তিনতলা ভবনটি আগুনে সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। আগুন লাগার পর রিসোর্টের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ জানিয়েছেন, টুপটুপ রিসোর্টের অগ্নিনির্বাপণ-সংক্রান্ত লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিল না বলে জানা গেছে। গত জুন মাসে রিসোর্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়েছিল বলেও তিনি জানান।
অগ্নিকাণ্ডে আহত ব্যক্তিদের দেখতে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে যান জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান। এদিকে, ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তদন্তের মাধ্যমে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং রিসোর্টটির অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো অবহেলা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজারের ইনানী পাটুয়ারটেক এলাকার টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ছয়জনসহ ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর)২০২৬ সকাল ৭টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তিনতলাবিশিষ্ট কাঠের তৈরি রিসোর্টটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়লে পুরো স্থাপনাটি পুড়ে যায়।
রিসোর্ট থেকে ফিরে আসা ঢাকার বনশ্রীর বাসিন্দা আশিকুল ইসলাম জানান, গত বৃহস্পতিবার স্ত্রী, শ্যালিকাসহ একই পরিবারের নয়জন ওই রিসোর্টে ওঠেন। শনিবার সকাল ৭টার দিকে রিসোর্টের রান্নাঘর থেকে বিকট শব্দ শোনা যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো রিসোর্টে ছড়িয়ে পড়ে।
আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় আশিকুল ইসলামসহ পরিবারের তিনজন বের হতে সক্ষম হন। তবে বাকি ছয়জনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ছয়জন হলেন—ইসরাত জাহান মালিহা (৩০), মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), লায়লা জাহান নাবিলা (২৭), ফায়িজান আহম্মেদ (৫), সাবরিন (২৩) ও জেরিফ (১৮)।
এ ছাড়া নাফিসতা মীম (২৭) ও চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩)-এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি দুজনের পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে প্রশাসন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, রিসোর্টের এক কর্মচারী বৈদ্যুতিক কেটলিতে চা তৈরি করতে দিলে সেখান থেকে শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তবে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ঘটনার সময় রিসোর্টটিতে প্রায় ৩০ জন অবস্থান করছিলেন বলে জানা গেছে। কাঠের তৈরি তিনতলা ভবনটি আগুনে সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। আগুন লাগার পর রিসোর্টের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ জানিয়েছেন, টুপটুপ রিসোর্টের অগ্নিনির্বাপণ-সংক্রান্ত লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিল না বলে জানা গেছে। গত জুন মাসে রিসোর্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়েছিল বলেও তিনি জানান।
অগ্নিকাণ্ডে আহত ব্যক্তিদের দেখতে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে যান জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান। এদিকে, ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তদন্তের মাধ্যমে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং রিসোর্টটির অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো অবহেলা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে

মতামত