গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈরে শান্ত পাল নামে এক যুবক তার প্রেমিকাকে বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে এক তরুণীর (১৮) মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রেমিক শান্ত পালকে (২৭) গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে ওই যুবককে গাজীপুর জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
গত রবিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার সফিপুর এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। পরে মৃত তরুণীর বাবা বাদী হয়ে সোমবার (৫ অক্টোবর) কালিয়াকৈর থানায় একটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মৃত ওই তরুণীর বাড়ী ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মধ্যপাড়া বাজার এলাকায়। সে স্থানীয় একটি কলেজের শিক্ষার্থী ছিল।
আটক শান্ত পাল কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার সাচাইল পালপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি উপজেলার সফিপুর আহমদ নগর এলাকার রাজ্জাক মিয়ার বাসায় ভাড়া থেকে স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। সম্পর্কে সে মেয়েটির বড় ভাইয়ের বেয়াই।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার বিবরণে নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর ধরে তার বড় ভাইয়ের শ্যালিকার (মৃত তরুণী) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে শান্তর। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরেই গত রবিবার সকালে ওই তরুণী নিজ বাড়ি ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে কোচিংয়ে যাওয়ার কথা বলে বের হয়। পরে কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর এলাকায় প্রেমিক শান্তর সঙ্গে দেখা করে।
অভিযোগ উঠেছে, পরে শান্ত ওই তরুণীকে তার ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে কয়েক দফা শারীরিক সম্পর্কের পর তরুণী অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে।
পরে মুমুর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে বিষয়টি প্রেমিক শান্ত নিজেই তরুণীর পরিবারকে মোবাইল ফোনে জানিয়ে দেন। এরপর ওইদিন রাতেই শান্ত তরুণীর মরদেহ তাদের গ্রামের বাড়ি ভালুকায় নিয়ে যায়।
মরদেহ পৌঁছানোর পর স্বজনদের সন্দেহ হলে তারা শান্তকে আটক করে।
পরে তরুণীর মরদেহটি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তরুণীর মৃত্যু হয়েছে।
পরে শান্তকে পিটুনি দিয়ে ভালুকা থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে এলাকাবাসী। এরপর কালিয়াকৈর থানা পুলিশকে জানানো হলে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ ওই যুবককে তাদের হেফাজতে নেয়।
মেয়েটি কোচিংয়ের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল, আর ফিরল লাশ হয়ে।
নিহতের বাবা-মায়ের আহাজারিতে ভালুকার মধ্যপাড়া বাজার এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। এলাকাবাসী এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় ধর্ষণ ও হত্যা মামলা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈরে শান্ত পাল নামে এক যুবক তার প্রেমিকাকে বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে এক তরুণীর (১৮) মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রেমিক শান্ত পালকে (২৭) গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে ওই যুবককে গাজীপুর জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
গত রবিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার সফিপুর এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। পরে মৃত তরুণীর বাবা বাদী হয়ে সোমবার (৫ অক্টোবর) কালিয়াকৈর থানায় একটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মৃত ওই তরুণীর বাড়ী ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মধ্যপাড়া বাজার এলাকায়। সে স্থানীয় একটি কলেজের শিক্ষার্থী ছিল।
আটক শান্ত পাল কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার সাচাইল পালপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি উপজেলার সফিপুর আহমদ নগর এলাকার রাজ্জাক মিয়ার বাসায় ভাড়া থেকে স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। সম্পর্কে সে মেয়েটির বড় ভাইয়ের বেয়াই।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার বিবরণে নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর ধরে তার বড় ভাইয়ের শ্যালিকার (মৃত তরুণী) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে শান্তর। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরেই গত রবিবার সকালে ওই তরুণী নিজ বাড়ি ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে কোচিংয়ে যাওয়ার কথা বলে বের হয়। পরে কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর এলাকায় প্রেমিক শান্তর সঙ্গে দেখা করে।
অভিযোগ উঠেছে, পরে শান্ত ওই তরুণীকে তার ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে কয়েক দফা শারীরিক সম্পর্কের পর তরুণী অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে।
পরে মুমুর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে বিষয়টি প্রেমিক শান্ত নিজেই তরুণীর পরিবারকে মোবাইল ফোনে জানিয়ে দেন। এরপর ওইদিন রাতেই শান্ত তরুণীর মরদেহ তাদের গ্রামের বাড়ি ভালুকায় নিয়ে যায়।
মরদেহ পৌঁছানোর পর স্বজনদের সন্দেহ হলে তারা শান্তকে আটক করে।
পরে তরুণীর মরদেহটি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তরুণীর মৃত্যু হয়েছে।
পরে শান্তকে পিটুনি দিয়ে ভালুকা থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে এলাকাবাসী। এরপর কালিয়াকৈর থানা পুলিশকে জানানো হলে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ ওই যুবককে তাদের হেফাজতে নেয়।
মেয়েটি কোচিংয়ের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল, আর ফিরল লাশ হয়ে।
নিহতের বাবা-মায়ের আহাজারিতে ভালুকার মধ্যপাড়া বাজার এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। এলাকাবাসী এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় ধর্ষণ ও হত্যা মামলা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মতামত