দৈনিক পল্লী বাংলা
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬

বন্ধের সাত মাস পর উৎপাদনে ফিরল জামালপুরের যমুনা সার কারখানা

বন্ধের সাত মাস পর উৎপাদনে ফিরল জামালপুরের যমুনা সার কারখানা

শুধু পড়াশোনা নয়, শিশুদের খেলাধুলা ও সংস্কৃতিতেও দক্ষ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

শুধু পড়াশোনা নয়, শিশুদের খেলাধুলা ও সংস্কৃতিতেও দক্ষ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

কাউলতিয়া সাংগঠনিক থানা বিএনপির মিলন মেলা ও নৌকা ভ্রমণ।

কাউলতিয়া সাংগঠনিক থানা বিএনপির মিলন মেলা ও নৌকা ভ্রমণ।

গাজীপুর কেজি স্কুল এসোসিয়েশন কতৃক বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান

গাজীপুর কেজি স্কুল এসোসিয়েশন কতৃক বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান

গাজীপুর মহানগরের পূবাইলে ১২ পিস ইয়াবাসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

গাজীপুর মহানগরের পূবাইলে ১২ পিস ইয়াবাসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

গাজীপুর মহানগরের পূবাইলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেফতার

গাজীপুর মহানগরের পূবাইলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেফতার

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সাংবাদিকের বাড়িতে বাল্যবিবাহের অভিযোগে অর্থদণ্ড

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সাংবাদিকের বাড়িতে বাল্যবিবাহের অভিযোগে অর্থদণ্ড

বাগেরহাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সদর উপজেলা প্রশাসনের বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান

বাগেরহাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সদর উপজেলা প্রশাসনের বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান

বন্ধের সাত মাস পর উৎপাদনে ফিরল জামালপুরের যমুনা সার কারখানা

বন্ধের সাত মাস পর উৎপাদনে ফিরল জামালপুরের যমুনা সার কারখানা

গ্যাস সংযোগ পাওয়ার ১৫ দিন পর পুনরায় ইউরিয়া সার উৎপাদনে ফিরেছে বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প সংস্থার (বিসিআইসি) নিয়ন্ত্রণাধীন জামালপুরের সরিষাবাড়ীর তারাকান্দিতে অবস্থিত যমুনা সার কারখানা (জেএফসিএল)। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত ৩টা ১০ মিনিটে কারখানাটিতে সার উৎপাদন শুরু হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারখানার উৎপাদন বিভাগের প্রধান ফজলুল হক রতন।

কারখানা সূত্রে জানা যায়, দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া ও ১ হাজার ৭৮ মেট্রিক টন অ্যামোনিয়া উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ১৯৯১ সালে বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু করে এ কারখানাটি। উৎপাদিত সার জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও রাজবাড়ীসহ উত্তরাঞ্চলের ২১টি জেলায় সার সরবরাহে মূল ভূমিকা পালন করে আসছে।

গ্যাস সংকটের কারণে ২০২৪ সালের ১৫ জানুয়ারি কারখানাটিতে ইউরিয়া উৎপাদন প্রথম বন্ধ হয়। পরবর্তীতে দীর্ঘ ২২ মাস বন্ধ থাকার পর ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর তিতাস গ্যাস সংযোগ দিলেও চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি আবারও গ্যাস সংকটে পড়ে উৎপাদন থমকে যায়। প্রায় সাত মাস বন্ধ থাকার পর গেল ২০ সেপ্টেম্বর সার কারখানায় পুনরায় গ্যাস সরবরাহ চালু করা হয়। এরপর প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রস্তুতি ও গ্যাসের পর্যাপ্ত চাপ নিশ্চিতের পর সোমবার রাতে কারখানাটি পুরোদমে উৎপাদনে ফিরল।

কারখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, স্বাভাবিক উৎপাদনের জন্য প্রতিদিন প্রায় ৪২ থেকে ৪৩ এমএমসিএফ এবং কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ৪৬ এমএমসিএফ গ্যাসের প্রয়োজন হয়। বর্তমানে কাঙ্ক্ষিত গ্যাস সরবরাহ পাওয়া গেলে দৈনিক সার উৎপাদন স্বাভাবিক থাকবে।

দীর্ঘদিন পর কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হওয়ায় বিসিআইসির শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়ন, সার ডিলার, পরিবহন মালিক, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ২১ জেলার কৃষকদের মাঝে আনন্দ ও স্বস্তি ফিরে এসেছে। একই সঙ্গে কারখানানির্ভর পরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি ফিরবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

দৈনিক পল্লী বাংলা

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬


বন্ধের সাত মাস পর উৎপাদনে ফিরল জামালপুরের যমুনা সার কারখানা

প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

গ্যাস সংযোগ পাওয়ার ১৫ দিন পর পুনরায় ইউরিয়া সার উৎপাদনে ফিরেছে বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প সংস্থার (বিসিআইসি) নিয়ন্ত্রণাধীন জামালপুরের সরিষাবাড়ীর তারাকান্দিতে অবস্থিত যমুনা সার কারখানা (জেএফসিএল)। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত ৩টা ১০ মিনিটে কারখানাটিতে সার উৎপাদন শুরু হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারখানার উৎপাদন বিভাগের প্রধান ফজলুল হক রতন।

কারখানা সূত্রে জানা যায়, দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া ও ১ হাজার ৭৮ মেট্রিক টন অ্যামোনিয়া উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ১৯৯১ সালে বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু করে এ কারখানাটি। উৎপাদিত সার জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও রাজবাড়ীসহ উত্তরাঞ্চলের ২১টি জেলায় সার সরবরাহে মূল ভূমিকা পালন করে আসছে।

গ্যাস সংকটের কারণে ২০২৪ সালের ১৫ জানুয়ারি কারখানাটিতে ইউরিয়া উৎপাদন প্রথম বন্ধ হয়। পরবর্তীতে দীর্ঘ ২২ মাস বন্ধ থাকার পর ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর তিতাস গ্যাস সংযোগ দিলেও চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি আবারও গ্যাস সংকটে পড়ে উৎপাদন থমকে যায়। প্রায় সাত মাস বন্ধ থাকার পর গেল ২০ সেপ্টেম্বর সার কারখানায় পুনরায় গ্যাস সরবরাহ চালু করা হয়। এরপর প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রস্তুতি ও গ্যাসের পর্যাপ্ত চাপ নিশ্চিতের পর সোমবার রাতে কারখানাটি পুরোদমে উৎপাদনে ফিরল।

কারখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, স্বাভাবিক উৎপাদনের জন্য প্রতিদিন প্রায় ৪২ থেকে ৪৩ এমএমসিএফ এবং কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ৪৬ এমএমসিএফ গ্যাসের প্রয়োজন হয়। বর্তমানে কাঙ্ক্ষিত গ্যাস সরবরাহ পাওয়া গেলে দৈনিক সার উৎপাদন স্বাভাবিক থাকবে।

দীর্ঘদিন পর কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হওয়ায় বিসিআইসির শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়ন, সার ডিলার, পরিবহন মালিক, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ২১ জেলার কৃষকদের মাঝে আনন্দ ও স্বস্তি ফিরে এসেছে। একই সঙ্গে কারখানানির্ভর পরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি ফিরবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।


দৈনিক পল্লী বাংলা

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ শেখ আজমল হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত পল্লী বাংলা