গাজীপুরে ছয় বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে মো. আনোয়ার হোসেন খান (২০) নামের এক শিক্ষককে সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে জরিমানা অনাদায়ে আসামির স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ ভিকটিম শিশুকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর ২০২৬) মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল) বিচারক আবু বকর সিদ্দিক এই চাঞ্চল্যকর রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক থাকায় আদালত তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৯ সালের ৩১ আগস্ট সকাল পৌনে নয়টার দিকে গাজীপুর মহানগরের গাছা থানার শরীফপুরের ধানবাড়ি এলাকার একটি নার্সারি শ্রেণির ছয় বছর বয়সি শিশু বিদ্যালয়ে যায়। সকাল সোয়া নয়টার দিকে অন্যান্য শিক্ষকরা ক্লাসে চলে গেলে স্কুলের সহকারী শিক্ষক মো. আনোয়ার হোসেন খান শিশুটিকে স্কুলের অফিস কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ঘটনার পর শিশুটিকে স্থানীয় ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে পরিবার ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ওই বছরের ৫ সেপ্টেম্বর ভিকটিমের মা বাদী হয়ে গাছা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এজাহার দায়ের করেন।
মামলায় শরীফপুর এলাকার মো. করিম খানের ছেলে শিক্ষক আনোয়ার হোসেন খান এবং সহযোগিতার অভিযোগে ফরিদা বেগমকে আসামি করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া, সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ ও উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আজ আদালত মূল আসামি আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে এই রায় দেন। রায় ঘোষণার দিন আসামিপক্ষ থেকে সময় আবেদন করা হলেও আদালত তা নামঞ্জুর করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সেলিনা বেগম, তাঁকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী মহিউদ্দিন ও জাকির কাদের। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন জানান, পলাতক আসামিকে গ্রেফতারে সাজা পরোয়ানা সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
গাজীপুরে ছয় বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে মো. আনোয়ার হোসেন খান (২০) নামের এক শিক্ষককে সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে জরিমানা অনাদায়ে আসামির স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ ভিকটিম শিশুকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর ২০২৬) মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল) বিচারক আবু বকর সিদ্দিক এই চাঞ্চল্যকর রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক থাকায় আদালত তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৯ সালের ৩১ আগস্ট সকাল পৌনে নয়টার দিকে গাজীপুর মহানগরের গাছা থানার শরীফপুরের ধানবাড়ি এলাকার একটি নার্সারি শ্রেণির ছয় বছর বয়সি শিশু বিদ্যালয়ে যায়। সকাল সোয়া নয়টার দিকে অন্যান্য শিক্ষকরা ক্লাসে চলে গেলে স্কুলের সহকারী শিক্ষক মো. আনোয়ার হোসেন খান শিশুটিকে স্কুলের অফিস কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ঘটনার পর শিশুটিকে স্থানীয় ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে পরিবার ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ওই বছরের ৫ সেপ্টেম্বর ভিকটিমের মা বাদী হয়ে গাছা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এজাহার দায়ের করেন।
মামলায় শরীফপুর এলাকার মো. করিম খানের ছেলে শিক্ষক আনোয়ার হোসেন খান এবং সহযোগিতার অভিযোগে ফরিদা বেগমকে আসামি করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া, সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ ও উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আজ আদালত মূল আসামি আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে এই রায় দেন। রায় ঘোষণার দিন আসামিপক্ষ থেকে সময় আবেদন করা হলেও আদালত তা নামঞ্জুর করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সেলিনা বেগম, তাঁকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী মহিউদ্দিন ও জাকির কাদের। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন জানান, পলাতক আসামিকে গ্রেফতারে সাজা পরোয়ানা সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হয়েছে।

মতামত