গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানায় দায়ের করা চাঞ্চল্যকর কার্তিক হত্যা মামলায় রিমান্ডে থাকা আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো চাকু উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত ১ নভেম্বর গ্রেপ্তার হওয়া প্রধান আসামিদের রিমান্ড মঞ্জুর হওয়ার পর তাদের দেওয়া তথ্যের সূত্র ধরে এই অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ
সূত্রে জানা
যায়, গত ১
নভেম্বর ২০২৬
খ্রিষ্টাব্দে গাছা
থানার একটি
চৌকস আভিযানিক
দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ময়মনসিংহ
জেলার হালুয়াঘাট
থানার মাশাইল
বাজার এলাকা
থেকে চাঞ্চল্যকর
এই হত্যা
মামলার মূল
আসামি মো.
শিমুল মিয়া
(২৫) এবং মো.
জহিরুল ইসলাম
ওরফে ফালান
(৪৯)-কে গ্রেপ্তার
করে। পরবর্তী
সময়ে বিজ্ঞ
আদালত আসামিদের
৩ দিনের
রিমান্ড মঞ্জুর
করলে তাদের
জিজ্ঞাসাবাদ করা
হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে
প্রাপ্ত তথ্যের
ভিত্তিতে আজ
বিকেল ৫টা
৫০ মিনিটে
গাছা থানাধীন
কুনিয়া সাকিনস্থ
কুত্তা পাগলীর
মাজার সংলগ্ন
সাহা মার্কেটের
সামনে সিটি
কর্পোরেশনের ড্রেনের
ভেতর থেকে
হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত
ধারালো চাকু
উদ্ধার করা
হয়।
উল্লেখ্য,
গত ২৭
অক্টোবর রাতে
গাছা থানাধীন
কুনিয়া পাছর
চৌধুরী মার্কেট
এলাকায় কার্তিক
(৩৫)-কে দুর্বৃত্তরা
ছুরিকাঘাতে হত্যা
করে। এ
ঘটনায় গাছা
থানায় ৩০২/৩৪ ধারায়
হত্যা মামলা
(নং-৪২,
তারিখ: ২৮/১০/২০২৬) রুজু করা
হয়। এর
আগে পুলিশ
অভিযান চালিয়ে
এ মামলার
অন্য সন্দেহভাজন
আসামি মো.
মিলন (১৯), মো. তানজিল আহম্মেদ
অমি (২১) ও মো. রফিকুল ইসলাম
(৪৭)-কে গ্রেপ্তার
করেছিল।
গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ
গোলাম রাব্বানী
পল্লীবাংলাকে বলেন
গ্রেপ্তারকৃত
আসামিদের নিয়ে
হত্যাকাণ্ডে জড়িত
অন্যান্য পলাতক
আসামিদের গ্রেপ্তার
এবং মামলার
রহস্য পুরোপুরি
উদঘাটনে অভিযান
অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানায় দায়ের করা চাঞ্চল্যকর কার্তিক হত্যা মামলায় রিমান্ডে থাকা আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো চাকু উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত ১ নভেম্বর গ্রেপ্তার হওয়া প্রধান আসামিদের রিমান্ড মঞ্জুর হওয়ার পর তাদের দেওয়া তথ্যের সূত্র ধরে এই অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ
সূত্রে জানা
যায়, গত ১
নভেম্বর ২০২৬
খ্রিষ্টাব্দে গাছা
থানার একটি
চৌকস আভিযানিক
দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ময়মনসিংহ
জেলার হালুয়াঘাট
থানার মাশাইল
বাজার এলাকা
থেকে চাঞ্চল্যকর
এই হত্যা
মামলার মূল
আসামি মো.
শিমুল মিয়া
(২৫) এবং মো.
জহিরুল ইসলাম
ওরফে ফালান
(৪৯)-কে গ্রেপ্তার
করে। পরবর্তী
সময়ে বিজ্ঞ
আদালত আসামিদের
৩ দিনের
রিমান্ড মঞ্জুর
করলে তাদের
জিজ্ঞাসাবাদ করা
হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে
প্রাপ্ত তথ্যের
ভিত্তিতে আজ
বিকেল ৫টা
৫০ মিনিটে
গাছা থানাধীন
কুনিয়া সাকিনস্থ
কুত্তা পাগলীর
মাজার সংলগ্ন
সাহা মার্কেটের
সামনে সিটি
কর্পোরেশনের ড্রেনের
ভেতর থেকে
হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত
ধারালো চাকু
উদ্ধার করা
হয়।
উল্লেখ্য,
গত ২৭
অক্টোবর রাতে
গাছা থানাধীন
কুনিয়া পাছর
চৌধুরী মার্কেট
এলাকায় কার্তিক
(৩৫)-কে দুর্বৃত্তরা
ছুরিকাঘাতে হত্যা
করে। এ
ঘটনায় গাছা
থানায় ৩০২/৩৪ ধারায়
হত্যা মামলা
(নং-৪২,
তারিখ: ২৮/১০/২০২৬) রুজু করা
হয়। এর
আগে পুলিশ
অভিযান চালিয়ে
এ মামলার
অন্য সন্দেহভাজন
আসামি মো.
মিলন (১৯), মো. তানজিল আহম্মেদ
অমি (২১) ও মো. রফিকুল ইসলাম
(৪৭)-কে গ্রেপ্তার
করেছিল।
গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ
গোলাম রাব্বানী
পল্লীবাংলাকে বলেন
গ্রেপ্তারকৃত
আসামিদের নিয়ে
হত্যাকাণ্ডে জড়িত
অন্যান্য পলাতক
আসামিদের গ্রেপ্তার
এবং মামলার
রহস্য পুরোপুরি
উদঘাটনে অভিযান
অব্যাহত রয়েছে।

মতামত