শিশু-কিশোরদের মেধা, প্রতিভা ও সৃজনশীলতার বিকাশের মধ্য দিয়েই একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষার্থীদের শুধু পড়াশোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি এবং তৃতীয় কোনো বিদেশি ভাষা শিক্ষায় দক্ষতা অর্জনের তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬-২৭’ (সিজন-২)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শিশু-কিশোরদের বহুমুখী প্রতিভা বিকাশের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই বাংলাদেশ তোমাদের গড়তে হবে, তোমাদের তৈরি করতে হবে। বাংলাদেশকে পৃথিবীর বুকে শক্তিশালী হিসেবে দাঁড় করাতে হবে। তোমরা প্রত্যেকে একেকজন বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর এবং এই দেশের মালিক।” তিনি বলেন, শুধু পড়াশোনা করে বিশ্ব জয় করা সম্ভব নয়; বিশ্বমঞ্চে এগিয়ে যেতে হলে জ্ঞান, খেলাধুলা, শিল্প ও সংস্কৃতির প্রতিটি ক্ষেত্রেই পারদর্শী হতে হবে। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আর্কিটেক্ট বা আইনজীবী হওয়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চাকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
এর আগে বিকেল পৌনে ৩টায় প্রধানমন্ত্রী খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে পৌঁছান। পরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে এবং অনলাইনে দেশের ৫০৩টি উপজেলার সঙ্গে যুক্ত হয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং জাতীয় সংসদের হুইপ ও খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিকেএসপির শিক্ষার্থীদের বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং চীনের শিক্ষার্থীদের ঐতিহ্যবাহী ড্রাগন ও লায়ন ড্যান্স উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে থাকা শিশু-কিশোর ও ক্রীড়াবিদদের কাছে গিয়ে কুশল বিনিময় করেন এবং স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। এরপর খুলনা সার্কিট হাউস মাঠে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এবারের নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে সারা দেশ থেকে ১৬ লাখ ২৩ হাজার ২১৮ জন প্রতিযোগী অনলাইনে নিবন্ধন করেছে। ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সি শিশু-কিশোরদের জন্য আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় আগের আটটি ইভেন্টের সঙ্গে এবার নতুন করে ভলিবল ও টেবিল টেনিস যুক্ত হওয়ায় মোট ১০টি ইভেন্টে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকছে। আগামী বছরের জুন মাসে এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।
শিশুদের জন্য সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি দেশের শিশু-কিশোরদের আরও ছয়-সাতটি বিদেশি ভাষা থেকে যেকোনো একটি ভাষা বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। সরকার এমন একটি সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলতে চায়, যেখানে শিশুরা নির্বিঘ্নে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নিজেদের বিকশিত করতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
শিশু-কিশোরদের মেধা, প্রতিভা ও সৃজনশীলতার বিকাশের মধ্য দিয়েই একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষার্থীদের শুধু পড়াশোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি এবং তৃতীয় কোনো বিদেশি ভাষা শিক্ষায় দক্ষতা অর্জনের তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬-২৭’ (সিজন-২)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শিশু-কিশোরদের বহুমুখী প্রতিভা বিকাশের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই বাংলাদেশ তোমাদের গড়তে হবে, তোমাদের তৈরি করতে হবে। বাংলাদেশকে পৃথিবীর বুকে শক্তিশালী হিসেবে দাঁড় করাতে হবে। তোমরা প্রত্যেকে একেকজন বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর এবং এই দেশের মালিক।” তিনি বলেন, শুধু পড়াশোনা করে বিশ্ব জয় করা সম্ভব নয়; বিশ্বমঞ্চে এগিয়ে যেতে হলে জ্ঞান, খেলাধুলা, শিল্প ও সংস্কৃতির প্রতিটি ক্ষেত্রেই পারদর্শী হতে হবে। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আর্কিটেক্ট বা আইনজীবী হওয়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চাকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
এর আগে বিকেল পৌনে ৩টায় প্রধানমন্ত্রী খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে পৌঁছান। পরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে এবং অনলাইনে দেশের ৫০৩টি উপজেলার সঙ্গে যুক্ত হয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং জাতীয় সংসদের হুইপ ও খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিকেএসপির শিক্ষার্থীদের বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং চীনের শিক্ষার্থীদের ঐতিহ্যবাহী ড্রাগন ও লায়ন ড্যান্স উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে থাকা শিশু-কিশোর ও ক্রীড়াবিদদের কাছে গিয়ে কুশল বিনিময় করেন এবং স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। এরপর খুলনা সার্কিট হাউস মাঠে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এবারের নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে সারা দেশ থেকে ১৬ লাখ ২৩ হাজার ২১৮ জন প্রতিযোগী অনলাইনে নিবন্ধন করেছে। ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সি শিশু-কিশোরদের জন্য আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় আগের আটটি ইভেন্টের সঙ্গে এবার নতুন করে ভলিবল ও টেবিল টেনিস যুক্ত হওয়ায় মোট ১০টি ইভেন্টে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকছে। আগামী বছরের জুন মাসে এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।
শিশুদের জন্য সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি দেশের শিশু-কিশোরদের আরও ছয়-সাতটি বিদেশি ভাষা থেকে যেকোনো একটি ভাষা বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। সরকার এমন একটি সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলতে চায়, যেখানে শিশুরা নির্বিঘ্নে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নিজেদের বিকশিত করতে পারে।

মতামত