দীর্ঘদিনের রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের বিপজ্জনক অচলাবস্থা কাটিয়ে সংঘাত অবসানে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর অংশ হিসেবে শুক্রবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে মার্কিন, ইউক্রেনীয় ও ইউরোপীয় দেশগুলোর উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় মিয়ামির আলোচনাকে গঠনমূলক বলে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, বৈঠকে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানির সমন্বিত জোট 'ই৩', ইউরোপীয় কমিশন, ইউক্রেন ও ন্যাটোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আলোচনায় আসন্ন শীতের আগে উত্তেজনা কমানো, জ্বালানি নিরাপত্তা, শস্য রপ্তানি, ইউক্রেনের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা, যুদ্ধপরবর্তী পুনর্গঠন এবং ইইউতে ইউক্রেনের অন্তর্ভুক্তিসহ দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্য উপায় নিয়ে বিস্তারিত কথা হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও লিসবনে এক হুঁশিয়ারিতে বলেন, "রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এমন এক বিপজ্জনক অচলাবস্থায় পৌঁছেছে যেখানে সামরিক উপায়ে সমাধানের সুযোগ নেই। দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সমাধান না হলে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে প্রতিবেশী ন্যাটো দেশগুলোতেও বড় ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।"
তবে মিয়ামি আলোচনার আবহেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেল সরবরাহ বাড়ানোর একটি চুক্তি করেন। ট্রাম্প জানান, রাশিয়া অবিলম্বে বিশ্ববাজারে তিন লাখ টনের বেশি ডিজেল পাঠাবে এবং নভেম্বরে আরও পাঁচ লাখ টন সরবরাহ করবে। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় রাশিয়ার ডিজেল সরবরাহে সাময়িক ছাড়পত্রের অনুমোদন দিয়েছে।
কূটনৈতিক আলোচনার জোর তৎপরতার মধ্যেও মাঠ পর্যায়ে হামলা থামেনি। শীতের আগে অবকাঠামো রক্ষায় কিয়েভ ও ওয়াশিংটনের তাগিদ বাড়লেও ইউক্রেনের ক্রামাতোরস্ক শহরে বাসে রাশিয়ার হামলায় ৩০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
দীর্ঘদিনের রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের বিপজ্জনক অচলাবস্থা কাটিয়ে সংঘাত অবসানে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর অংশ হিসেবে শুক্রবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে মার্কিন, ইউক্রেনীয় ও ইউরোপীয় দেশগুলোর উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় মিয়ামির আলোচনাকে গঠনমূলক বলে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, বৈঠকে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানির সমন্বিত জোট 'ই৩', ইউরোপীয় কমিশন, ইউক্রেন ও ন্যাটোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আলোচনায় আসন্ন শীতের আগে উত্তেজনা কমানো, জ্বালানি নিরাপত্তা, শস্য রপ্তানি, ইউক্রেনের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা, যুদ্ধপরবর্তী পুনর্গঠন এবং ইইউতে ইউক্রেনের অন্তর্ভুক্তিসহ দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্য উপায় নিয়ে বিস্তারিত কথা হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও লিসবনে এক হুঁশিয়ারিতে বলেন, "রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এমন এক বিপজ্জনক অচলাবস্থায় পৌঁছেছে যেখানে সামরিক উপায়ে সমাধানের সুযোগ নেই। দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সমাধান না হলে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে প্রতিবেশী ন্যাটো দেশগুলোতেও বড় ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।"
তবে মিয়ামি আলোচনার আবহেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেল সরবরাহ বাড়ানোর একটি চুক্তি করেন। ট্রাম্প জানান, রাশিয়া অবিলম্বে বিশ্ববাজারে তিন লাখ টনের বেশি ডিজেল পাঠাবে এবং নভেম্বরে আরও পাঁচ লাখ টন সরবরাহ করবে। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় রাশিয়ার ডিজেল সরবরাহে সাময়িক ছাড়পত্রের অনুমোদন দিয়েছে।
কূটনৈতিক আলোচনার জোর তৎপরতার মধ্যেও মাঠ পর্যায়ে হামলা থামেনি। শীতের আগে অবকাঠামো রক্ষায় কিয়েভ ও ওয়াশিংটনের তাগিদ বাড়লেও ইউক্রেনের ক্রামাতোরস্ক শহরে বাসে রাশিয়ার হামলায় ৩০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

মতামত