দৈনিক পল্লীবাংলা
প্রকাশ : সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

স্বৈরাচার ফেরার পথ সুগম করলে শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি করা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

স্বৈরাচার ফেরার পথ সুগম করলে শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি করা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান’

‘সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান’

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ

জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাই আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাই আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’: ঢাকেশ্বরী মন্দিরে মতবিনিময় সভায় রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’: ঢাকেশ্বরী মন্দিরে মতবিনিময় সভায় রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও সবুজ বাংলাদেশ গঠনে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও সবুজ বাংলাদেশ গঠনে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

কুয়েটের উদ্ভাবিত বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর সবুজ সংকেত

কুয়েটের উদ্ভাবিত বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর সবুজ সংকেত

জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের মূল দায়িত্ব: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. মঈন খান

জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের মূল দায়িত্ব: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. মঈন খান

স্বৈরাচার ফেরার পথ সুগম করলে শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি করা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

স্বৈরাচার ফেরার পথ সুগম করলে শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি করা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রাজনীতিতে বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা না করে গঠনমূলক ভূমিকা রাখার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “বিরোধিতা করতে গিয়ে যদি স্বৈরাচার ফিরে আসার পথ উন্মুক্ত করা হয়, তবে তা হবে ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের রক্তের সঙ্গে গাদ্দারি।”

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে নির্মিত ৯০ ফুট উঁচু ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ ও আধুনিকায়িত ওসমানী উদ্যানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের মূল দায়িত্ব দেশের স্বার্থে আলোচনা করা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গণতন্ত্রে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক, তবে মানুষের কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা, চিকিৎসা এবং শিক্ষার মতো মৌলিক জাতীয় প্রশ্নে সবাইকে একমত হতে হবে।” তিনি বিরোধিতার পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানান।

জুলাই আন্দোলনে আত্মত্যাগকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শহীদ আবু সাঈদের বাবা মো. মকবুল হোসেন, মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের বাবা মীর মোস্তাফিজুর রহমান, শহীদ শাহারিয়ার খাঁন আনাসের মা সানজিদা খান দীপ্তি এবং শহীদ ওয়াসিম আকরামের বাবা মোহাম্মদ শফিউল আলমকে সঙ্গে নিয়ে যৌথভাবে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উন্মোচন করেন। পরে তিনি স্মারক বৃক্ষরোপণ এবং আধুনিকায়িত উদ্যানের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন।

উন্নয়নকাজের ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও বিদ্যমান গাছপালা সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে পরিবেশের ক্ষতি যতটা সম্ভব কমিয়ে আনতে হবে।” এছাড়া হাসপাতাল ও সরকারি আবাসন পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে তিনি চিকিৎসাসেবা প্রাঙ্গণে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার নির্দেশনা দেন।

স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণ সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক একর জায়গায় নির্মিত ৯০ ফুট উঁচু এ স্মৃতিস্তম্ভে ৮৩৪ জন শহীদের নাম খোদাই করা হয়েছে এবং সামনে ২০টি প্রতীকী সমাধিফলক রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ২৩ একরের পুরো ওসমানী উদ্যানকে আধুনিক হাঁটার পথ, জলাশয় ও সবুজায়নে রূপান্তর করা হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আবদুল মঈন খান, বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা বক্তব্য রাখেন।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

দৈনিক পল্লীবাংলা

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬


স্বৈরাচার ফেরার পথ সুগম করলে শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি করা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

রাজনীতিতে বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা না করে গঠনমূলক ভূমিকা রাখার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “বিরোধিতা করতে গিয়ে যদি স্বৈরাচার ফিরে আসার পথ উন্মুক্ত করা হয়, তবে তা হবে ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের রক্তের সঙ্গে গাদ্দারি।”

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে নির্মিত ৯০ ফুট উঁচু ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ ও আধুনিকায়িত ওসমানী উদ্যানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের মূল দায়িত্ব দেশের স্বার্থে আলোচনা করা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গণতন্ত্রে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক, তবে মানুষের কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা, চিকিৎসা এবং শিক্ষার মতো মৌলিক জাতীয় প্রশ্নে সবাইকে একমত হতে হবে।” তিনি বিরোধিতার পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানান।

জুলাই আন্দোলনে আত্মত্যাগকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শহীদ আবু সাঈদের বাবা মো. মকবুল হোসেন, মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের বাবা মীর মোস্তাফিজুর রহমান, শহীদ শাহারিয়ার খাঁন আনাসের মা সানজিদা খান দীপ্তি এবং শহীদ ওয়াসিম আকরামের বাবা মোহাম্মদ শফিউল আলমকে সঙ্গে নিয়ে যৌথভাবে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উন্মোচন করেন। পরে তিনি স্মারক বৃক্ষরোপণ এবং আধুনিকায়িত উদ্যানের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন।

উন্নয়নকাজের ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও বিদ্যমান গাছপালা সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে পরিবেশের ক্ষতি যতটা সম্ভব কমিয়ে আনতে হবে।” এছাড়া হাসপাতাল ও সরকারি আবাসন পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে তিনি চিকিৎসাসেবা প্রাঙ্গণে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার নির্দেশনা দেন।

স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণ সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক একর জায়গায় নির্মিত ৯০ ফুট উঁচু এ স্মৃতিস্তম্ভে ৮৩৪ জন শহীদের নাম খোদাই করা হয়েছে এবং সামনে ২০টি প্রতীকী সমাধিফলক রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ২৩ একরের পুরো ওসমানী উদ্যানকে আধুনিক হাঁটার পথ, জলাশয় ও সবুজায়নে রূপান্তর করা হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আবদুল মঈন খান, বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা বক্তব্য রাখেন।


দৈনিক পল্লীবাংলা

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ শেখ আজমল হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত পল্লী বাংলা