শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেশের ও সারাবিশ্বের সকল হিন্দু সম্প্রদায় তথা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম।
রোববার (১৮ অক্টোবর) এক বিশেষ শুভেচ্ছা বাণীতে স্পিকার বলেন, শারদপ্রাতের উদ্ভাসিত আলোয় আশ্বিনের শেষভাগে অনুষ্ঠিত দুর্গাপূজা হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সারাদেশে এক চমৎকার ধর্মীয় সম্প্রীতি ও উৎসবের আবহ তৈরি হয়।
শুভেচ্ছা বাণীতে স্পিকার আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “দুর্গাপূজার মহিমায় সমাজে বিরাজমান সব ধরনের বৈষম্য ও অবিচারের অন্ধকার কেটে গিয়ে সর্বত্র সাম্য, মৈত্রী ও সৌহার্দ্যের এক নতুন ভোরের উদয় হোক। শাশ্বত বাংলার আবহমানকালের ধর্মীয়, সামাজিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির অনন্য সৌন্দর্য অক্ষুণ্ন থাকুক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ আরও উল্লেখ করেন, উৎসবের এই দিনগুলো প্রত্যেকের জীবনে অফুরন্ত প্রেরণা বয়ে আনুক। ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক কিংবা সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ধর্ম-গোত্র-সম্প্রদায়ের মধ্যকার পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ব আরও দৃঢ় হয়ে উঠুক।
সামাজিক সংহতি ও ধর্মীয় সম্প্রীতির এই মহান চেতনাকে বুকে ধারণ করে সবাই মিলে একটি সুন্দর, শান্তিময় ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে স্পিকার শারদীয় দুর্গোৎসবের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করেন।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেশের ও সারাবিশ্বের সকল হিন্দু সম্প্রদায় তথা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম।
রোববার (১৮ অক্টোবর) এক বিশেষ শুভেচ্ছা বাণীতে স্পিকার বলেন, শারদপ্রাতের উদ্ভাসিত আলোয় আশ্বিনের শেষভাগে অনুষ্ঠিত দুর্গাপূজা হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সারাদেশে এক চমৎকার ধর্মীয় সম্প্রীতি ও উৎসবের আবহ তৈরি হয়।
শুভেচ্ছা বাণীতে স্পিকার আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “দুর্গাপূজার মহিমায় সমাজে বিরাজমান সব ধরনের বৈষম্য ও অবিচারের অন্ধকার কেটে গিয়ে সর্বত্র সাম্য, মৈত্রী ও সৌহার্দ্যের এক নতুন ভোরের উদয় হোক। শাশ্বত বাংলার আবহমানকালের ধর্মীয়, সামাজিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির অনন্য সৌন্দর্য অক্ষুণ্ন থাকুক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ আরও উল্লেখ করেন, উৎসবের এই দিনগুলো প্রত্যেকের জীবনে অফুরন্ত প্রেরণা বয়ে আনুক। ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক কিংবা সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ধর্ম-গোত্র-সম্প্রদায়ের মধ্যকার পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ব আরও দৃঢ় হয়ে উঠুক।
সামাজিক সংহতি ও ধর্মীয় সম্প্রীতির এই মহান চেতনাকে বুকে ধারণ করে সবাই মিলে একটি সুন্দর, শান্তিময় ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে স্পিকার শারদীয় দুর্গোৎসবের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করেন।

মতামত