বিশ্বমঞ্চে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সাধারণ পরিষদের সাধারণ আলোচনা পর্বে দেশের সার্বিক উন্নয়ন রূপকল্প, সার্বভৌম স্বার্থ এবং বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বক্তৃতা রাখার কথা রয়েছে তাঁর।
জাতিসংঘে ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা : প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর জিয়া পরিবারের ৩য় প্রতিনিধি হিসেবে জাতিসংঘের অধিবেশনে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সাশ্রয়ী ও সংক্ষিপ্ত সফরসঙ্গী দল : রাষ্ট্রীয় কৃচ্ছ্রসাধনের অংশ হিসেবে মাত্র ৩৮ সদস্যের একটি সুসংগঠিত ও সংক্ষিপ্ত প্রতিনিধি দল নিয়ে নিউইয়র্ক পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশ্ব নেতাদের সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক : সম্মেলনের ফাঁকে বৈশ্বিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য প্রসার এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদারে একাধিক বিশ্বনেতা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করবেন তিনি।
মূল এজেন্ডা : নতুন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, বৈশ্বিক জলবায়ু অর্থায়ন, প্রযুক্তিগত সহায়তা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন।
প্রত্যাবাসন ইস্যুতে জোরদার : রোহিঙ্গা সংকট সমাধান ও তাঁদের সম্মানজনক প্রত্যাবাসনে বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকার দাবি।
দ্বিপক্ষীয় কূটনীতি : মার্কিন প্রশাসনসহ উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলোর শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধি।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিশ্বমঞ্চে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সাধারণ পরিষদের সাধারণ আলোচনা পর্বে দেশের সার্বিক উন্নয়ন রূপকল্প, সার্বভৌম স্বার্থ এবং বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বক্তৃতা রাখার কথা রয়েছে তাঁর।
জাতিসংঘে ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা : প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর জিয়া পরিবারের ৩য় প্রতিনিধি হিসেবে জাতিসংঘের অধিবেশনে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সাশ্রয়ী ও সংক্ষিপ্ত সফরসঙ্গী দল : রাষ্ট্রীয় কৃচ্ছ্রসাধনের অংশ হিসেবে মাত্র ৩৮ সদস্যের একটি সুসংগঠিত ও সংক্ষিপ্ত প্রতিনিধি দল নিয়ে নিউইয়র্ক পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশ্ব নেতাদের সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক : সম্মেলনের ফাঁকে বৈশ্বিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য প্রসার এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদারে একাধিক বিশ্বনেতা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করবেন তিনি।
মূল এজেন্ডা : নতুন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, বৈশ্বিক জলবায়ু অর্থায়ন, প্রযুক্তিগত সহায়তা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন।
প্রত্যাবাসন ইস্যুতে জোরদার : রোহিঙ্গা সংকট সমাধান ও তাঁদের সম্মানজনক প্রত্যাবাসনে বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকার দাবি।
দ্বিপক্ষীয় কূটনীতি : মার্কিন প্রশাসনসহ উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলোর শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধি।

মতামত