দৈনিক পল্লীবাংলা
প্রকাশ : শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

প্রটোকল ভেঙে জনতার কাতারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রটোকল ভেঙে জনতার কাতারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কোনো ষড়যন্ত্রই দেশের জনগণকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কোনো ষড়যন্ত্রই দেশের জনগণকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শিশুদের দেশের অ্যাম্বাসেডর হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

শিশুদের দেশের অ্যাম্বাসেডর হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বাগেরহাটে হযরত খানজাহান আলী রহ.-এর মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বাগেরহাটে হযরত খানজাহান আলী রহ.-এর মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

এক দিনের সরকারি সফরে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

এক দিনের সরকারি সফরে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর উপলক্ষে ১০ টাকার স্মারক ডাকটিকেট ও উদ্বোধনী খাম অবমুক্ত

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর উপলক্ষে ১০ টাকার স্মারক ডাকটিকেট ও উদ্বোধনী খাম অবমুক্ত

দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু নির্মাণের কাজ ত্বরান্বিত করার তাগিদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু নির্মাণের কাজ ত্বরান্বিত করার তাগিদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

গাজীপুরে পুলিশের ৩ গাড়ি ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ, সাংবাদিকসহ বিজিবি সদস্য আহত

গাজীপুরে পুলিশের ৩ গাড়ি ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ, সাংবাদিকসহ বিজিবি সদস্য আহত

প্রটোকল ভেঙে জনতার কাতারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রটোকল ভেঙে জনতার কাতারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সরকারের সর্বোচ্চ নির্বাহী পদে থেকেও প্রটোকল ও আনুষ্ঠানিকতার বলয় ভেঙে রাজপথে সাধারণ জনতার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দীর্ঘ সাত কিলোমিটার পথ হেঁটেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত ‘সার্বভৌমত্ব’ প্রক্রিয়ার বর্ণাঢ্য র‌্যালিতে অংশ নিয়ে তিনি কার্যত মিশে যান জনতার কাতারে।

আজ শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া এই ঐতিহাসিক র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন তিনি। বিকেল সাড়ে ৩টায় নয়াপল্টন থেকে যাত্রা শুরু করে নেতাকর্মীরা এবং প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং হেঁটে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে পৌঁছান। দীর্ঘ প্রায় এক যুগ লন্ডনে অবস্থানের পর ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। দেশে ফেরার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক সমাবেশে বক্তব্য দিলেও বিএনপির কোনো দলীয় র‌্যালিতে হেঁটে অংশ নেওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম।

র‌্যালিটি নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে কাকরাইল মোড়, প্রধান বিচারপতির বাসভবন সংলগ্ন সড়ক, রমনা পার্ক সড়ক, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামোটর, ফার্মগেট ও ইন্দিরা রোড হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হয়। পথজুড়ে প্রধানমন্ত্রীকে এক নজর দেখতে সড়কের দুই পাশে হাজারও মানুষ ভিড় জমান। আশেপাশের ভবনের ছাদ ও জানালা থেকেও নারী-পুরুষ ও শিশুরা হাত নেড়ে অভিবাদন জানায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও হাস্যোজ্জ্বল মুখে হাত নেড়ে তাঁদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই পদযাত্রাকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বাসসকে বলেন, “এভাবে একজন প্রধানমন্ত্রীর পুরো র‌্যালিতে হেঁটে অংশ নেওয়ার দৃশ্য বাংলাদেশে বিরল। এটি গণতন্ত্র পুনর্নির্মাণের অভিযাত্রায় দেশবাসীকে উজ্জীবিত করবে। এর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তাঁর খাল খনন কর্মসূচিতে গিয়ে একইভাবে মাইলের পর মাইল হেঁটেছিলেন।”

র‌্যালিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আমান উল্লাহ আমান, ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মনি, উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, কোষাধ্যক্ষ রশিদুজ্জামান মিল্লাত ও প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুর পাশাপাশি সহস্রাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।

এর আগে বিকেল ৩টার দিকে নয়াপল্টনের অস্থায়ী মঞ্চে উঠে সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার ও ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আজম খানসহ শীর্ষ নেতারা। দুপুর ১২টা থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল এসে নয়াপল্টনে সমবেত হলে কাকরাইল থেকে ফকিরাপুল মোড় পর্যন্ত এলাকা বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়। জাতীয় পতাকা, প্ল্যাকার্ড ও রঙিন ক্যাপ পরে বর্ণাঢ্য সাজে সজ্জিত হয়ে কর্মসূচিতে যোগ দেন দলের কর্মী-সমর্থকেরা।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

দৈনিক পল্লীবাংলা

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬


প্রটোকল ভেঙে জনতার কাতারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

সরকারের সর্বোচ্চ নির্বাহী পদে থেকেও প্রটোকল ও আনুষ্ঠানিকতার বলয় ভেঙে রাজপথে সাধারণ জনতার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দীর্ঘ সাত কিলোমিটার পথ হেঁটেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত ‘সার্বভৌমত্ব’ প্রক্রিয়ার বর্ণাঢ্য র‌্যালিতে অংশ নিয়ে তিনি কার্যত মিশে যান জনতার কাতারে।

আজ শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া এই ঐতিহাসিক র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন তিনি। বিকেল সাড়ে ৩টায় নয়াপল্টন থেকে যাত্রা শুরু করে নেতাকর্মীরা এবং প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং হেঁটে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে পৌঁছান। দীর্ঘ প্রায় এক যুগ লন্ডনে অবস্থানের পর ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। দেশে ফেরার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক সমাবেশে বক্তব্য দিলেও বিএনপির কোনো দলীয় র‌্যালিতে হেঁটে অংশ নেওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম।

র‌্যালিটি নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে কাকরাইল মোড়, প্রধান বিচারপতির বাসভবন সংলগ্ন সড়ক, রমনা পার্ক সড়ক, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামোটর, ফার্মগেট ও ইন্দিরা রোড হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হয়। পথজুড়ে প্রধানমন্ত্রীকে এক নজর দেখতে সড়কের দুই পাশে হাজারও মানুষ ভিড় জমান। আশেপাশের ভবনের ছাদ ও জানালা থেকেও নারী-পুরুষ ও শিশুরা হাত নেড়ে অভিবাদন জানায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও হাস্যোজ্জ্বল মুখে হাত নেড়ে তাঁদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই পদযাত্রাকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বাসসকে বলেন, “এভাবে একজন প্রধানমন্ত্রীর পুরো র‌্যালিতে হেঁটে অংশ নেওয়ার দৃশ্য বাংলাদেশে বিরল। এটি গণতন্ত্র পুনর্নির্মাণের অভিযাত্রায় দেশবাসীকে উজ্জীবিত করবে। এর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তাঁর খাল খনন কর্মসূচিতে গিয়ে একইভাবে মাইলের পর মাইল হেঁটেছিলেন।”

র‌্যালিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আমান উল্লাহ আমান, ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মনি, উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, কোষাধ্যক্ষ রশিদুজ্জামান মিল্লাত ও প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুর পাশাপাশি সহস্রাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।

এর আগে বিকেল ৩টার দিকে নয়াপল্টনের অস্থায়ী মঞ্চে উঠে সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার ও ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আজম খানসহ শীর্ষ নেতারা। দুপুর ১২টা থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল এসে নয়াপল্টনে সমবেত হলে কাকরাইল থেকে ফকিরাপুল মোড় পর্যন্ত এলাকা বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়। জাতীয় পতাকা, প্ল্যাকার্ড ও রঙিন ক্যাপ পরে বর্ণাঢ্য সাজে সজ্জিত হয়ে কর্মসূচিতে যোগ দেন দলের কর্মী-সমর্থকেরা।


দৈনিক পল্লীবাংলা

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ শেখ আজমল হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত পল্লীবাংলা