টঙ্গীতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মাদকের হটস্পট হাজির মাজার বস্তি
মোঃ নজরুল ইসলাম, টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি :
৩১ আগস্ট, ২০২৬, 8:37 PM
টঙ্গীতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মাদকের হটস্পট হাজির মাজার বস্তি
গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীতে ‘হাজীর মাজার বস্তি’ হিসেবে পরিচিত চিহ্নিত একাধিক মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি)।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কলকারখানা অধিদপ্তর সংলগ্ন উক্ত বস্তিতে এক যৌথ অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলা হয়। উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন রাজউকের উপপরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. লিটন সরকার।
পে-লোডার ও এস্কেভেটর ব্যবহার করে পরিচালিত এ অভিযানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। অভিযানকালে রাজউকের উপপরিচালক (এস্টেট-২) আসাদুজ্জামান বিশ্বাস, জিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. বেলায়েত হোসেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ-দক্ষিণ) এস এম শফিকুল ইসলাম এবং টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমানসহ যৌথ বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর হাজীর মাজার বস্তিটি দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের বড় ‘হটস্পট’ হিসেবে পরিচিত ছিল। একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানেও মাদক কেনাবেচা পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছিল না। জায়গাটি রাজউকের নিজস্ব মালিকানাধীন হওয়ায় যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে এই উচ্ছেদ পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের বিষয়ে জিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. বেলায়েত হোসেন জানান, হাজীর মাজার বস্তিকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকটি অপরাধী চক্র সক্রিয় ছিল। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অপরাধ ঘটিয়ে অপরাধীরা এখানে এসে আশ্রয় নিত। ইতিপূর্বে পরিচালিত ১০টির মতো অভিযানে চিহ্নিত হওয়া মাদকের আস্তানাগুলোই এদিন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে উচ্ছেদ করা জমি যেন পুনরায় দখল বা মাদকের আখড়ায় পরিণত না হতে পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারির কথা জানিয়েছে রাজউক কর্তৃপক্ষ।
মোঃ নজরুল ইসলাম, টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি :
৩১ আগস্ট, ২০২৬, 8:37 PM
গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীতে ‘হাজীর মাজার বস্তি’ হিসেবে পরিচিত চিহ্নিত একাধিক মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি)।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কলকারখানা অধিদপ্তর সংলগ্ন উক্ত বস্তিতে এক যৌথ অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলা হয়। উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন রাজউকের উপপরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. লিটন সরকার।
পে-লোডার ও এস্কেভেটর ব্যবহার করে পরিচালিত এ অভিযানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। অভিযানকালে রাজউকের উপপরিচালক (এস্টেট-২) আসাদুজ্জামান বিশ্বাস, জিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. বেলায়েত হোসেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ-দক্ষিণ) এস এম শফিকুল ইসলাম এবং টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমানসহ যৌথ বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর হাজীর মাজার বস্তিটি দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের বড় ‘হটস্পট’ হিসেবে পরিচিত ছিল। একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানেও মাদক কেনাবেচা পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছিল না। জায়গাটি রাজউকের নিজস্ব মালিকানাধীন হওয়ায় যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে এই উচ্ছেদ পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের বিষয়ে জিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. বেলায়েত হোসেন জানান, হাজীর মাজার বস্তিকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকটি অপরাধী চক্র সক্রিয় ছিল। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অপরাধ ঘটিয়ে অপরাধীরা এখানে এসে আশ্রয় নিত। ইতিপূর্বে পরিচালিত ১০টির মতো অভিযানে চিহ্নিত হওয়া মাদকের আস্তানাগুলোই এদিন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে উচ্ছেদ করা জমি যেন পুনরায় দখল বা মাদকের আখড়ায় পরিণত না হতে পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারির কথা জানিয়েছে রাজউক কর্তৃপক্ষ।