গাজীপুরে অটোরিকশাচালক হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ৩, গাড়ি উদ্ধার
আমিনুল ইসলাম রবিন, গাজীপুর :
২৩ আগস্ট, ২০২৬, 9:12 PM
গাজীপুরে অটোরিকশাচালক হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ৩, গাড়ি উদ্ধার
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় অটোরিকশাচালক আতাউর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যা করে তাঁর অটোরিকশাটি মাত্র ৪২ হাজার টাকায় বিক্রি করে অর্থ ভাগাভাগি করে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত দুই হত্যাকারী ও ছিনতাই হওয়া অটোরিকশা ক্রেতাসহ মোট ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত ও ছিনতাইকৃত অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার ঘাগরিচালা এলাকার রাজ্জাক খানের ছেলে রাজীব খান (২৯) এবং একই উপজেলার মির্জানগর গ্রামের নাসির উদ্দীনের ছেলে নকিবুল হাসান (২৪)। এছাড়া চোরাই অটোরিকশা কেনার দায়ে কিবরিয়া নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে গত ২০ আগস্ট রাত আনুমানিক ৮টার দিকে কাপাসিয়া উপজেলার সনমানিয়া ইউনিয়নের মির্জানগর সরকার বাড়িসংলগ্ন কাঁচা রাস্তায় অটোরিকশাচালক আতাউর রহমানকে (৫৫) কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার পর তাঁর গাড়িটি ছিনতাই করে দুর্বৃত্তরা। এদিকে ছেলের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের খবর সইতে না পেরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বৃদ্ধা মা জহুরা খাতুনেরও (৭৫) মৃত্যু হয়।
রোববার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে গাজীপুর পিবিআই জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, ভুক্তভোগী আতাউরের সঙ্গে আসামিদের পূর্বপরিচয় ও আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিল। পরিকল্পিতভাবে তারা চালক আতাউরকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে একটি নির্জন কলাবাগানের পাশে গাড়ি থামাতে বলে। সেখানে পৌঁছামাত্র তারা রশি দিয়ে আতাউরের গলা পেঁচিয়ে ধরে এবং হাতুড়ি ও রড দিয়ে মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করে লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পর আসামিরা অটোরিকশাটি নিয়ে পার্শ্ববর্তী জেলা নরসিংদীর হাতিরদিয়া এলাকায় যায়। সেখানে গাড়িটি ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করার পর জনৈক কিবরিয়ার কাছে মাত্র ৪২ হাজার টাকায় বিক্রি করে এবং প্রাপ্ত টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয়।
গাজীপুর পিবিআই পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার জানান, “অপরাধীরা ভেবেছিল নির্জন স্থানে অপরাধ সংঘটিত করে সহজেই পার পেয়ে যাবে। তবে পিবিআইয়ের পেশাদারিত্ব ও তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে আসামিদের দ্রুততম সময়ে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।” এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পর আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি জানান।
আমিনুল ইসলাম রবিন, গাজীপুর :
২৩ আগস্ট, ২০২৬, 9:12 PM
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় অটোরিকশাচালক আতাউর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যা করে তাঁর অটোরিকশাটি মাত্র ৪২ হাজার টাকায় বিক্রি করে অর্থ ভাগাভাগি করে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত দুই হত্যাকারী ও ছিনতাই হওয়া অটোরিকশা ক্রেতাসহ মোট ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত ও ছিনতাইকৃত অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার ঘাগরিচালা এলাকার রাজ্জাক খানের ছেলে রাজীব খান (২৯) এবং একই উপজেলার মির্জানগর গ্রামের নাসির উদ্দীনের ছেলে নকিবুল হাসান (২৪)। এছাড়া চোরাই অটোরিকশা কেনার দায়ে কিবরিয়া নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে গত ২০ আগস্ট রাত আনুমানিক ৮টার দিকে কাপাসিয়া উপজেলার সনমানিয়া ইউনিয়নের মির্জানগর সরকার বাড়িসংলগ্ন কাঁচা রাস্তায় অটোরিকশাচালক আতাউর রহমানকে (৫৫) কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার পর তাঁর গাড়িটি ছিনতাই করে দুর্বৃত্তরা। এদিকে ছেলের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের খবর সইতে না পেরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বৃদ্ধা মা জহুরা খাতুনেরও (৭৫) মৃত্যু হয়।
রোববার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে গাজীপুর পিবিআই জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, ভুক্তভোগী আতাউরের সঙ্গে আসামিদের পূর্বপরিচয় ও আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিল। পরিকল্পিতভাবে তারা চালক আতাউরকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে একটি নির্জন কলাবাগানের পাশে গাড়ি থামাতে বলে। সেখানে পৌঁছামাত্র তারা রশি দিয়ে আতাউরের গলা পেঁচিয়ে ধরে এবং হাতুড়ি ও রড দিয়ে মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করে লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পর আসামিরা অটোরিকশাটি নিয়ে পার্শ্ববর্তী জেলা নরসিংদীর হাতিরদিয়া এলাকায় যায়। সেখানে গাড়িটি ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করার পর জনৈক কিবরিয়ার কাছে মাত্র ৪২ হাজার টাকায় বিক্রি করে এবং প্রাপ্ত টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয়।
গাজীপুর পিবিআই পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার জানান, “অপরাধীরা ভেবেছিল নির্জন স্থানে অপরাধ সংঘটিত করে সহজেই পার পেয়ে যাবে। তবে পিবিআইয়ের পেশাদারিত্ব ও তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে আসামিদের দ্রুততম সময়ে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।” এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পর আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি জানান।