কালিয়াকৈরে ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন: স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর স্বীকারোক্তি
কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি :
১২ আগস্ট, ২০২৬, 11:07 PM
কালিয়াকৈরে ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন: স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর স্বীকারোক্তি
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ১৭ বছরের কিশোরী সাহেরা খাতুন হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ। ঘটনার পর গ্রেফতার হওয়া ঘাতক স্বামী মোঃ শ্যামল (২১) রিমান্ড শেষে আদালতে স্ত্রীকে গলা টিপে হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করেছেন।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মধুপুর থানার জলছত্র এলাকার মোছাঃ জাকিয়া বেগমের প্রথম ঘরের মেয়ে সাহেরা খাতুনের সঙ্গে এক বছর আগে বিয়ে হয় তাঁরই দূরসম্পর্কের আত্মীয় ও মাদকাসক্ত যুবক মোঃ শ্যামলের। বিয়ের পর তাঁরা কালিয়াকৈর থানার মৌচাক লোহাকৈর জামতলা এলাকার মানিক মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। সাহেরা স্থানীয় হানিফ স্পিনিং মিলে চাকরি করতেন এবং শ্যামল বিভিন্ন গাড়িতে হেলপারের কাজ করতেন।
গত ১০ জুন ভোরে বাদিনী খবর পান তাঁর মেয়ে অসুস্থ। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিজ ঘরের মেঝেতে সাহেরার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন এবং তাঁর গলায় কালচে জখমের চিহ্ন পরিলক্ষিত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ সুরতহাল প্রস্তুত শেষে লাশ শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এই ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে কালিয়াকৈর থানায় একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-৩২, তারিখ: ১৪-০৬-২০২৬) দায়ের করেন। Case তদন্তের দায়িত্বে নিয়োজিত হন এসআই মোঃ ওমর ফারুক।
ঘটনার পরপরই ঘাতক স্বামী শ্যামল আত্মগোপনে চলে যান। কালিয়াকৈর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান সন্দেহভাজন শ্যামল এবং বাড়ির মালিক মানিক মিয়াসহ অপর দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করে রিমান্ড আবেদন করে। আদালত শ্যামলের দুই দিনের এবং অপর দুজনের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ বুধবার (১২ আগস্ট) আসামী শ্যামলকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি নিজ হাতে স্ত্রী সাহেরাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার রোমহর্ষক বিবরণ দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করেন। কালিয়াকৈর থানা পুলিশ জানিয়েছে, মামলার পরবর্তী আইনি ও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি :
১২ আগস্ট, ২০২৬, 11:07 PM
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ১৭ বছরের কিশোরী সাহেরা খাতুন হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ। ঘটনার পর গ্রেফতার হওয়া ঘাতক স্বামী মোঃ শ্যামল (২১) রিমান্ড শেষে আদালতে স্ত্রীকে গলা টিপে হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করেছেন।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মধুপুর থানার জলছত্র এলাকার মোছাঃ জাকিয়া বেগমের প্রথম ঘরের মেয়ে সাহেরা খাতুনের সঙ্গে এক বছর আগে বিয়ে হয় তাঁরই দূরসম্পর্কের আত্মীয় ও মাদকাসক্ত যুবক মোঃ শ্যামলের। বিয়ের পর তাঁরা কালিয়াকৈর থানার মৌচাক লোহাকৈর জামতলা এলাকার মানিক মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। সাহেরা স্থানীয় হানিফ স্পিনিং মিলে চাকরি করতেন এবং শ্যামল বিভিন্ন গাড়িতে হেলপারের কাজ করতেন।
গত ১০ জুন ভোরে বাদিনী খবর পান তাঁর মেয়ে অসুস্থ। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিজ ঘরের মেঝেতে সাহেরার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন এবং তাঁর গলায় কালচে জখমের চিহ্ন পরিলক্ষিত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ সুরতহাল প্রস্তুত শেষে লাশ শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এই ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে কালিয়াকৈর থানায় একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-৩২, তারিখ: ১৪-০৬-২০২৬) দায়ের করেন। Case তদন্তের দায়িত্বে নিয়োজিত হন এসআই মোঃ ওমর ফারুক।
ঘটনার পরপরই ঘাতক স্বামী শ্যামল আত্মগোপনে চলে যান। কালিয়াকৈর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান সন্দেহভাজন শ্যামল এবং বাড়ির মালিক মানিক মিয়াসহ অপর দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করে রিমান্ড আবেদন করে। আদালত শ্যামলের দুই দিনের এবং অপর দুজনের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ বুধবার (১২ আগস্ট) আসামী শ্যামলকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি নিজ হাতে স্ত্রী সাহেরাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার রোমহর্ষক বিবরণ দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করেন। কালিয়াকৈর থানা পুলিশ জানিয়েছে, মামলার পরবর্তী আইনি ও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।