নেপালে সুড়ঙ্গে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত, ৯৩৩ শ্রমিক নিখোঁজ
আন্তর্জাতিক ডেক্স :
৩১ আগস্ট, ২০২৬, 9:20 PM
নেপালে সুড়ঙ্গে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত, ৯৩৩ শ্রমিক নিখোঁজ
ভয়াবহ বন্যার পর সুড়ঙ্গে আটকে পড়া জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের কয়েক ডজন শ্রমিককে উদ্ধারে সোমবার (৩১ আগস্ট) ষষ্ঠ দিনের মতো জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন নেপালের উদ্ধারকর্মীরা।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, উদ্ধারকারীরা ইতোমধ্যে দুটি সুড়ঙ্গ থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করেছেন। কাদা ও ধ্বংসাবশেষে সুড়ঙ্গের ভেতরের পথ পুরোপুরি ঢেকে যাওয়ায় আটকে পড়া শ্রমিকদের কারও সঙ্গে এখনো সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে বিভিন্ন সুড়ঙ্গের গভীরে ১০০ জনেরও বেশি শ্রমিক জীবিত থাকতে পারেন বলে আশা করছে নেপাল সরকার।
জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার সকালে বিশাল কাদার স্রোত ও পাহাড় ধসে পড়ার পর থেকে বিভিন্ন কেন্দ্রে মোট ৯৩৩ জন জলবিদ্যুৎ শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন।
উদ্ধার অভিযানে নেপালের বিশেষজ্ঞ পর্বতারোহীদের পাশাপাশি ভারত, চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষায়িত সুড়ঙ্গ উদ্ধারকারী দল অংশ নিয়েছে। আপার ত্রিশূলি-৩ এ জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে কাদা সরিয়ে সুড়ঙ্গে বাতাস পাঠানো হচ্ছে এবং ড্রিলিং ও খননযন্ত্র দিয়ে নিচের দিকে খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ এক বিবৃতিতে জানান, উদ্ধারকারীরা দড়ি বেয়ে সুড়ঙ্গে নেমে রিসিভারের মাধ্যমে ডাক পাঠালেও ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ মেলেনি।
এছাড়া ‘আপার ত্রিশূলি-১’ প্রকল্পের সুড়ঙ্গের ৩০০ মিটার গভীরে তল্লাশি চালিয়ে একটি মরদেহ উদ্ধার করে চীনা দল। অপরদিকে ‘চিলিমে’ বিদ্যুৎকেন্দ্রের সুড়ঙ্গে ১০০ মিটার প্রবেশের পর কাদার দেয়াল দেখতে পেয়ে সেখান থেকে আরও দুটি মরদেহ উদ্ধার করে ভারতীয় উদ্ধারকারী দল।
সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর মুখপাত্র নেত্র বাহাদুর কার্কি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার ভেঙে যাওয়া সড়ক ও সেতু সংস্কারের পাশাপাশি আকাশ ও সড়কপথে ত্রাণ ও তল্লাশি অভিযান জোড়াতালি দিয়ে চালানো হচ্ছে।
এদিকে নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিপর্যয়ের কারণে মোট ১১টি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ও একটি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে ৪৩১.১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, যা দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতার প্রায় ১০ শতাংশ। এ ছাড়া নির্মাণাধীন আরও ১৫টি বিদ্যুৎ প্রকল্প বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক ডেক্স :
৩১ আগস্ট, ২০২৬, 9:20 PM
ভয়াবহ বন্যার পর সুড়ঙ্গে আটকে পড়া জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের কয়েক ডজন শ্রমিককে উদ্ধারে সোমবার (৩১ আগস্ট) ষষ্ঠ দিনের মতো জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন নেপালের উদ্ধারকর্মীরা।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, উদ্ধারকারীরা ইতোমধ্যে দুটি সুড়ঙ্গ থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করেছেন। কাদা ও ধ্বংসাবশেষে সুড়ঙ্গের ভেতরের পথ পুরোপুরি ঢেকে যাওয়ায় আটকে পড়া শ্রমিকদের কারও সঙ্গে এখনো সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে বিভিন্ন সুড়ঙ্গের গভীরে ১০০ জনেরও বেশি শ্রমিক জীবিত থাকতে পারেন বলে আশা করছে নেপাল সরকার।
জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার সকালে বিশাল কাদার স্রোত ও পাহাড় ধসে পড়ার পর থেকে বিভিন্ন কেন্দ্রে মোট ৯৩৩ জন জলবিদ্যুৎ শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন।
উদ্ধার অভিযানে নেপালের বিশেষজ্ঞ পর্বতারোহীদের পাশাপাশি ভারত, চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষায়িত সুড়ঙ্গ উদ্ধারকারী দল অংশ নিয়েছে। আপার ত্রিশূলি-৩ এ জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে কাদা সরিয়ে সুড়ঙ্গে বাতাস পাঠানো হচ্ছে এবং ড্রিলিং ও খননযন্ত্র দিয়ে নিচের দিকে খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ এক বিবৃতিতে জানান, উদ্ধারকারীরা দড়ি বেয়ে সুড়ঙ্গে নেমে রিসিভারের মাধ্যমে ডাক পাঠালেও ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ মেলেনি।
এছাড়া ‘আপার ত্রিশূলি-১’ প্রকল্পের সুড়ঙ্গের ৩০০ মিটার গভীরে তল্লাশি চালিয়ে একটি মরদেহ উদ্ধার করে চীনা দল। অপরদিকে ‘চিলিমে’ বিদ্যুৎকেন্দ্রের সুড়ঙ্গে ১০০ মিটার প্রবেশের পর কাদার দেয়াল দেখতে পেয়ে সেখান থেকে আরও দুটি মরদেহ উদ্ধার করে ভারতীয় উদ্ধারকারী দল।
সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর মুখপাত্র নেত্র বাহাদুর কার্কি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার ভেঙে যাওয়া সড়ক ও সেতু সংস্কারের পাশাপাশি আকাশ ও সড়কপথে ত্রাণ ও তল্লাশি অভিযান জোড়াতালি দিয়ে চালানো হচ্ছে।
এদিকে নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিপর্যয়ের কারণে মোট ১১টি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ও একটি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে ৪৩১.১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, যা দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতার প্রায় ১০ শতাংশ। এ ছাড়া নির্মাণাধীন আরও ১৫টি বিদ্যুৎ প্রকল্প বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।