সর্বনিম্ন ২০ হাজার, সর্বোচ্চ ১.৫৬ লাখ: নতুন বেতন স্কেল-২০২৬ অনুমোদন
নিজস্ব প্রতিবেদক :
৩১ আগস্ট, ২০২৬, 8:22 PM
সর্বনিম্ন ২০ হাজার, সর্বোচ্চ ১.৫৬ লাখ: নতুন বেতন স্কেল-২০২৬ অনুমোদন
সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা যৌক্তিক ও যুগোপযোগী করতে ‘জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬’ অনুমোদন দিয়েছে সরকার। নতুন স্কেলে সর্বনিম্ন প্রারম্ভিক মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ নির্ধারিত মূল বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী / প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬ এবং সশস্ত্র বাহিনীর জন্য যৌথবাহিনী নির্দেশাবলী-২০২৬ অনুমোদন দেওয়া হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন এই বেতন স্কেল পর্যায়ক্রমে কার্যকর হবে। জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ ও সশস্ত্রবাহিনী বেতন কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গঠিত সচিব কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনার পর মন্ত্রিসভা এ সিদ্ধান্ত নেয়। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, মূল্যস্ফীতি এবং কর্মচারীদের জীবনমান বিবেচনা করে ২০টি গ্রেড বহাল রেখেই বেতন পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। এতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ গ্রেডের বেতনের অনুপাত ১:১.৯৪৫ থেকে কমিয়ে ১:১.৭৮ করা হয়েছে। ফলে সর্বনিম্ন গ্রেডের মূল বেতন ১৪২ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ গ্রেডের নির্ধারিত বেতন ১০০ শতাংশ বাড়ছে।
নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ (ওআরওপি) পদ্ধতি ২০৩০ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে নিট পেনশনের পরিমাণ স্ল্যাবভিত্তিক ৫৫ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানদের জন্য প্রথমবারের মতো প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা চালু করা হচ্ছে। এ ছাড়া মোবাইল ভাতা পরিধি বাড়িয়ে সব গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য করা হয়েছে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই বেতন স্কেল ২০২৬-২৭ এবং ২০২৭-২৮ অর্থবছরে মোট তিনটি ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে, যার মধ্যে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা অগ্রাধিকার পাবেন। বিভিন্ন ভাতা কার্যকর হবে ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে। জুডিশিয়াল সার্ভিসের জন্যও পৃথক কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ১ জুলাই ২০২৬ থেকেই ধাপে ধাপে নতুন স্কেল কার্যকর হবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ২৪ লাখ কর্মরত সামরিক-অসামরিক কর্মচারী এবং সোয়া ৯ লাখ অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী উপকৃত হবেন। এ বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত বার্ষিক খরচ হবে আনুমানিক ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা, যা মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামোতে রাখা হয়েছে। বাস্তবায়নের চূড়ান্ত রূপরেখা দিতে শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করবে অর্থ বিভাগ।
নিজস্ব প্রতিবেদক :
৩১ আগস্ট, ২০২৬, 8:22 PM
সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা যৌক্তিক ও যুগোপযোগী করতে ‘জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬’ অনুমোদন দিয়েছে সরকার। নতুন স্কেলে সর্বনিম্ন প্রারম্ভিক মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ নির্ধারিত মূল বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী / প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬ এবং সশস্ত্র বাহিনীর জন্য যৌথবাহিনী নির্দেশাবলী-২০২৬ অনুমোদন দেওয়া হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন এই বেতন স্কেল পর্যায়ক্রমে কার্যকর হবে। জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ ও সশস্ত্রবাহিনী বেতন কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গঠিত সচিব কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনার পর মন্ত্রিসভা এ সিদ্ধান্ত নেয়। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, মূল্যস্ফীতি এবং কর্মচারীদের জীবনমান বিবেচনা করে ২০টি গ্রেড বহাল রেখেই বেতন পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। এতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ গ্রেডের বেতনের অনুপাত ১:১.৯৪৫ থেকে কমিয়ে ১:১.৭৮ করা হয়েছে। ফলে সর্বনিম্ন গ্রেডের মূল বেতন ১৪২ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ গ্রেডের নির্ধারিত বেতন ১০০ শতাংশ বাড়ছে।
নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ (ওআরওপি) পদ্ধতি ২০৩০ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে নিট পেনশনের পরিমাণ স্ল্যাবভিত্তিক ৫৫ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানদের জন্য প্রথমবারের মতো প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা চালু করা হচ্ছে। এ ছাড়া মোবাইল ভাতা পরিধি বাড়িয়ে সব গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য করা হয়েছে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই বেতন স্কেল ২০২৬-২৭ এবং ২০২৭-২৮ অর্থবছরে মোট তিনটি ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে, যার মধ্যে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা অগ্রাধিকার পাবেন। বিভিন্ন ভাতা কার্যকর হবে ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে। জুডিশিয়াল সার্ভিসের জন্যও পৃথক কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ১ জুলাই ২০২৬ থেকেই ধাপে ধাপে নতুন স্কেল কার্যকর হবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ২৪ লাখ কর্মরত সামরিক-অসামরিক কর্মচারী এবং সোয়া ৯ লাখ অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী উপকৃত হবেন। এ বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত বার্ষিক খরচ হবে আনুমানিক ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা, যা মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামোতে রাখা হয়েছে। বাস্তবায়নের চূড়ান্ত রূপরেখা দিতে শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করবে অর্থ বিভাগ।