ঢাকা ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শিরোনামঃ
হাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা নেপালে সুড়ঙ্গে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত, ৯৩৩ শ্রমিক নিখোঁজ ঘরে বসেই মিলবে কোম্পানির নিবন্ধন, শতভাগ অনলাইন হচ্ছে আরজেএসসি প্রাথমিক বৃত্তির নতুন হার নির্ধারণ: ট্যালেন্টপুলে ৩০০ ও সাধারণে ২২৫ টাকা, কার্যকর ৩ বছর রেকর্ড ৪৭ দিনে অনার্সের ফল প্রকাশ: পাসের হার ৬৫.১০% ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু, ভর্তি রেকর্ড ১১৬৩ জন বড়লেখায় ৩৯ বছরের শিক্ষকতা জীবন শেষে অবসরে প্রধান শিক্ষক শিপ্রা রানী সেন আজমিরীগঞ্জে নজরুলবিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ভোটার ১৮ হাজার, রেমিট্যান্স ও শিক্ষায় সমৃদ্ধ ধরমন্ডল: চিকিৎসা-বিদ্যুৎ-সড়কে চরম অবহেলা পবাকে টাইব্রেকারে হারিয়ে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপের ফাইনালে মোহনপুর

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: অর্ধশতক পরও পথনির্দেশক জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা

#
news image

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দলটির প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি ও নীতি-দর্শনের আলোচনা কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। ১৯৭৮ সালে আত্মপ্রকাশের সময় দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ঘোষিত ঐতিহাসিক ‘১৯ দফা’ কর্মসূচিকে অর্ধশতাব্দী পরও দলের অন্যতম মূল পথনির্দেশক হিসেবে স্মরণ করছেন দলের প্রবীণ নেতা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আত্মনির্ভরতা, গ্রামীণ উন্নয়ন এবং ধর্মীয় সম্প্রীতির ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য গঠন ছিল ১৯ দফার মূল রূপরেখা, যা এখনো বিএনপির আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক নীতি-কাঠামোর মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।

দলীয় নথি অনুযায়ী, ১৯ দফার প্রথম দফাতেই যেকোনো মূল্যে দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষার কথা বলা হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় সাংবিধানিক মূলনীতি হিসেবে সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস, গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার অর্থে সমাজতন্ত্রের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ ও দেশ গঠনে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।

ঐতিহাসিক এই দর্শনে কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়ন, বদ্বীপাঞ্চলে বৈজ্ঞানিক পানি ব্যবস্থাপনা, দ্রুগতি শিল্পায়ন এবং নিরক্ষরতা দূরীকরণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। একই সাথে সব নাগরিকের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার মতো মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং পরিবারের প্রজননস্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পরবর্তী দফাগুলোতে প্রশাসনিক দুর্নীতি প্রতিরোধ, শ্রমিকের অধিকার রক্ষা, যুবসমাজের ক্ষমতায়ন, ভূমি সংস্কার এবং সরকারি চাকুরিতে যোগ্যতার মূল্যায়নের বিষয়গুলো যুক্ত করা হয়। পাশাপাশি নারীদের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের মূলধারায় যুক্ত করার বিশেষ তাগিদ দেওয়া হয়েছিল। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমতা, সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা এবং মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার নীতি এতে ব্যক্ত করা হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৭৭ সালের ৩০ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় শহীদ জিয়াউর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ১৯ দফা ঘোষণা করেছিলেন। রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বর্তমানে বিএনপি আবার দেশের সামাজিক-অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে এই ঐতিহাসিক ১৯ দফার মূল ভিশনকেই অগ্রাধিকার দিয়ে বাস্তবায়ন করতে চায় বলে জানিয়েছেন দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

৩১ আগস্ট, ২০২৬,  8:18 PM

news image

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দলটির প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি ও নীতি-দর্শনের আলোচনা কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। ১৯৭৮ সালে আত্মপ্রকাশের সময় দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ঘোষিত ঐতিহাসিক ‘১৯ দফা’ কর্মসূচিকে অর্ধশতাব্দী পরও দলের অন্যতম মূল পথনির্দেশক হিসেবে স্মরণ করছেন দলের প্রবীণ নেতা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আত্মনির্ভরতা, গ্রামীণ উন্নয়ন এবং ধর্মীয় সম্প্রীতির ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য গঠন ছিল ১৯ দফার মূল রূপরেখা, যা এখনো বিএনপির আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক নীতি-কাঠামোর মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।

দলীয় নথি অনুযায়ী, ১৯ দফার প্রথম দফাতেই যেকোনো মূল্যে দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষার কথা বলা হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় সাংবিধানিক মূলনীতি হিসেবে সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস, গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার অর্থে সমাজতন্ত্রের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ ও দেশ গঠনে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।

ঐতিহাসিক এই দর্শনে কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়ন, বদ্বীপাঞ্চলে বৈজ্ঞানিক পানি ব্যবস্থাপনা, দ্রুগতি শিল্পায়ন এবং নিরক্ষরতা দূরীকরণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। একই সাথে সব নাগরিকের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার মতো মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং পরিবারের প্রজননস্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পরবর্তী দফাগুলোতে প্রশাসনিক দুর্নীতি প্রতিরোধ, শ্রমিকের অধিকার রক্ষা, যুবসমাজের ক্ষমতায়ন, ভূমি সংস্কার এবং সরকারি চাকুরিতে যোগ্যতার মূল্যায়নের বিষয়গুলো যুক্ত করা হয়। পাশাপাশি নারীদের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের মূলধারায় যুক্ত করার বিশেষ তাগিদ দেওয়া হয়েছিল। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমতা, সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা এবং মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার নীতি এতে ব্যক্ত করা হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৭৭ সালের ৩০ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় শহীদ জিয়াউর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ১৯ দফা ঘোষণা করেছিলেন। রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বর্তমানে বিএনপি আবার দেশের সামাজিক-অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে এই ঐতিহাসিক ১৯ দফার মূল ভিশনকেই অগ্রাধিকার দিয়ে বাস্তবায়ন করতে চায় বলে জানিয়েছেন দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা।