ঢাকা ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের মেয়াদের নিয়োগ ও বদলির নথি তলব করল দুদক অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সেনার গুলিতে দুই ফিলিস্তিনি কিশোর নিহত ডিএসইতে সূচকের চাঙ্গা ভাব, লেনদেন ৭২০ কোটি টাকা পার ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৪ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১২৫২ বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদের প্রয়াণে শোক ও দোয়া মাহফিল চরভদ্রাসনে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অভিভাবক সমাবেশ শাল্লায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর ৪ দিন অনশন, সমাধানে ব্যর্থ স্থানীয়রা বড়লেখায় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে কদমতলা ইউনিয়নের দুই বিএনপি নেতার মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

মামলাবাজ আওয়ামী ফ্যাসিস্ট আব্দুর রউফ খান গ্রেফতার এখন সময়ের দাবি 

#
news image

গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন হাতিমারা এলাকায় অবস্থিত ‘মাসুম ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক লিমিটেড’-এর চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ খানের বিরুদ্ধে এক চাকরিপ্রার্থীর ব্যক্তিগত বায়োডাটা ব্যবহার করে একটি ফৌজদারি মামলায় তাকে না জানিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী সাজানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে এবং এই মিথ্যা দায় থেকে অব্যাহতি চেয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) পুলিশ কমিশনার বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন কাশিমপুরের বাসিন্দা ও স্থানীয় পরিবহন ব্যবসায়ী মো. আলমগীর (৩৭)।
পুলিশ কমিশনারের কাছে জমা দেওয়া লিখিত আবেদনে মো. আলমগীর জানান, তিনি পেশায় একজন পরিবহন ব্যবসায়ী। সম্প্রতি চাকরির উদ্দেশ্যে কাশিমপুর থানাধীন ৩ নং ওয়ার্ডের হাতিমারা এলাকায় অবস্থিত মাসুম ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক লিমিটেডে নিজের একটি জীবনবৃত্তান্ত (বায়োডাটা) জমা দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তিনি আকস্মিকভাবে জানতে পারেন, ওই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ খান আদালতের মাধ্যমে কাশিমপুর থানায় দায়ের করা একটি মামলায় মো. আলমগীরকে তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘রুটেক্স কর্পোরেশন’-এর ম্যানেজার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একই সাথে মামলার এজাহারে তাকে ঘটনার প্রত্যক্ষ ভুক্তভোগী ও প্রধান সাক্ষী হিসেবে দেখানো হয়েছে।
আবেদনকারী আলমগীর দৃঢ় দৃঢ় ভাবে দাবি করেন, তিনি জীবনে কখনো ওই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেননি এবং কোনো দিন ম্যানেজারের দায়িত্ব দায়িত্ব ও পালন করেননি। শুধু চাকরির আশায় জমা দেওয়া বায়োডাটায় থাকা তাঁর নাম, ঠিকানা ও ব্যক্তিগত গোপনীয় তথ্য চুরি করে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে তাঁকে এই মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।
আদালতের মাধ্যমে দায়ের করা জিএমপি কাশিমপুর থানার মামলা নং-৩৮ (০৬)/২০২৬-এর এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ মে ২০২৬ সকাল ৮টা এবং ২৩ মে ২০২৬ সকাল ১১টার দিকে কয়েকজন বিবাদী কারখানায় অবৈধভাবে প্রবেশ করে ম্যানেজার মো. আলমগীরের কাছে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন, চাঁদা না পেয়ে তাঁকে মারধর করে গুরুতর আহত করেন এবং কারখানা থেকে মূল্যবান মেশিনপত্র ও জুট জোরপূর্বক লুটে নিয়ে যান।
তবে ভুক্তভোগী আলমগীরের ভাষ্য, তিনি ওই দুই দিনের কোনো ঘটনার বিন্দুমাত্র বিবরণ জানেন না। তিনি যেহেতু কখনো ওই কারখানায় কর্মরত ছিলেন না এবং ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিতও ছিলেন না, তাই তাঁর ওপর হামলা, চাঁদা দাবি কিংবা মালামাল লুটের অভিযোগ সম্পূর্ণ কাল্পনিক। চাকরির আবেদনপত্র থেকে তথ্য নিয়ে তাঁকে না জানিয়ে এই কাজ করায় তিনি বর্তমানে চরম সামাজিক বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন এবং ভবিষ্যতে বড় ধরনের আইনি জটিলতায় পড়ার আশঙ্কা করছেন।
এ কারণে তিনি জিএমপি পুলিশ কমিশনারের কাছে আবেদন জানিয়ে বলেন, বিষয়টি যেন অত্যন্ত নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা হয়। একই সঙ্গে তাঁকে এই সাজানো মামলার প্রত্যক্ষদর্শী ও সাক্ষীর দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পাশাপাশি, যারা তাঁর পরিচয় ও তথ্য জালিয়াতি করে মামলায় জড়িয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এদিকে অভিনব ও স্পর্শকাতর এই ঘটনাটি কাশিমপুর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল ও আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চাকরির আবেদনপত্রে থাকা ব্যক্তিগত গোপনীয় তথ্য ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তিকে তাঁর অজান্তে মামলার ভুক্তভোগী বা সাক্ষী বানানো দেশের নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার, আইনি নিরাপত্তা এবং ব্যক্তিগত মর্যাদার ওপর এক চরম আঘাত, যা মারাত্মক উদ্বেগের বিষয় ।

গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি :

১৪ জুলাই, ২০২৬,  8:36 PM

news image

গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন হাতিমারা এলাকায় অবস্থিত ‘মাসুম ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক লিমিটেড’-এর চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ খানের বিরুদ্ধে এক চাকরিপ্রার্থীর ব্যক্তিগত বায়োডাটা ব্যবহার করে একটি ফৌজদারি মামলায় তাকে না জানিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী সাজানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে এবং এই মিথ্যা দায় থেকে অব্যাহতি চেয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) পুলিশ কমিশনার বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন কাশিমপুরের বাসিন্দা ও স্থানীয় পরিবহন ব্যবসায়ী মো. আলমগীর (৩৭)।
পুলিশ কমিশনারের কাছে জমা দেওয়া লিখিত আবেদনে মো. আলমগীর জানান, তিনি পেশায় একজন পরিবহন ব্যবসায়ী। সম্প্রতি চাকরির উদ্দেশ্যে কাশিমপুর থানাধীন ৩ নং ওয়ার্ডের হাতিমারা এলাকায় অবস্থিত মাসুম ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক লিমিটেডে নিজের একটি জীবনবৃত্তান্ত (বায়োডাটা) জমা দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তিনি আকস্মিকভাবে জানতে পারেন, ওই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ খান আদালতের মাধ্যমে কাশিমপুর থানায় দায়ের করা একটি মামলায় মো. আলমগীরকে তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘রুটেক্স কর্পোরেশন’-এর ম্যানেজার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একই সাথে মামলার এজাহারে তাকে ঘটনার প্রত্যক্ষ ভুক্তভোগী ও প্রধান সাক্ষী হিসেবে দেখানো হয়েছে।
আবেদনকারী আলমগীর দৃঢ় দৃঢ় ভাবে দাবি করেন, তিনি জীবনে কখনো ওই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেননি এবং কোনো দিন ম্যানেজারের দায়িত্ব দায়িত্ব ও পালন করেননি। শুধু চাকরির আশায় জমা দেওয়া বায়োডাটায় থাকা তাঁর নাম, ঠিকানা ও ব্যক্তিগত গোপনীয় তথ্য চুরি করে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে তাঁকে এই মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।
আদালতের মাধ্যমে দায়ের করা জিএমপি কাশিমপুর থানার মামলা নং-৩৮ (০৬)/২০২৬-এর এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ মে ২০২৬ সকাল ৮টা এবং ২৩ মে ২০২৬ সকাল ১১টার দিকে কয়েকজন বিবাদী কারখানায় অবৈধভাবে প্রবেশ করে ম্যানেজার মো. আলমগীরের কাছে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন, চাঁদা না পেয়ে তাঁকে মারধর করে গুরুতর আহত করেন এবং কারখানা থেকে মূল্যবান মেশিনপত্র ও জুট জোরপূর্বক লুটে নিয়ে যান।
তবে ভুক্তভোগী আলমগীরের ভাষ্য, তিনি ওই দুই দিনের কোনো ঘটনার বিন্দুমাত্র বিবরণ জানেন না। তিনি যেহেতু কখনো ওই কারখানায় কর্মরত ছিলেন না এবং ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিতও ছিলেন না, তাই তাঁর ওপর হামলা, চাঁদা দাবি কিংবা মালামাল লুটের অভিযোগ সম্পূর্ণ কাল্পনিক। চাকরির আবেদনপত্র থেকে তথ্য নিয়ে তাঁকে না জানিয়ে এই কাজ করায় তিনি বর্তমানে চরম সামাজিক বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন এবং ভবিষ্যতে বড় ধরনের আইনি জটিলতায় পড়ার আশঙ্কা করছেন।
এ কারণে তিনি জিএমপি পুলিশ কমিশনারের কাছে আবেদন জানিয়ে বলেন, বিষয়টি যেন অত্যন্ত নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা হয়। একই সঙ্গে তাঁকে এই সাজানো মামলার প্রত্যক্ষদর্শী ও সাক্ষীর দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পাশাপাশি, যারা তাঁর পরিচয় ও তথ্য জালিয়াতি করে মামলায় জড়িয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এদিকে অভিনব ও স্পর্শকাতর এই ঘটনাটি কাশিমপুর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল ও আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চাকরির আবেদনপত্রে থাকা ব্যক্তিগত গোপনীয় তথ্য ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তিকে তাঁর অজান্তে মামলার ভুক্তভোগী বা সাক্ষী বানানো দেশের নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার, আইনি নিরাপত্তা এবং ব্যক্তিগত মর্যাদার ওপর এক চরম আঘাত, যা মারাত্মক উদ্বেগের বিষয় ।