শাল্লায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর ৪ দিন অনশন, সমাধানে ব্যর্থ স্থানীয়রা
শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি :
০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, 9:18 PM
শাল্লায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর ৪ দিন অনশন, সমাধানে ব্যর্থ স্থানীয়রা
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ৩ নম্বর বাহাড়া ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে গত চার দিন ধরে অনশন করছেন এক স্কুলছাত্রী। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্ত প্রেমিকের নাম রফিকুল ইসলাম রকিব। তিনি সুলতানপুর গ্রামের বাসিন্দা।
সরেজমিনে মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ওই বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, প্রেমিক রকিবের বাড়ির বারান্দায় অনশনরত অবস্থায় বসে আছেন ওই তরুণী। সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, “রকিবের সঙ্গে আমার তিন বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক। আমাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বাড়িতে এনে এখন হত্যার চেষ্টা চালানো হয়েছে।”
অনশনরত ওই ছাত্রীর অভিযোগ, পরবর্তীতে রকিবের বড় ভাই শহিদুল ইসলামসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা তাঁকে ঘর থেকে বের করে দিয়ে বাইরে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান। টানা চার দিন ধরে অনাহারে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে তিনি ওই বাড়িতে অবস্থান করছেন। অনতিবিলম্বে বিয়ে না করালে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হবেন বলেও তিনি সতর্ক করেন।
এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম রকিবের মোবাইল নম্বর বন্ধ রয়েছে। তবে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর বড় ভাই শহিদুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এটি আমাদের ফাঁসানোর গভীর ষড়যন্ত্র। ভাই অপরাধী হলে তারা থানায় মামলা করুক, অনশন করার যৌক্তিকতা নেই।”
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় বিএনপি নেতা ও মুরুব্বি মাহবুব হোসেন (শিশু মিয়া) বলেন, “মেয়েটি চার দিন ধরে এই অবস্থায় পড়ে আছে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি সমঝোতার চেষ্টা করা হলেও ছেলেপক্ষের অস্বীকৃতির কারণে উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে।”
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোহেল জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি আগে অবগত ছিলেন না। খবর পাওয়ামাত্রই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি :
০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, 9:18 PM
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ৩ নম্বর বাহাড়া ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে গত চার দিন ধরে অনশন করছেন এক স্কুলছাত্রী। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্ত প্রেমিকের নাম রফিকুল ইসলাম রকিব। তিনি সুলতানপুর গ্রামের বাসিন্দা।
সরেজমিনে মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ওই বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, প্রেমিক রকিবের বাড়ির বারান্দায় অনশনরত অবস্থায় বসে আছেন ওই তরুণী। সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, “রকিবের সঙ্গে আমার তিন বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক। আমাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বাড়িতে এনে এখন হত্যার চেষ্টা চালানো হয়েছে।”
অনশনরত ওই ছাত্রীর অভিযোগ, পরবর্তীতে রকিবের বড় ভাই শহিদুল ইসলামসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা তাঁকে ঘর থেকে বের করে দিয়ে বাইরে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান। টানা চার দিন ধরে অনাহারে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে তিনি ওই বাড়িতে অবস্থান করছেন। অনতিবিলম্বে বিয়ে না করালে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হবেন বলেও তিনি সতর্ক করেন।
এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম রকিবের মোবাইল নম্বর বন্ধ রয়েছে। তবে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর বড় ভাই শহিদুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এটি আমাদের ফাঁসানোর গভীর ষড়যন্ত্র। ভাই অপরাধী হলে তারা থানায় মামলা করুক, অনশন করার যৌক্তিকতা নেই।”
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় বিএনপি নেতা ও মুরুব্বি মাহবুব হোসেন (শিশু মিয়া) বলেন, “মেয়েটি চার দিন ধরে এই অবস্থায় পড়ে আছে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি সমঝোতার চেষ্টা করা হলেও ছেলেপক্ষের অস্বীকৃতির কারণে উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে।”
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোহেল জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি আগে অবগত ছিলেন না। খবর পাওয়ামাত্রই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।