ঢাকা ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের মেয়াদের নিয়োগ ও বদলির নথি তলব করল দুদক অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সেনার গুলিতে দুই ফিলিস্তিনি কিশোর নিহত ডিএসইতে সূচকের চাঙ্গা ভাব, লেনদেন ৭২০ কোটি টাকা পার ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৪ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১২৫২ বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদের প্রয়াণে শোক ও দোয়া মাহফিল চরভদ্রাসনে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অভিভাবক সমাবেশ শাল্লায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর ৪ দিন অনশন, সমাধানে ব্যর্থ স্থানীয়রা বড়লেখায় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে কদমতলা ইউনিয়নের দুই বিএনপি নেতার মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

বেলকুচিতে অসুস্থ ব্যক্তির মৃত্যু নিয়ে হত্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ

#
news image

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক অসুস্থ ব্যক্তির মৃত্যুকে হত্যা হিসেবে প্রচার করে ১৫ জনকে আসামি করে দায়ের করা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে  উপজেলার তামাই গ্রামের মোহাম্মদ মোল্লার পুত্র মামলার বাদী  মিলন মোল্লার বিরুদ্ধে যার মামলা নং ১০ তারিখ ৭ই ডিসেম্বর ২০২৫ইং তারিখ। 
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বেলকুচি উপজেলার ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নের তামাই পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত বুলু মোল্লার ছেলে মোহাম্মদ মোল্লার সঙ্গে গত ১ ডিসেম্বর দুপুর ২টার দিকে পার্শ্ববর্তী বাড়ির রাজ্জাক মোল্লার ছেলে রেজাউল মোল্লার তাঁত কারখানার কাজ ও মজুরি নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মোহাম্মদ মোল্লার ছেলে মিলন মোল্লা এসে রেজাউল মোল্লাকে মারধর করলে তার নাক দিয়ে রক্তপাত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে উভয় পক্ষের মধ্যে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।

স্থানীয়দের দাবি,এই ঘটনার ছয় দিন পর দীর্ঘদিন ধরে অ্যাজমা, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি সমস্যায় ভুগতে থাকা মোহাম্মদ মোল্লার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তাকে প্রথমে সিরাজগঞ্জের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে ৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ভর্তি করা হয় এবং পরদিন ৬ ডিসেম্বর বিকেল ৩টা ৩৭ মিনিটে তিনি মারা যান।

পরিবারের সদস্যরা মোহাম্মদের  মরদেহ বাড়িতে এনে দাফনের প্রস্তুতি নিলেও স্থানীয় কিছু ব্যক্তির প্ররোচনায় ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড হিসেবে প্রচার করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে মৃত মোহাম্মদের পুত্র মিলন মোল্লাকে বাদী করে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলে পুলিশ মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

অভিযোগ রয়েছে, উক্ত মিথ্যা মামলাকে কেন্দ্র করে আসামিপক্ষের সঙ্গে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে আপস-মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। এ বেপারে  সমঝোতা না হওয়ায় আসামিদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। এমনকি তাদের পরিবারের নারী ও শিশু সদস্যদেরও মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মামলার ১ নম্বর আসামি জহুরুল মোল্লা বলেন, “আমি একজন ক্ষুদ্র চাল ব্যবসায়ী। ঘটনার দিন আমার ভাই রেজাউল মোল্লার সঙ্গে মোহাম্মদ মোল্লার কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। পরে মিলন মোল্লা আমার ভাইকে মারধর করলে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। মোহাম্মদ মোল্লা আগে থেকেই নানা রোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এখন আমাদের হয়রানি করার উদ্দেশ্যে মোহাম্মদ মোল্লার স্বাভাবিক মৃত্যুকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করে হীন উদেশ্যে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই চক্রান্তের মদদদাতাদের খুজে বের করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের ও ন্যায়বিচারের দাবি জানাচ্ছি। 


মামলার বাদী মিলন মোল্লা জানান,মামলার বিষয়ে আমি তেমন কিছু বুঝিনা আমাতের লোকজন আছে তারাই এই বিষয়গুলো দেখাশোনা করে। আমি এ বেপারে কিছু বলতে পারছিনা। 

এ বিষয়ে বেলকুচি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমাম জাফর বলেন, “মোহাম্মদ মোল্লার মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন (চার্জশিট) আদালতে দাখিল করা হবে। তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. শামছুল আলম বিষয়টি দেখছেন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।”

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :

১১ জুন, ২০২৬,  6:35 AM

news image

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক অসুস্থ ব্যক্তির মৃত্যুকে হত্যা হিসেবে প্রচার করে ১৫ জনকে আসামি করে দায়ের করা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে  উপজেলার তামাই গ্রামের মোহাম্মদ মোল্লার পুত্র মামলার বাদী  মিলন মোল্লার বিরুদ্ধে যার মামলা নং ১০ তারিখ ৭ই ডিসেম্বর ২০২৫ইং তারিখ। 
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বেলকুচি উপজেলার ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নের তামাই পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত বুলু মোল্লার ছেলে মোহাম্মদ মোল্লার সঙ্গে গত ১ ডিসেম্বর দুপুর ২টার দিকে পার্শ্ববর্তী বাড়ির রাজ্জাক মোল্লার ছেলে রেজাউল মোল্লার তাঁত কারখানার কাজ ও মজুরি নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মোহাম্মদ মোল্লার ছেলে মিলন মোল্লা এসে রেজাউল মোল্লাকে মারধর করলে তার নাক দিয়ে রক্তপাত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে উভয় পক্ষের মধ্যে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।

স্থানীয়দের দাবি,এই ঘটনার ছয় দিন পর দীর্ঘদিন ধরে অ্যাজমা, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি সমস্যায় ভুগতে থাকা মোহাম্মদ মোল্লার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তাকে প্রথমে সিরাজগঞ্জের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে ৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ভর্তি করা হয় এবং পরদিন ৬ ডিসেম্বর বিকেল ৩টা ৩৭ মিনিটে তিনি মারা যান।

পরিবারের সদস্যরা মোহাম্মদের  মরদেহ বাড়িতে এনে দাফনের প্রস্তুতি নিলেও স্থানীয় কিছু ব্যক্তির প্ররোচনায় ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড হিসেবে প্রচার করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে মৃত মোহাম্মদের পুত্র মিলন মোল্লাকে বাদী করে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলে পুলিশ মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

অভিযোগ রয়েছে, উক্ত মিথ্যা মামলাকে কেন্দ্র করে আসামিপক্ষের সঙ্গে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে আপস-মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। এ বেপারে  সমঝোতা না হওয়ায় আসামিদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। এমনকি তাদের পরিবারের নারী ও শিশু সদস্যদেরও মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মামলার ১ নম্বর আসামি জহুরুল মোল্লা বলেন, “আমি একজন ক্ষুদ্র চাল ব্যবসায়ী। ঘটনার দিন আমার ভাই রেজাউল মোল্লার সঙ্গে মোহাম্মদ মোল্লার কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। পরে মিলন মোল্লা আমার ভাইকে মারধর করলে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। মোহাম্মদ মোল্লা আগে থেকেই নানা রোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এখন আমাদের হয়রানি করার উদ্দেশ্যে মোহাম্মদ মোল্লার স্বাভাবিক মৃত্যুকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করে হীন উদেশ্যে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই চক্রান্তের মদদদাতাদের খুজে বের করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের ও ন্যায়বিচারের দাবি জানাচ্ছি। 


মামলার বাদী মিলন মোল্লা জানান,মামলার বিষয়ে আমি তেমন কিছু বুঝিনা আমাতের লোকজন আছে তারাই এই বিষয়গুলো দেখাশোনা করে। আমি এ বেপারে কিছু বলতে পারছিনা। 

এ বিষয়ে বেলকুচি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমাম জাফর বলেন, “মোহাম্মদ মোল্লার মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন (চার্জশিট) আদালতে দাখিল করা হবে। তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. শামছুল আলম বিষয়টি দেখছেন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।”