গাজীপুরে তিতাস গ্যাসের ভুয়া কর্মকর্তা সেজে চাঁদাবাজি, নারীসহ গ্রেপ্তার ২
গাছা (গাজীপুর) প্রতিনিধি :
০৯ জুন, ২০২৬, 7:03 AM
গাজীপুরে তিতাস গ্যাসের ভুয়া কর্মকর্তা সেজে চাঁদাবাজি, নারীসহ গ্রেপ্তার ২
গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানা এলাকায় তিতাস গ্যাসের ভুয়া উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে চাঁদা দাবি করার সময় এক নারীসহ দুই প্রতারককে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে জাতীয় জরুরি সেবা '৯৯৯'-এ কল পেয়ে গাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগী বাড়ির মালিক মো: আয়নাল হক বাদী হয়ে গাছা থানায় একটি প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৭ জুন (রবিবার) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭:০০ টার দিকে গাছা থানাধীন পূর্ব কলমেশ্বর বোর্ডবাজার এলাকায় আয়নাল হকের বাড়িতে প্রবেশ করে দুই ব্যক্তি। তাদের মধ্যে ১নং আসামি মো: মিন্টু দেওয়ান মিন্টু (৩১) নিজেকে ‘তিতাস গ্যাস’-এর একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেন।
তারা বাড়ির গ্যাস সংযোগটি অবৈধ দাবি করে আয়নাল হককে হুমকি দেন যে, কিছুক্ষণের মধ্যেই ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে এসে বাড়ি রেইড (অভিযান) করা হবে এবং তাকে জেলহাজতে পাঠানো হবে। মামলা ও জেলহাজতের ভয় দেখিয়ে বিষয়টি রফাদফা করার জন্য তারা বাড়ির মালিকের কাছে নগদ ৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ) টাকা চাঁদা দাবি করেন। পরবর্তীতে একই রাত ১০:০০ টার দিকে তারা পুনরায় টাকার জন্য চাপ দিতে আসেন।
বাড়ির গ্যাস লাইনের সমস্ত কাগজপত্র বৈধ থাকায় আসামিদের আচরণে বাড়ির মালিক আয়নাল হকের সন্দেহ হয়। তিনি তাৎক্ষণিক চিৎকার শুরু করলে আশেপাশের স্থানীয় লোকজন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ছুটে আসেন।
উপস্থিত জনতা আসামিদের ঘেরাও করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে একপর্যায়ে ১নং আসামি মিন্টু স্বীকার করে যে সে তিতাসের কর্মকর্তা নয় এবং নিজেকে ‘সাংবাদিক’ বলে দাবি করে। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে বেরিয়ে আসে যে, স্থানীয় মো: জয়নাল (৩০) ও মো: আশরাফুল (৩৫) নামের দুই ব্যক্তি এই প্রতারক চক্রকে আয়নাল হকের বাড়িতে পাঠিয়েছিল।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে স্থানীয় জনতা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দিলে গাছা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে প্রতারক মো: মিন্টু দেওয়ান মিন্টু এবং তার সহযোগী শ্রাবন্তী আক্তার (২৮)-কে গ্রেপ্তার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যায়।
এই ঘটনায় ৮ জুন গাছা থানায় দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ১৭০/৩৮৫/৩৪ ধারায় (সরকারি কর্মচারী পরিচয় দেওয়া, জোরপূর্বক চাঁদা আদায় ও পারস্পরিক সহযোগিতা) একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
গাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পল্লীবাংলাকে জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ঘটনার পেছনে সহায়তাকারী স্থানীয় বাকি দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সাব-ইন্সপেক্টর (নিঃ) মো: শহিদুল ইসলামকে।
গাছা (গাজীপুর) প্রতিনিধি :
০৯ জুন, ২০২৬, 7:03 AM
গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানা এলাকায় তিতাস গ্যাসের ভুয়া উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে চাঁদা দাবি করার সময় এক নারীসহ দুই প্রতারককে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে জাতীয় জরুরি সেবা '৯৯৯'-এ কল পেয়ে গাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগী বাড়ির মালিক মো: আয়নাল হক বাদী হয়ে গাছা থানায় একটি প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৭ জুন (রবিবার) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭:০০ টার দিকে গাছা থানাধীন পূর্ব কলমেশ্বর বোর্ডবাজার এলাকায় আয়নাল হকের বাড়িতে প্রবেশ করে দুই ব্যক্তি। তাদের মধ্যে ১নং আসামি মো: মিন্টু দেওয়ান মিন্টু (৩১) নিজেকে ‘তিতাস গ্যাস’-এর একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেন।
তারা বাড়ির গ্যাস সংযোগটি অবৈধ দাবি করে আয়নাল হককে হুমকি দেন যে, কিছুক্ষণের মধ্যেই ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে এসে বাড়ি রেইড (অভিযান) করা হবে এবং তাকে জেলহাজতে পাঠানো হবে। মামলা ও জেলহাজতের ভয় দেখিয়ে বিষয়টি রফাদফা করার জন্য তারা বাড়ির মালিকের কাছে নগদ ৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ) টাকা চাঁদা দাবি করেন। পরবর্তীতে একই রাত ১০:০০ টার দিকে তারা পুনরায় টাকার জন্য চাপ দিতে আসেন।
বাড়ির গ্যাস লাইনের সমস্ত কাগজপত্র বৈধ থাকায় আসামিদের আচরণে বাড়ির মালিক আয়নাল হকের সন্দেহ হয়। তিনি তাৎক্ষণিক চিৎকার শুরু করলে আশেপাশের স্থানীয় লোকজন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ছুটে আসেন।
উপস্থিত জনতা আসামিদের ঘেরাও করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে একপর্যায়ে ১নং আসামি মিন্টু স্বীকার করে যে সে তিতাসের কর্মকর্তা নয় এবং নিজেকে ‘সাংবাদিক’ বলে দাবি করে। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে বেরিয়ে আসে যে, স্থানীয় মো: জয়নাল (৩০) ও মো: আশরাফুল (৩৫) নামের দুই ব্যক্তি এই প্রতারক চক্রকে আয়নাল হকের বাড়িতে পাঠিয়েছিল।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে স্থানীয় জনতা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দিলে গাছা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে প্রতারক মো: মিন্টু দেওয়ান মিন্টু এবং তার সহযোগী শ্রাবন্তী আক্তার (২৮)-কে গ্রেপ্তার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যায়।
এই ঘটনায় ৮ জুন গাছা থানায় দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ১৭০/৩৮৫/৩৪ ধারায় (সরকারি কর্মচারী পরিচয় দেওয়া, জোরপূর্বক চাঁদা আদায় ও পারস্পরিক সহযোগিতা) একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
গাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পল্লীবাংলাকে জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ঘটনার পেছনে সহায়তাকারী স্থানীয় বাকি দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সাব-ইন্সপেক্টর (নিঃ) মো: শহিদুল ইসলামকে।