২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক :
০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, 8:20 PM
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্যকে কোনো স্লোগান নয়, বরং একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চলতি দশকেই রপ্তানি, বিনিয়োগ ও উন্নত আর্থিক শৃঙ্খলার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির আকার দ্বিগুণ করা সরকারের মূল লক্ষ্য বলে জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পে ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের (আইএসডিবি) অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ চুক্তির আওতায় ইআরএল প্রকল্পে প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার অর্থায়ন করবে আইএসডিবি।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মোস্তফা জুলফিকার হাসান জানান, অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের নতুন দিকনির্দেশনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পোশাকশিল্প আমাদের প্রবৃদ্ধির প্রথম অধ্যায় তৈরি করেছে। এখন ইলেকট্রনিকস, ওষুধশিল্প, হালকা প্রকৌশল ও সবুজ শিল্পকে প্রবৃদ্ধির পরবর্তী চালিকাশক্তি বানাতে চাই। আমরা এমন শিল্পপ্রতিষ্ঠান চাই যা কর্মসংস্থান এবং মানুষের মর্যাদা তৈরি করবে।”
বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন, জলবায়ু পরিবর্তন ও মূল্যস্ফীতি উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে। কোনো একক দেশের পক্ষে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা অসম্ভব উল্লেখ করে তিনি আইএসডিবির মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে উদ্ভাবনী ও ফলাফলভিত্তিক নতুন অংশীদারত্বের তাগিদ দেন।
আইএসডিবি গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. আল জাসেরকে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘদিনের নির্ভরযোগ্য সহযোগী হিসেবে বাংলাদেশ ও মুসলিম উম্মাহর উন্নয়নে সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সরকারের নেওয়া ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও প্রস্তাবিত হেলথ কার্ডের মতো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক :
০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, 8:20 PM
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্যকে কোনো স্লোগান নয়, বরং একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চলতি দশকেই রপ্তানি, বিনিয়োগ ও উন্নত আর্থিক শৃঙ্খলার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির আকার দ্বিগুণ করা সরকারের মূল লক্ষ্য বলে জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পে ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের (আইএসডিবি) অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ চুক্তির আওতায় ইআরএল প্রকল্পে প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার অর্থায়ন করবে আইএসডিবি।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মোস্তফা জুলফিকার হাসান জানান, অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের নতুন দিকনির্দেশনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পোশাকশিল্প আমাদের প্রবৃদ্ধির প্রথম অধ্যায় তৈরি করেছে। এখন ইলেকট্রনিকস, ওষুধশিল্প, হালকা প্রকৌশল ও সবুজ শিল্পকে প্রবৃদ্ধির পরবর্তী চালিকাশক্তি বানাতে চাই। আমরা এমন শিল্পপ্রতিষ্ঠান চাই যা কর্মসংস্থান এবং মানুষের মর্যাদা তৈরি করবে।”
বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন, জলবায়ু পরিবর্তন ও মূল্যস্ফীতি উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে। কোনো একক দেশের পক্ষে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা অসম্ভব উল্লেখ করে তিনি আইএসডিবির মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে উদ্ভাবনী ও ফলাফলভিত্তিক নতুন অংশীদারত্বের তাগিদ দেন।
আইএসডিবি গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. আল জাসেরকে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘদিনের নির্ভরযোগ্য সহযোগী হিসেবে বাংলাদেশ ও মুসলিম উম্মাহর উন্নয়নে সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সরকারের নেওয়া ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও প্রস্তাবিত হেলথ কার্ডের মতো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির কথাও তিনি উল্লেখ করেন।