ঢাকা ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শিরোনামঃ
হাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা নেপালে সুড়ঙ্গে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত, ৯৩৩ শ্রমিক নিখোঁজ ঘরে বসেই মিলবে কোম্পানির নিবন্ধন, শতভাগ অনলাইন হচ্ছে আরজেএসসি প্রাথমিক বৃত্তির নতুন হার নির্ধারণ: ট্যালেন্টপুলে ৩০০ ও সাধারণে ২২৫ টাকা, কার্যকর ৩ বছর রেকর্ড ৪৭ দিনে অনার্সের ফল প্রকাশ: পাসের হার ৬৫.১০% ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু, ভর্তি রেকর্ড ১১৬৩ জন বড়লেখায় ৩৯ বছরের শিক্ষকতা জীবন শেষে অবসরে প্রধান শিক্ষক শিপ্রা রানী সেন আজমিরীগঞ্জে নজরুলবিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ভোটার ১৮ হাজার, রেমিট্যান্স ও শিক্ষায় সমৃদ্ধ ধরমন্ডল: চিকিৎসা-বিদ্যুৎ-সড়কে চরম অবহেলা পবাকে টাইব্রেকারে হারিয়ে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপের ফাইনালে মোহনপুর

পিরোজপুরে ডেঙ্গু আক্রান্ত ১৭৭৭, মেঝেতে রেখে চলছে চিকিৎসা

#
news image

পিরোজপুরে কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না ডেঙ্গু পরিস্থিতি। চলতি বছরের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে মোট ১ হাজার ৭৭৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন, যা বরিশাল বিভাগের জেলাগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের সবশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে ৩৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে জেলা হাসপাতাল ও বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ৯২ জন রোগী চিকিৎসাধীন। এর মধ্যে সদর হাসপাতালে ৩৪, নাজিরপুরে ১৩, নেছারাবাদে ২২, কাউখালীতে ৪, ভান্ডারিয়ায় ১৭ এবং মঠবাড়িয়ায় ২ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। ইন্দুরকানি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে কোনো রোগী ভর্তি নেই। এ পর্যন্ত ১ হাজার ৬৮৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
গত আট মাসের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ৭৬১ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন পিরোজপুর সদর হাসপাতালে। এছাড়া ভান্ডারিয়ায় ৩২৪, নেছারাবাদে ২৮৮, কাউখালীতে ১২০, নাজিরপুরে ১১৬ এবং মঠবাড়িয়ায় ৭৫ জন চিকিৎসা নেন।
রোগীর চাপ বাড়ায় পিরোজপুর সদর হাসপাতালে দেখা দিয়েছে তীব্র শয্যাসংকট। মেঝেতে রেখে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বজনেরা। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সচেতনতার অভাবে অনেক রোগীকে মশারি ব্যবহার না করতেও দেখা গেছে।
এদিকে পিরোজপুরের ডেঙ্গু পরিস্থিতি পর্যালোচনায় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) একটি প্রতিনিধিদল সম্প্রতি মাঠপর্যায়ে অনুসন্ধান চালায়। জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. মতিউর রহমান জানান, অনুসন্ধানে উঠে এসেছে পিরোজপুরে প্রচুর সুপারি ও নারিকেল গাছ থাকায় কেটে রাখা গাছের গোড়ায় জমে থাকা পানি, নারিকেলের খোসা, ছাদ, নার্সারির টব ও ড্রেনে প্রচুর এডিস মশার লার্ভা মিলছে।
তবে পিরোজপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. নিজাম উদ্দিন জানান, ডেঙ্গু পরীক্ষার এনএস-১ কিট, ওষুধ ও প্রয়োজনীয় স্যালাইন পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং চিকিৎসায় কোনো ঘাটতি নেই।
পিরোজপুর পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন জানান, নালা-ড্রেনে মশকবিরোধী স্প্রে ছিটানোর পাশাপাশি পুকুর-ডোবা পরিষ্কার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকেও জমে থাকা পানি অপসারণ ও ঘুমানোর সময় আবশ্যিকভাবে মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

মাইনুল ইসলাম, পিরোজপুর প্রতিনিধি :

৩১ আগস্ট, ২০২৬,  8:39 PM

news image

পিরোজপুরে কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না ডেঙ্গু পরিস্থিতি। চলতি বছরের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে মোট ১ হাজার ৭৭৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন, যা বরিশাল বিভাগের জেলাগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের সবশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে ৩৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে জেলা হাসপাতাল ও বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ৯২ জন রোগী চিকিৎসাধীন। এর মধ্যে সদর হাসপাতালে ৩৪, নাজিরপুরে ১৩, নেছারাবাদে ২২, কাউখালীতে ৪, ভান্ডারিয়ায় ১৭ এবং মঠবাড়িয়ায় ২ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। ইন্দুরকানি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে কোনো রোগী ভর্তি নেই। এ পর্যন্ত ১ হাজার ৬৮৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
গত আট মাসের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ৭৬১ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন পিরোজপুর সদর হাসপাতালে। এছাড়া ভান্ডারিয়ায় ৩২৪, নেছারাবাদে ২৮৮, কাউখালীতে ১২০, নাজিরপুরে ১১৬ এবং মঠবাড়িয়ায় ৭৫ জন চিকিৎসা নেন।
রোগীর চাপ বাড়ায় পিরোজপুর সদর হাসপাতালে দেখা দিয়েছে তীব্র শয্যাসংকট। মেঝেতে রেখে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বজনেরা। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সচেতনতার অভাবে অনেক রোগীকে মশারি ব্যবহার না করতেও দেখা গেছে।
এদিকে পিরোজপুরের ডেঙ্গু পরিস্থিতি পর্যালোচনায় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) একটি প্রতিনিধিদল সম্প্রতি মাঠপর্যায়ে অনুসন্ধান চালায়। জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. মতিউর রহমান জানান, অনুসন্ধানে উঠে এসেছে পিরোজপুরে প্রচুর সুপারি ও নারিকেল গাছ থাকায় কেটে রাখা গাছের গোড়ায় জমে থাকা পানি, নারিকেলের খোসা, ছাদ, নার্সারির টব ও ড্রেনে প্রচুর এডিস মশার লার্ভা মিলছে।
তবে পিরোজপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. নিজাম উদ্দিন জানান, ডেঙ্গু পরীক্ষার এনএস-১ কিট, ওষুধ ও প্রয়োজনীয় স্যালাইন পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং চিকিৎসায় কোনো ঘাটতি নেই।
পিরোজপুর পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন জানান, নালা-ড্রেনে মশকবিরোধী স্প্রে ছিটানোর পাশাপাশি পুকুর-ডোবা পরিষ্কার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকেও জমে থাকা পানি অপসারণ ও ঘুমানোর সময় আবশ্যিকভাবে মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয়েছে।