ঢাকা ২৯ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
‘অনলাইন এডিটরস ফোরাম’ গঠন : আহ্বায়ক পিন্টু, সদস্যসচিব ইফতেখার সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড নতুন তাপপ্রবাহের আশঙ্কায় ফ্রান্স-স্পেনে দাবানল নিয়ন্ত্রণে মরিয়া চেষ্টা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬.৪৬ বিলিয়ন ডলার সংকটাপন্ন ইতালির কোচ হিসেবে আবারও ফিরলেন মানচিনি ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫১২ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ট্রেজারার ড. নাজমুল হোসাইনের যোগদান টঙ্গীতে চাঁদাবাজি মামলায় বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার, সংবাদকর্মীদের ওপর অনুসারীদের হামলা নওগাঁয় অসহায় ভ্যানচালককে ঘর তৈরি করে দিচ্ছেন এমপি ধলু কৃষিপণ্য রপ্তানিতে কাজ করছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

সংকটাপন্ন ইতালির কোচ হিসেবে আবারও ফিরলেন মানচিনি

#
news image

টানা তিনটি বিশ্বকাপের মূল পর্বে উঠতে ব্যর্থ হওয়া চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি জাতীয় ফুটবল দলকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্য নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পেলেন রবার্তো মানচিনি। আজ মঙ্গলবার ইতালিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের (এফআইজিসি) সভাপতি জিওভান্নি মালাগো আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেন।

একই সঙ্গে দলের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পদে পাওলো মালদিনির স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে ক্লদিও রানেইরিকে। মানচিনিকে পুনরায় কোচ হিসেবে নিয়োগ দিলে দায়িত্ব ছাড়বেন বলে এর আগে গুঞ্জন তুলেছিলেন মালদিনি।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এফআইজিসি সভাপতি জিওভান্নি মালাগো বলেন, "আজ আমরা নতুন প্রধান কোচ ও নতুন টেকনিক্যাল ডিরেক্টরকে যুক্ত করেছি। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমি মনে করেছি, ইতালি জাতীয় দলের ভার রবার্তো মানচিনির হাতেই থাকা উচিত। বরাবরের মতোই এই সিদ্ধান্তের সম্পূর্ণ দায়ভার আমি নিচ্ছি।"

গত মার্চে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্লে-অফ ফাইনালে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার কাছে হেরে আজ্জুরিরা বিশ্বমঞ্চের রেস থেকে ছিটকে যাওয়ার পর পদত্যাগ করেছিলেন তত্কালীন কোচ জেন্নারো গাত্তুসো। ৬১ বছর বয়সী মানচিনি এর আগে ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সফলতার সঙ্গে ইতালির দায়িত্ব সামলেছেন এবং তাঁর অধীনেই ‘ইউরো ২০২০’ শিরোপা জেতে দলটি।

সাবেক ইতালি কোচ অ্যান্টোনিও কন্টে ও আন্দ্রে পিরলোর নাম জোর আলোচনায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত মানচিনিকেই বেছে নেয় ফেডারেশন। পিরলোর বিরুদ্ধে একটি রাশিয়ান বেটিং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিতর্কিত সম্পর্ক ও সীমিত কোচিং অভিজ্ঞতার কারণে সমালোচনা উঠলে তিনি নিজেই দৌড় থেকে সরে দাঁড়ান।

ইউরো ২০২০ জয় এবং টানা ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত থাকার অবিশ্বাস্য রেকর্ড থাকলেও মানচিনির এই ফিরে আসা বেশ নাটকীয়। ২০২৩ সালে ইউরো ২০২৪-এর বাছাইপর্ব চলার মাঝপথে সৌদি আরবের লোভনীয় প্রস্তাবে ইতালির কোচের পদ থেকে হুট করে পদত্যাগ করেছিলেন তিনি। যদিও সেখানে মাত্র ১৪ মাস টিকে ছিলেন। এরপর সবশেষ কাতারের ক্লাব আল-সাদের দায়িত্ব সামলান মানচিনি।

ইন্তার মিলানের হয়ে টানা ৩টি সিরি-আ এবং ম্যানচেস্টার সিটিকে ৪৪ বছর পর ২০১১-১২ মৌসুমে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ জেতানো মানচিনির সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ—ইতালিকে আবার বৈশ্বিক ফুটবলের অভিজাত চূড়ায় ফেরানো।

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর থেকে বিশ্বকাপের কোনো নকআউট ম্যাচই খেলতে পারেনি ইতালি। ২০১৪, ২০২২ ও সবশেষ বিশ্বকাপসহ টানা তিন আসরে মূল পর্বেই পৌঁছাতে পারেনি নীল জার্সিধারীরা। ২০২৪ সালে লুসিয়ানো স্পালেত্তির অধীনে ইউরোতে নকআউট পর্বের শেষ ১৬ থেকে সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছিল তারা।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

২৮ জুলাই, ২০২৬,  11:02 PM

news image

টানা তিনটি বিশ্বকাপের মূল পর্বে উঠতে ব্যর্থ হওয়া চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি জাতীয় ফুটবল দলকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্য নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পেলেন রবার্তো মানচিনি। আজ মঙ্গলবার ইতালিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের (এফআইজিসি) সভাপতি জিওভান্নি মালাগো আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেন।

একই সঙ্গে দলের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পদে পাওলো মালদিনির স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে ক্লদিও রানেইরিকে। মানচিনিকে পুনরায় কোচ হিসেবে নিয়োগ দিলে দায়িত্ব ছাড়বেন বলে এর আগে গুঞ্জন তুলেছিলেন মালদিনি।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এফআইজিসি সভাপতি জিওভান্নি মালাগো বলেন, "আজ আমরা নতুন প্রধান কোচ ও নতুন টেকনিক্যাল ডিরেক্টরকে যুক্ত করেছি। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমি মনে করেছি, ইতালি জাতীয় দলের ভার রবার্তো মানচিনির হাতেই থাকা উচিত। বরাবরের মতোই এই সিদ্ধান্তের সম্পূর্ণ দায়ভার আমি নিচ্ছি।"

গত মার্চে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্লে-অফ ফাইনালে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার কাছে হেরে আজ্জুরিরা বিশ্বমঞ্চের রেস থেকে ছিটকে যাওয়ার পর পদত্যাগ করেছিলেন তত্কালীন কোচ জেন্নারো গাত্তুসো। ৬১ বছর বয়সী মানচিনি এর আগে ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সফলতার সঙ্গে ইতালির দায়িত্ব সামলেছেন এবং তাঁর অধীনেই ‘ইউরো ২০২০’ শিরোপা জেতে দলটি।

সাবেক ইতালি কোচ অ্যান্টোনিও কন্টে ও আন্দ্রে পিরলোর নাম জোর আলোচনায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত মানচিনিকেই বেছে নেয় ফেডারেশন। পিরলোর বিরুদ্ধে একটি রাশিয়ান বেটিং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিতর্কিত সম্পর্ক ও সীমিত কোচিং অভিজ্ঞতার কারণে সমালোচনা উঠলে তিনি নিজেই দৌড় থেকে সরে দাঁড়ান।

ইউরো ২০২০ জয় এবং টানা ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত থাকার অবিশ্বাস্য রেকর্ড থাকলেও মানচিনির এই ফিরে আসা বেশ নাটকীয়। ২০২৩ সালে ইউরো ২০২৪-এর বাছাইপর্ব চলার মাঝপথে সৌদি আরবের লোভনীয় প্রস্তাবে ইতালির কোচের পদ থেকে হুট করে পদত্যাগ করেছিলেন তিনি। যদিও সেখানে মাত্র ১৪ মাস টিকে ছিলেন। এরপর সবশেষ কাতারের ক্লাব আল-সাদের দায়িত্ব সামলান মানচিনি।

ইন্তার মিলানের হয়ে টানা ৩টি সিরি-আ এবং ম্যানচেস্টার সিটিকে ৪৪ বছর পর ২০১১-১২ মৌসুমে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ জেতানো মানচিনির সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ—ইতালিকে আবার বৈশ্বিক ফুটবলের অভিজাত চূড়ায় ফেরানো।

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর থেকে বিশ্বকাপের কোনো নকআউট ম্যাচই খেলতে পারেনি ইতালি। ২০১৪, ২০২২ ও সবশেষ বিশ্বকাপসহ টানা তিন আসরে মূল পর্বেই পৌঁছাতে পারেনি নীল জার্সিধারীরা। ২০২৪ সালে লুসিয়ানো স্পালেত্তির অধীনে ইউরোতে নকআউট পর্বের শেষ ১৬ থেকে সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছিল তারা।