টঙ্গীতে চাঁদাবাজি মামলায় বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার, সংবাদকর্মীদের ওপর অনুসারীদের হামলা
মোঃ নজরুল ইসলাম, টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি :
২৮ জুলাই, ২০২৬, 10:50 PM
টঙ্গীতে চাঁদাবাজি মামলায় বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার, সংবাদকর্মীদের ওপর অনুসারীদের হামলা
টঙ্গীর বিসিক শিল্প এলাকায় চাঁদা দাবি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ত্রাস সৃষ্টির মামলায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিল্লাল হোসেন সানিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) মধ্যরাতে উপজেলার মিরাশপাড়া এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত বিল্লাল হোসেন সানি (৪৫) ওই এলাকার মো. ওমর আলীর ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ জুন দুপুরে টঙ্গীর পাগার শিল্পাঞ্চলে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে মহড়া দেওয়া ও ভীতিকর পরিবেশ তৈরির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পর দায়ের করা মামলার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে বিল্লাল হোসেন সানিকে শনাক্ত করা হয়। এ নিয়ে ওই মামলায় পুলিশ সর্বমোট ১৯ জন আসামিকে আইনের আওতায় আনল।
এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত বিএনপি নেতা বিল্লাল হোসেন সানিকে থানা থেকে আদালতে প্রেরণের সময় ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে বিপত্তি ঘটে। পুলিশ পরিবেষ্টিত অবস্থায় আসামির ছবি তোলার সময় থানায় উপস্থিত সাংবাদিক ও ভিডিওগ্রাফারদের ওপর হামলা চালায় তাঁর অনুসারীরা। পরবর্তীতে উদ্ভূত অপ্রীতিকর পরিস্থিতির জন্য সাংবাদিকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে টঙ্গী পূর্ব থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, "গ্রেপ্তারকৃত বিএনপি নেতাকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আসামির ছবি তোলা কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের সাথে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল, পরবর্তীতে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এসে এর সমাধান করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।"
মোঃ নজরুল ইসলাম, টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি :
২৮ জুলাই, ২০২৬, 10:50 PM
টঙ্গীর বিসিক শিল্প এলাকায় চাঁদা দাবি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ত্রাস সৃষ্টির মামলায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিল্লাল হোসেন সানিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) মধ্যরাতে উপজেলার মিরাশপাড়া এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত বিল্লাল হোসেন সানি (৪৫) ওই এলাকার মো. ওমর আলীর ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ জুন দুপুরে টঙ্গীর পাগার শিল্পাঞ্চলে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে মহড়া দেওয়া ও ভীতিকর পরিবেশ তৈরির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পর দায়ের করা মামলার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে বিল্লাল হোসেন সানিকে শনাক্ত করা হয়। এ নিয়ে ওই মামলায় পুলিশ সর্বমোট ১৯ জন আসামিকে আইনের আওতায় আনল।
এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত বিএনপি নেতা বিল্লাল হোসেন সানিকে থানা থেকে আদালতে প্রেরণের সময় ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে বিপত্তি ঘটে। পুলিশ পরিবেষ্টিত অবস্থায় আসামির ছবি তোলার সময় থানায় উপস্থিত সাংবাদিক ও ভিডিওগ্রাফারদের ওপর হামলা চালায় তাঁর অনুসারীরা। পরবর্তীতে উদ্ভূত অপ্রীতিকর পরিস্থিতির জন্য সাংবাদিকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে টঙ্গী পূর্ব থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, "গ্রেপ্তারকৃত বিএনপি নেতাকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আসামির ছবি তোলা কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের সাথে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল, পরবর্তীতে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এসে এর সমাধান করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।"