শাল্লায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার
মোঃ ফারুক মিয়া, শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি :
১৮ জুলাই, ২০২৬, 9:26 PM
শাল্লায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার
ইতালিতে পাঠানোর নামে লিবিয়ার মাফিয়া চক্রের হাতে জিম্মি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের অন্যতম সক্রিয় সদস্য ও মূলহোতা তাফাজ্জুল মিয়াকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে সুনামগঞ্জের শাল্লা থানা পুলিশ।
আজ শনিবার (১৮ জুলাই) শাল্লা থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তার নিজ বসতবাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত তাফাজ্জুল শাল্লা গ্রামের মৃত মো. মদন মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এবং শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রোকিবুজ্জামানের নেতৃত্বে এসআই মো. শাহজাহান ও এসআই ইমাম আরফিনসহ পুলিশের একটি চৌকস দল এই সফল অভিযান পরিচালনা করে।
মামলার বাদী মাসুদ রানা রাকিবকে সুদূর ইতালিতে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে এই বিপজ্জনক মানবপাচারকারী চক্রটি প্রথমে ২২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এরপর তাকে লিবিয়ার মাফিয়া চক্রের হাতে তুলে দেওয়া হয়। সেখানে রাকিবের ওপর অমানুষিক ও লোমহর্ষক নির্যাতন চালিয়ে সেই ভিডিও বাংলাদেশে তার পরিবারের কাছে পাঠানো হয় এবং আরও ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করে চক্রটি।
পরবর্তীতে লিবিয়ায় মানবেতর জীবনযাপন করার পর, প্রবাসীদের সহায়তায় এবং ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) ও বাংলাদেশ দূতাবাসের যৌথ প্রচেষ্টায় গত ১ ডিসেম্বর (২০২৫) তারিখে বিমানযোগে দেশে ফিরে আসতে সক্ষম হন ভিকটিম রাকিব।
পুলিশ জানায়, এই চক্রের সদস্যরা অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের সক্রিয় নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত। মামলার পলাতক আসামি মো. আকাশ মিয়া (২৭) এই আন্তর্জাতিক চক্রের মূল সমন্বয়ক, যে অপরাপর আসামিদের সহায়তায় অবৈধ পথে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ইউরোপে নেওয়ার নামে অসংখ্য মানুষের জীবন সাগরে বিলীন করে দিয়েছে।
শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রোকিবুজ্জামান জানান, “মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় শাল্লা থানায় একটি মামলা (মামলা নং-১১, জিআর নং-৭৭) দায়ের করা হয়েছে। এই চক্রের অন্যতম হোতা তাফাজ্জুল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার বাকি দুই পলাতক আসামি মো. আকাশ মিয়া (২৭) ও গুলজার মিয়াকে (৫২) গ্রেফতারে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”
এদিকে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী এই চক্রের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নিখোঁজ ও প্রতারিত হওয়া অন্য পরিবারগুলোর জন্য দ্রুত ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছে।
মোঃ ফারুক মিয়া, শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি :
১৮ জুলাই, ২০২৬, 9:26 PM
ইতালিতে পাঠানোর নামে লিবিয়ার মাফিয়া চক্রের হাতে জিম্মি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের অন্যতম সক্রিয় সদস্য ও মূলহোতা তাফাজ্জুল মিয়াকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে সুনামগঞ্জের শাল্লা থানা পুলিশ।
আজ শনিবার (১৮ জুলাই) শাল্লা থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তার নিজ বসতবাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত তাফাজ্জুল শাল্লা গ্রামের মৃত মো. মদন মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এবং শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রোকিবুজ্জামানের নেতৃত্বে এসআই মো. শাহজাহান ও এসআই ইমাম আরফিনসহ পুলিশের একটি চৌকস দল এই সফল অভিযান পরিচালনা করে।
মামলার বাদী মাসুদ রানা রাকিবকে সুদূর ইতালিতে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে এই বিপজ্জনক মানবপাচারকারী চক্রটি প্রথমে ২২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এরপর তাকে লিবিয়ার মাফিয়া চক্রের হাতে তুলে দেওয়া হয়। সেখানে রাকিবের ওপর অমানুষিক ও লোমহর্ষক নির্যাতন চালিয়ে সেই ভিডিও বাংলাদেশে তার পরিবারের কাছে পাঠানো হয় এবং আরও ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করে চক্রটি।
পরবর্তীতে লিবিয়ায় মানবেতর জীবনযাপন করার পর, প্রবাসীদের সহায়তায় এবং ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) ও বাংলাদেশ দূতাবাসের যৌথ প্রচেষ্টায় গত ১ ডিসেম্বর (২০২৫) তারিখে বিমানযোগে দেশে ফিরে আসতে সক্ষম হন ভিকটিম রাকিব।
পুলিশ জানায়, এই চক্রের সদস্যরা অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের সক্রিয় নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত। মামলার পলাতক আসামি মো. আকাশ মিয়া (২৭) এই আন্তর্জাতিক চক্রের মূল সমন্বয়ক, যে অপরাপর আসামিদের সহায়তায় অবৈধ পথে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ইউরোপে নেওয়ার নামে অসংখ্য মানুষের জীবন সাগরে বিলীন করে দিয়েছে।
শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রোকিবুজ্জামান জানান, “মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় শাল্লা থানায় একটি মামলা (মামলা নং-১১, জিআর নং-৭৭) দায়ের করা হয়েছে। এই চক্রের অন্যতম হোতা তাফাজ্জুল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার বাকি দুই পলাতক আসামি মো. আকাশ মিয়া (২৭) ও গুলজার মিয়াকে (৫২) গ্রেফতারে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”
এদিকে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী এই চক্রের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নিখোঁজ ও প্রতারিত হওয়া অন্য পরিবারগুলোর জন্য দ্রুত ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছে।