ঢাকা ১৬ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
সরিষাবাড়ীতে ৩০২ প্রান্তিক শিশুর মাঝে স্কুল ব্যাগ, ছাতা, গাছের চারা ও মুরগি বিতরণ চরভদ্রাসনে জেলের হাতে ধরা পড়ল মেছো বাঘের বাচ্চা গাজীপুরে ডিবির আদলে সদর পুলিশের হানা ২ বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ ২ অস্ত্রধারী গ্রেপ্তার শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান গণমাধ্যমসমূহকে নীতিমালা যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান তথ্য অধিদফতরের বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন, ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসেবায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নপত্রে অসঙ্গতি : ৪ শিক্ষককে শোকজ আইন পেশার অনেকেই শর্টকাটে অর্থবিত্তের মালিক হতে চায়: অ্যাটর্নি জেনারেল টাইফুন বাভিকে ঘিরে উ. কোরিয়ার সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ বড়লেখায় জনদুর্ভোগ নিরসনে সহকারী কমিশনারের সাথে নিসচা'র মতবিনিময় 

গাজীপুরে ডিবির আদলে সদর পুলিশের হানা ২ বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ ২ অস্ত্রধারী গ্রেপ্তার

#
news image

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) সদর থানা পুলিশ এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ২টি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন, ১০ রাউন্ড গুলি এবং ১টি মোটরসাইকেলসহ দুই অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে (১৮:২৫ ঘটিকায়) মহানগরীর পাজুলিয়া এলাকায় এই সফল অভিযান পরিচালিত হয়।
আজ বুধবার জিএমপির পক্ষ থেকে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জিএমপি পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদারের বিশেষ নির্দেশনায় মহানগর এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে নিয়মিত বিশেষ অভিযান চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জিএমপি সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে থানার একাধিক চৌকস অফিসারের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ আভিযানিক দল পাজুলিয়া এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালায়।
অভিযানকালে পুলিশ সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তির গতিবিধি রোধ করে তাদের তল্লাশি চালায়। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে ২টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন, ১০ রাউন্ড তাজা গুলি এবং অপরাধকর্মে ব্যবহৃত ১টি রেজিস্ট্রেশন নম্বরবিহীন লাল রঙের ‘TVS 4V 160cc’ মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও মোটরসাইকেলসহ দুই আসামিকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার জানান, গ্রেপ্তারকৃত অস্ত্রধারী আসামিদের বিরুদ্ধে সদর থানায় অস্ত্র আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও স্পষ্ট করেন, গাজীপুর মহানগরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জিএমপির এই ধরনের জিরো টলারেন্স ও চিরুনি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আমিনুল ইসলাম রবিন :

১৫ জুলাই, ২০২৬,  8:48 PM

news image

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) সদর থানা পুলিশ এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ২টি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন, ১০ রাউন্ড গুলি এবং ১টি মোটরসাইকেলসহ দুই অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে (১৮:২৫ ঘটিকায়) মহানগরীর পাজুলিয়া এলাকায় এই সফল অভিযান পরিচালিত হয়।
আজ বুধবার জিএমপির পক্ষ থেকে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জিএমপি পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদারের বিশেষ নির্দেশনায় মহানগর এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে নিয়মিত বিশেষ অভিযান চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জিএমপি সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে থানার একাধিক চৌকস অফিসারের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ আভিযানিক দল পাজুলিয়া এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালায়।
অভিযানকালে পুলিশ সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তির গতিবিধি রোধ করে তাদের তল্লাশি চালায়। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে ২টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন, ১০ রাউন্ড তাজা গুলি এবং অপরাধকর্মে ব্যবহৃত ১টি রেজিস্ট্রেশন নম্বরবিহীন লাল রঙের ‘TVS 4V 160cc’ মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও মোটরসাইকেলসহ দুই আসামিকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার জানান, গ্রেপ্তারকৃত অস্ত্রধারী আসামিদের বিরুদ্ধে সদর থানায় অস্ত্র আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও স্পষ্ট করেন, গাজীপুর মহানগরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জিএমপির এই ধরনের জিরো টলারেন্স ও চিরুনি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।