ঢাকা ২৪ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি গাজীপুরে ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শতভাগ ফিট ইয়ামাল, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে স্বস্তিতে স্পেন দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু শাল্লায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার কনেবাহী গাড়ি খাদে ,উৎসবের রাতেই বিষাদের ছায়া, নিহত ২ চরভদ্রাসনে হিউম্যান অ্যাপেল অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে ৫০০ বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

খাদ্যে মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বৃদ্ধির প্রযুক্তি উদ্ভাবন রাবির

#
news image

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) প্লাজমা প্রযুক্তি ব্যবহার করে খাদ্যের মান এবং এর মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বৃদ্ধিতে সফলতা অর্জন করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের গবেষণা দল তাদের প্লাজমা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণাগারে এ গবেষণা করেন। গবেষণায় এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যহারে বৃদ্ধিতে সুফল পেয়েছেন।

জীববিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পিএইচডি গবেষক মামুনুর রশিদ এই গবেষণার নেতৃত্ব দেন। এর তত্ত্বাবধান করেন ল্যাব পরিচালক অধ্যাপক মামুনুর রশিদ তালুকদার।

গবেষণার ফলাফল উদ্ধৃত করে অধ্যাপক মামুনুর রশিদ তালুকদার বলেন, প্লাজমা প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ধানে জিঙ্কের পরিমাণ ৫৯ শতাংশ, আলুতে ২০৪ শতাংশ এবং বেগুনে ৮৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে। এর সুফল গম, ভুট্টা ও পালংশাকে পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, গবেষণার ফলাফল ‘জার্নাল অব প্ল্যান্ট গ্রোথ রেগুলেশন’ (স্প্রিংগার), ‘হেলিয়ন’ (এলসেভিয়ার) এবং ‘প্লাজমা মেডিসিন’-এ প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষকদের মতে, প্লাজমা প্রযুক্তি শুধু খাদ্যের মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টই বৃদ্ধি করে না, এটি উৎপাদনের সময় ১৫ু২০ দিন কমায়, ফলন বৃদ্ধি করে এবং কীট প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

মামুনুর রশিদ বলেন, তারা বিভিন্ন ধরনের প্লাজমা উৎস তৈরি করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে গ্লাইডিং আর্ক ডিসচার্জ, ডাইইলেকট্রিক ব্যারিয়ার ডিসচার্জ এবং গ্লো ডিসচার্জ প্লাজমা। বীজ প্রক্রিয়াকরণ এবং প্লাজমা সক্রিয় পানি প্রয়োগের মাধ্যমে অঙ্কুরোদ্‌গম হার এবং ফলন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রযুক্তি উদ্ভাবক অধ্যাপক মামুনুর রশিদ তালুকদার বলেন, মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সংবৃদ্ধকরণে প্লাজমার ব্যবহার তাদের গবেষণায় একটি নতুন মাত্রা।

তিনি বলেন, কৃষক পর্যায়ে এই প্রযুক্তি সম্প্রসারণের জন্য তাদের প্রয়োজনীয় বাজেট নেই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ইউজিসি এবং সরকার যদি সহায়তা করে তাহলে এই প্রযুক্তি খাদ্য নিরাপত্তা এবং পুষ্টি উন্নয়নের জন্য একটি টেকসই সমাধান হতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

০৬ নভেম্বর, ২০২৫,  3:42 AM

news image

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) প্লাজমা প্রযুক্তি ব্যবহার করে খাদ্যের মান এবং এর মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বৃদ্ধিতে সফলতা অর্জন করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের গবেষণা দল তাদের প্লাজমা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণাগারে এ গবেষণা করেন। গবেষণায় এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যহারে বৃদ্ধিতে সুফল পেয়েছেন।

জীববিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পিএইচডি গবেষক মামুনুর রশিদ এই গবেষণার নেতৃত্ব দেন। এর তত্ত্বাবধান করেন ল্যাব পরিচালক অধ্যাপক মামুনুর রশিদ তালুকদার।

গবেষণার ফলাফল উদ্ধৃত করে অধ্যাপক মামুনুর রশিদ তালুকদার বলেন, প্লাজমা প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ধানে জিঙ্কের পরিমাণ ৫৯ শতাংশ, আলুতে ২০৪ শতাংশ এবং বেগুনে ৮৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে। এর সুফল গম, ভুট্টা ও পালংশাকে পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, গবেষণার ফলাফল ‘জার্নাল অব প্ল্যান্ট গ্রোথ রেগুলেশন’ (স্প্রিংগার), ‘হেলিয়ন’ (এলসেভিয়ার) এবং ‘প্লাজমা মেডিসিন’-এ প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষকদের মতে, প্লাজমা প্রযুক্তি শুধু খাদ্যের মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টই বৃদ্ধি করে না, এটি উৎপাদনের সময় ১৫ু২০ দিন কমায়, ফলন বৃদ্ধি করে এবং কীট প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

মামুনুর রশিদ বলেন, তারা বিভিন্ন ধরনের প্লাজমা উৎস তৈরি করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে গ্লাইডিং আর্ক ডিসচার্জ, ডাইইলেকট্রিক ব্যারিয়ার ডিসচার্জ এবং গ্লো ডিসচার্জ প্লাজমা। বীজ প্রক্রিয়াকরণ এবং প্লাজমা সক্রিয় পানি প্রয়োগের মাধ্যমে অঙ্কুরোদ্‌গম হার এবং ফলন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রযুক্তি উদ্ভাবক অধ্যাপক মামুনুর রশিদ তালুকদার বলেন, মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সংবৃদ্ধকরণে প্লাজমার ব্যবহার তাদের গবেষণায় একটি নতুন মাত্রা।

তিনি বলেন, কৃষক পর্যায়ে এই প্রযুক্তি সম্প্রসারণের জন্য তাদের প্রয়োজনীয় বাজেট নেই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ইউজিসি এবং সরকার যদি সহায়তা করে তাহলে এই প্রযুক্তি খাদ্য নিরাপত্তা এবং পুষ্টি উন্নয়নের জন্য একটি টেকসই সমাধান হতে পারে।