ঢাকা ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের মেয়াদের নিয়োগ ও বদলির নথি তলব করল দুদক অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সেনার গুলিতে দুই ফিলিস্তিনি কিশোর নিহত ডিএসইতে সূচকের চাঙ্গা ভাব, লেনদেন ৭২০ কোটি টাকা পার ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৪ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১২৫২ বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদের প্রয়াণে শোক ও দোয়া মাহফিল চরভদ্রাসনে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অভিভাবক সমাবেশ শাল্লায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর ৪ দিন অনশন, সমাধানে ব্যর্থ স্থানীয়রা বড়লেখায় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে কদমতলা ইউনিয়নের দুই বিএনপি নেতার মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

খাদ্যে মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বৃদ্ধির প্রযুক্তি উদ্ভাবন রাবির

#
news image

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) প্লাজমা প্রযুক্তি ব্যবহার করে খাদ্যের মান এবং এর মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বৃদ্ধিতে সফলতা অর্জন করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের গবেষণা দল তাদের প্লাজমা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণাগারে এ গবেষণা করেন। গবেষণায় এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যহারে বৃদ্ধিতে সুফল পেয়েছেন।

জীববিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পিএইচডি গবেষক মামুনুর রশিদ এই গবেষণার নেতৃত্ব দেন। এর তত্ত্বাবধান করেন ল্যাব পরিচালক অধ্যাপক মামুনুর রশিদ তালুকদার।

গবেষণার ফলাফল উদ্ধৃত করে অধ্যাপক মামুনুর রশিদ তালুকদার বলেন, প্লাজমা প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ধানে জিঙ্কের পরিমাণ ৫৯ শতাংশ, আলুতে ২০৪ শতাংশ এবং বেগুনে ৮৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে। এর সুফল গম, ভুট্টা ও পালংশাকে পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, গবেষণার ফলাফল ‘জার্নাল অব প্ল্যান্ট গ্রোথ রেগুলেশন’ (স্প্রিংগার), ‘হেলিয়ন’ (এলসেভিয়ার) এবং ‘প্লাজমা মেডিসিন’-এ প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষকদের মতে, প্লাজমা প্রযুক্তি শুধু খাদ্যের মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টই বৃদ্ধি করে না, এটি উৎপাদনের সময় ১৫ু২০ দিন কমায়, ফলন বৃদ্ধি করে এবং কীট প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

মামুনুর রশিদ বলেন, তারা বিভিন্ন ধরনের প্লাজমা উৎস তৈরি করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে গ্লাইডিং আর্ক ডিসচার্জ, ডাইইলেকট্রিক ব্যারিয়ার ডিসচার্জ এবং গ্লো ডিসচার্জ প্লাজমা। বীজ প্রক্রিয়াকরণ এবং প্লাজমা সক্রিয় পানি প্রয়োগের মাধ্যমে অঙ্কুরোদ্‌গম হার এবং ফলন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রযুক্তি উদ্ভাবক অধ্যাপক মামুনুর রশিদ তালুকদার বলেন, মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সংবৃদ্ধকরণে প্লাজমার ব্যবহার তাদের গবেষণায় একটি নতুন মাত্রা।

তিনি বলেন, কৃষক পর্যায়ে এই প্রযুক্তি সম্প্রসারণের জন্য তাদের প্রয়োজনীয় বাজেট নেই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ইউজিসি এবং সরকার যদি সহায়তা করে তাহলে এই প্রযুক্তি খাদ্য নিরাপত্তা এবং পুষ্টি উন্নয়নের জন্য একটি টেকসই সমাধান হতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

০৬ নভেম্বর, ২০২৫,  3:42 AM

news image

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) প্লাজমা প্রযুক্তি ব্যবহার করে খাদ্যের মান এবং এর মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বৃদ্ধিতে সফলতা অর্জন করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের গবেষণা দল তাদের প্লাজমা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণাগারে এ গবেষণা করেন। গবেষণায় এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যহারে বৃদ্ধিতে সুফল পেয়েছেন।

জীববিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পিএইচডি গবেষক মামুনুর রশিদ এই গবেষণার নেতৃত্ব দেন। এর তত্ত্বাবধান করেন ল্যাব পরিচালক অধ্যাপক মামুনুর রশিদ তালুকদার।

গবেষণার ফলাফল উদ্ধৃত করে অধ্যাপক মামুনুর রশিদ তালুকদার বলেন, প্লাজমা প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ধানে জিঙ্কের পরিমাণ ৫৯ শতাংশ, আলুতে ২০৪ শতাংশ এবং বেগুনে ৮৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে। এর সুফল গম, ভুট্টা ও পালংশাকে পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, গবেষণার ফলাফল ‘জার্নাল অব প্ল্যান্ট গ্রোথ রেগুলেশন’ (স্প্রিংগার), ‘হেলিয়ন’ (এলসেভিয়ার) এবং ‘প্লাজমা মেডিসিন’-এ প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষকদের মতে, প্লাজমা প্রযুক্তি শুধু খাদ্যের মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টই বৃদ্ধি করে না, এটি উৎপাদনের সময় ১৫ু২০ দিন কমায়, ফলন বৃদ্ধি করে এবং কীট প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

মামুনুর রশিদ বলেন, তারা বিভিন্ন ধরনের প্লাজমা উৎস তৈরি করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে গ্লাইডিং আর্ক ডিসচার্জ, ডাইইলেকট্রিক ব্যারিয়ার ডিসচার্জ এবং গ্লো ডিসচার্জ প্লাজমা। বীজ প্রক্রিয়াকরণ এবং প্লাজমা সক্রিয় পানি প্রয়োগের মাধ্যমে অঙ্কুরোদ্‌গম হার এবং ফলন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রযুক্তি উদ্ভাবক অধ্যাপক মামুনুর রশিদ তালুকদার বলেন, মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সংবৃদ্ধকরণে প্লাজমার ব্যবহার তাদের গবেষণায় একটি নতুন মাত্রা।

তিনি বলেন, কৃষক পর্যায়ে এই প্রযুক্তি সম্প্রসারণের জন্য তাদের প্রয়োজনীয় বাজেট নেই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ইউজিসি এবং সরকার যদি সহায়তা করে তাহলে এই প্রযুক্তি খাদ্য নিরাপত্তা এবং পুষ্টি উন্নয়নের জন্য একটি টেকসই সমাধান হতে পারে।