আগামী মাস থেকে শুরু হচ্ছে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা
শাকিল আহমেদ, রংপুর প্রতিনিধি :
০৪ আগস্ট, ২০২৫, 8:06 PM
আগামী মাস থেকে শুরু হচ্ছে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি শুরু হবে। আমি আশা করি সেপ্টেম্বর থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে। প্রকল্পের ক্রয়প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যারা বাস্তবায়ন করবে তাদের প্রশিক্ষণও চলছে। আগস্টের মধ্যে সব প্রস্তুতি শেষ করে সেপ্টেম্বরেই মাঠে নামা যাবে। দুটি প্রকল্পের মাধ্যমে দেশজুড়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এর মধ্যে বড় প্রকল্পটি ১৫০টি উপজেলার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু হবে, অন্য প্রকল্পটি কক্সবাজার ও বান্দরবানে কার্যকর হবে। গতকাল সোমবার দুপুরে রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে মতবিনিময় সভার আগে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, বিভাগীয় কমিশনার মো. শহীদুল ইসলাম, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নুর মো. শামসুজ্জামান, পরিচালক (পলিসি অ্যান্ড অপারেশন) মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড প্রদানসহ প্রায় ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ এবং পিএসসির মাধ্যমে তিন হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। নিম্নবিত্ত শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি মানোন্নয়নে জোর দেওয়া হচ্ছে। বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পরীক্ষার বাইরে থাকলেও তাদের আলাদা ব্যবস্থা চালু আছে। এক বছরে স্কুল থাকে মাত্র ১৮০ দিন। শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সংযোগ যদি না থাকে তাহলে শেখার সুযোগ সীমিত হয়। তাই সহশিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে বিদ্যালয়কে শিশুদের আনন্দঘন পরিবেশে রূপান্তর করা হচ্ছে। পরে জেলা প্রশাসন ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নের বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল। এতে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে বিভিন্ন অংশীজনের মতামত গ্রহণ করা হয়। সভায় জেলার বিভিন্ন উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা অংশ নেন। প্রধান শিক্ষকরা বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সমস্যা, শিক্ষক সংকট,যত্রতত্র বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন ও স্কুল প্রতিষ্ঠার বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
শাকিল আহমেদ, রংপুর প্রতিনিধি :
০৪ আগস্ট, ২০২৫, 8:06 PM
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি শুরু হবে। আমি আশা করি সেপ্টেম্বর থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে। প্রকল্পের ক্রয়প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যারা বাস্তবায়ন করবে তাদের প্রশিক্ষণও চলছে। আগস্টের মধ্যে সব প্রস্তুতি শেষ করে সেপ্টেম্বরেই মাঠে নামা যাবে। দুটি প্রকল্পের মাধ্যমে দেশজুড়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এর মধ্যে বড় প্রকল্পটি ১৫০টি উপজেলার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু হবে, অন্য প্রকল্পটি কক্সবাজার ও বান্দরবানে কার্যকর হবে। গতকাল সোমবার দুপুরে রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে মতবিনিময় সভার আগে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, বিভাগীয় কমিশনার মো. শহীদুল ইসলাম, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নুর মো. শামসুজ্জামান, পরিচালক (পলিসি অ্যান্ড অপারেশন) মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড প্রদানসহ প্রায় ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ এবং পিএসসির মাধ্যমে তিন হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। নিম্নবিত্ত শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি মানোন্নয়নে জোর দেওয়া হচ্ছে। বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পরীক্ষার বাইরে থাকলেও তাদের আলাদা ব্যবস্থা চালু আছে। এক বছরে স্কুল থাকে মাত্র ১৮০ দিন। শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সংযোগ যদি না থাকে তাহলে শেখার সুযোগ সীমিত হয়। তাই সহশিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে বিদ্যালয়কে শিশুদের আনন্দঘন পরিবেশে রূপান্তর করা হচ্ছে। পরে জেলা প্রশাসন ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নের বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল। এতে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে বিভিন্ন অংশীজনের মতামত গ্রহণ করা হয়। সভায় জেলার বিভিন্ন উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা অংশ নেন। প্রধান শিক্ষকরা বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সমস্যা, শিক্ষক সংকট,যত্রতত্র বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন ও স্কুল প্রতিষ্ঠার বিষয়গুলো তুলে ধরেন।