বলাৎকারের মতো জঘন্য অপরাধ প্রতিরোধে সোচ্চার হওয়ার নির্দেশনা রয়েছে সরকারের। এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ্ মুজাম্মেল হোসেন কায়কোবাদ।
রাজধানীর আগারগাঁও এলাকায় আয়োজিত বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ঐতিহ্যবাহী ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলের অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা স্পষ্ট করেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, বলাৎকারের মতো অপরাধ সমাজের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে সরকার সচেতন এবং অপরাধের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। বিশেষ করে শিশু ও কিশোরদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের প্রতি যেকোনো ধরনের যৌন নির্যাতন বন্ধে পরিবার, সমাজ ও সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, সমাজে নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি অপরাধপ্রবণতা রোধে জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি। এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।
ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, শিশুদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং তাদের অধিকার রক্ষায় সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। কোনো ধরনের নির্যাতন বা অপরাধের ঘটনা ঘটলে তা গোপন না রেখে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে।
বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলের অধিবেশনে দেশের বিভিন্ন এলাকার ইমাম, আলেম-ওলামা ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অধিবেশনে ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা, সামাজিক অবক্ষয় রোধ এবং সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে আলোচনা হয়।
বলাৎকারের মতো অপরাধ প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান ধর্মমন্ত্রী। তিনি বলেন, নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় অপরাধের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার বিকল্প নেই।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
বলাৎকারের মতো জঘন্য অপরাধ প্রতিরোধে সোচ্চার হওয়ার নির্দেশনা রয়েছে সরকারের। এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ্ মুজাম্মেল হোসেন কায়কোবাদ।
রাজধানীর আগারগাঁও এলাকায় আয়োজিত বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ঐতিহ্যবাহী ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলের অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা স্পষ্ট করেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, বলাৎকারের মতো অপরাধ সমাজের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে সরকার সচেতন এবং অপরাধের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। বিশেষ করে শিশু ও কিশোরদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের প্রতি যেকোনো ধরনের যৌন নির্যাতন বন্ধে পরিবার, সমাজ ও সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, সমাজে নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি অপরাধপ্রবণতা রোধে জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি। এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।
ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, শিশুদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং তাদের অধিকার রক্ষায় সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। কোনো ধরনের নির্যাতন বা অপরাধের ঘটনা ঘটলে তা গোপন না রেখে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে।
বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলের অধিবেশনে দেশের বিভিন্ন এলাকার ইমাম, আলেম-ওলামা ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অধিবেশনে ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা, সামাজিক অবক্ষয় রোধ এবং সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে আলোচনা হয়।
বলাৎকারের মতো অপরাধ প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান ধর্মমন্ত্রী। তিনি বলেন, নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় অপরাধের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার বিকল্প নেই।

মতামত