গাজীপুরের টঙ্গীতে ক্বারিউল কোরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার সাত বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক কারাগারে যাওয়ার পর এবার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনা ঘটেছে।
যৌন নিপীড়নে অভিযুক্ত শিক্ষক মুসলেউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। অপরদিকে ওই শিক্ষককে মারধর, প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর এবং কার্যালয় থেকে ১৭ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে শিশুটির বাবাকে প্রধান আসামি করে ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার রাতে টঙ্গী পশ্চিম থানায় মামলাটি করেন মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ মাওলানা ক্বারী মোহাম্মদ আলমাস হোসেন।
অধ্যক্ষ আলমাস হোসেনের দাবি, মুসলেউদ্দিন প্রতিদিন মাত্র তিন ঘণ্টার খণ্ডকালীন শিক্ষক ছিলেন। যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তুলে তাকে কার্যালয়ে মারধর, নিরাপত্তাপ্রহরীকে লাঞ্ছিত এবং জমি কেনার জন্য রাখা ১৭ লাখ টাকা লুট করা হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন।
এদিকে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের করা মামলাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে নিরপেক্ষ তদন্তের আকুতি জানিয়েছেন শিশুটির বাবা। গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “আমি মব সৃষ্টি করতে বা ভাঙচুর করতে যাইনি; একজন বাবা হিসেবে সন্তানের বিচার চাইতে গিয়েছিলাম। সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করলেই পরিষ্কার হবে আমি টাকা ছিনতাই করেছি নাকি আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে।” তিনি ঘটনার সুষ্ঠু বিচারসহ পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২১ অক্টোবর শিশুটি পরিবারকে নিপীড়নের কথা জানালে অভিভাবকরা মাদরাসায় যান। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা শিক্ষককে আটক করলে পুলিশ গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয় এবং ২২ অক্টোবর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, শিশুর পরিবারের মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। পরবর্তীতে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের দায়ের করা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। উভয় পক্ষই পারস্পরিক হুমকির অভিযোগ এনেছে, পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত চালিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
গাজীপুরের টঙ্গীতে ক্বারিউল কোরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার সাত বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক কারাগারে যাওয়ার পর এবার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনা ঘটেছে।
যৌন নিপীড়নে অভিযুক্ত শিক্ষক মুসলেউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। অপরদিকে ওই শিক্ষককে মারধর, প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর এবং কার্যালয় থেকে ১৭ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে শিশুটির বাবাকে প্রধান আসামি করে ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার রাতে টঙ্গী পশ্চিম থানায় মামলাটি করেন মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ মাওলানা ক্বারী মোহাম্মদ আলমাস হোসেন।
অধ্যক্ষ আলমাস হোসেনের দাবি, মুসলেউদ্দিন প্রতিদিন মাত্র তিন ঘণ্টার খণ্ডকালীন শিক্ষক ছিলেন। যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তুলে তাকে কার্যালয়ে মারধর, নিরাপত্তাপ্রহরীকে লাঞ্ছিত এবং জমি কেনার জন্য রাখা ১৭ লাখ টাকা লুট করা হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন।
এদিকে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের করা মামলাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে নিরপেক্ষ তদন্তের আকুতি জানিয়েছেন শিশুটির বাবা। গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “আমি মব সৃষ্টি করতে বা ভাঙচুর করতে যাইনি; একজন বাবা হিসেবে সন্তানের বিচার চাইতে গিয়েছিলাম। সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করলেই পরিষ্কার হবে আমি টাকা ছিনতাই করেছি নাকি আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে।” তিনি ঘটনার সুষ্ঠু বিচারসহ পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২১ অক্টোবর শিশুটি পরিবারকে নিপীড়নের কথা জানালে অভিভাবকরা মাদরাসায় যান। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা শিক্ষককে আটক করলে পুলিশ গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয় এবং ২২ অক্টোবর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, শিশুর পরিবারের মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। পরবর্তীতে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের দায়ের করা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। উভয় পক্ষই পারস্পরিক হুমকির অভিযোগ এনেছে, পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত চালিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

মতামত