জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (UNFPA) অর্থায়নে পরিচালিত ‘গ্লোবাল প্রোগ্রাম টু এন্ড চাইল্ড ম্যারেজ (GPECM-III)’ প্রকল্পের আওতায় বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে এক বিশেষ কমিউনিটি এনগেজমেন্ট সভা ও সচেতনতামূলক প্রচারণা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জনাব সাদেকুল ইসলাম। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ষাটগম্বুজ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ফকির তারিকুল ইসলাম, ষাটগম্বুজ ইউনিয়নের বিবাহ রেজিস্টার জনাব আব্দুল্লাহেল মুমিন এবং পল্লী চিকিৎসক ফকির মাজেদুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফকির মাসুদুর রহমান। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জনাব সাদেকুল ইসলাম বলেন, "বাল্যবিয়ে একটি সামাজিক অভিশাপ, যা একটি মেয়ের জীবন ও ভবিষ্যৎকে ধ্বংস করে দেয়। বাল্যবিয়ে মুক্ত সমাজ গড়তে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের একযোগে কাজ করতে হবে।"
বিশেষ অতিথিবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি কাজী, চিকিৎসক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সঠিক জন্মনিবন্ধন যাচাই ছাড়া বিয়ে না পড়ানো এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর তাঁরা বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে প্রধান শিক্ষক ফকির মাসুদুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করে সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে বিদ্যালয় পরিবার সর্বদা সোচ্চার থাকবে।
সভা শেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বাল্যবিয়ে বিরোধী সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (UNFPA) অর্থায়নে পরিচালিত ‘গ্লোবাল প্রোগ্রাম টু এন্ড চাইল্ড ম্যারেজ (GPECM-III)’ প্রকল্পের আওতায় বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে এক বিশেষ কমিউনিটি এনগেজমেন্ট সভা ও সচেতনতামূলক প্রচারণা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জনাব সাদেকুল ইসলাম। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ষাটগম্বুজ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ফকির তারিকুল ইসলাম, ষাটগম্বুজ ইউনিয়নের বিবাহ রেজিস্টার জনাব আব্দুল্লাহেল মুমিন এবং পল্লী চিকিৎসক ফকির মাজেদুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফকির মাসুদুর রহমান। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জনাব সাদেকুল ইসলাম বলেন, "বাল্যবিয়ে একটি সামাজিক অভিশাপ, যা একটি মেয়ের জীবন ও ভবিষ্যৎকে ধ্বংস করে দেয়। বাল্যবিয়ে মুক্ত সমাজ গড়তে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের একযোগে কাজ করতে হবে।"
বিশেষ অতিথিবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি কাজী, চিকিৎসক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সঠিক জন্মনিবন্ধন যাচাই ছাড়া বিয়ে না পড়ানো এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর তাঁরা বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে প্রধান শিক্ষক ফকির মাসুদুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করে সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে বিদ্যালয় পরিবার সর্বদা সোচ্চার থাকবে।
সভা শেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বাল্যবিয়ে বিরোধী সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়।

মতামত