ঢাকা ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের মেয়াদের নিয়োগ ও বদলির নথি তলব করল দুদক অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সেনার গুলিতে দুই ফিলিস্তিনি কিশোর নিহত ডিএসইতে সূচকের চাঙ্গা ভাব, লেনদেন ৭২০ কোটি টাকা পার ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৪ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১২৫২ বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদের প্রয়াণে শোক ও দোয়া মাহফিল চরভদ্রাসনে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অভিভাবক সমাবেশ শাল্লায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর ৪ দিন অনশন, সমাধানে ব্যর্থ স্থানীয়রা বড়লেখায় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে কদমতলা ইউনিয়নের দুই বিএনপি নেতার মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

হবিগঞ্জে এনসিপির ‘জুলাই পথযাত্রায়’ হামলা, সারজিস আলমসহ আহত একাধিক

#
news image

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পথযাত্রা’ কর্মসূচির নেতাকর্মীদের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর এবং নেতাকর্মীদের মারধর করা হয়। এতে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ দলটির একাধিক নেতাকর্মী ও গণমাধ্যমকর্মী আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। দলটির নেতাদের অভিযোগ, স্থানীয় ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এ পরিকল্পিত হামলা চালিয়েছেন।

ঘটনার পর রাত পৌনে ৮টার দিকে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তাঁর ফেসবুক আইডিতে একটি ভিডিও বার্তা পোস্ট করে বলেন, "হবিগঞ্জে জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচি সফলভাবে শেষ করে মৌলভীবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার সময় কোর্ট মসজিদ এলাকায় জেলা ছাত্রদলের একদল সন্ত্রাসী রামদা, চেইন ও হকিস্টিক নিয়ে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।"

তিনি আরও অভিযোগ করেন, "হামলার সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ ও র‍্যাব উপস্থিত থাকলেও তারা নীরব ভূমিকা পালন করেছে। সন্ত্রাসীরা আমাদের মিডিয়া টিমের ক্যামেরাসহ সরঞ্জাম ছিনিয়ে নেয় এবং ড্রাইভার ও নেতাকর্মীদের বেধড়ক পেটায়। অনেকের হাত-পা ভেঙে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। আমরা এই ন্যাক্কারজনক ও বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং হামলাকারী ও তাদের মদদদাতাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।"

পরবর্তীতে রাত ১২টার দিকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে আহতদের দেখতে গিয়ে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম সাংবাদিকদের বলেন, "আমাদের ভাইদের রক্ত ঝরেছে, কারো হাত ভেঙেছে, কারো মাথা ফেটেছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে নিয়ে আসার সময়ও স্থানীয় জি কে গউছের ক্যাডাররা হাসপাতালের সামনে পথ আটকে আক্রমণ করে। আমার হাতেও রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। এই ঘটনার সুনির্দিষ্ট বিচার ও ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জ ত্যাগ করব না।"

এনসিপির হবিগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক আবু হেনা মোস্তফা কামাল জানান, হামলার পর নিরাপত্তার স্বার্থে সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সাময়িকভাবে স্থানীয় একটি ব্যাংকে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন।

তবে এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন। তিনি বলেন, "হবিগঞ্জ একটি শান্তিপূর্ণ এলাকা। বাইরে থেকে আসা কিছু লোক উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ায় সাধারণ জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে ধাওয়া দেয়। এর সঙ্গে ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মী জড়িত নয়। নিজেদের হাইলাইট করতেই তারা ছাত্রদলের ওপর দায় চাপাচ্ছে।"

এ ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল হকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মুঠোফোন রিসিভ না করায় তাঁর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এস এম শামীম আহমেদ :

২৮ জুলাই, ২০২৬,  10:38 PM

news image

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পথযাত্রা’ কর্মসূচির নেতাকর্মীদের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর এবং নেতাকর্মীদের মারধর করা হয়। এতে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ দলটির একাধিক নেতাকর্মী ও গণমাধ্যমকর্মী আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। দলটির নেতাদের অভিযোগ, স্থানীয় ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এ পরিকল্পিত হামলা চালিয়েছেন।

ঘটনার পর রাত পৌনে ৮টার দিকে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তাঁর ফেসবুক আইডিতে একটি ভিডিও বার্তা পোস্ট করে বলেন, "হবিগঞ্জে জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচি সফলভাবে শেষ করে মৌলভীবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার সময় কোর্ট মসজিদ এলাকায় জেলা ছাত্রদলের একদল সন্ত্রাসী রামদা, চেইন ও হকিস্টিক নিয়ে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।"

তিনি আরও অভিযোগ করেন, "হামলার সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ ও র‍্যাব উপস্থিত থাকলেও তারা নীরব ভূমিকা পালন করেছে। সন্ত্রাসীরা আমাদের মিডিয়া টিমের ক্যামেরাসহ সরঞ্জাম ছিনিয়ে নেয় এবং ড্রাইভার ও নেতাকর্মীদের বেধড়ক পেটায়। অনেকের হাত-পা ভেঙে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। আমরা এই ন্যাক্কারজনক ও বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং হামলাকারী ও তাদের মদদদাতাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।"

পরবর্তীতে রাত ১২টার দিকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে আহতদের দেখতে গিয়ে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম সাংবাদিকদের বলেন, "আমাদের ভাইদের রক্ত ঝরেছে, কারো হাত ভেঙেছে, কারো মাথা ফেটেছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে নিয়ে আসার সময়ও স্থানীয় জি কে গউছের ক্যাডাররা হাসপাতালের সামনে পথ আটকে আক্রমণ করে। আমার হাতেও রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। এই ঘটনার সুনির্দিষ্ট বিচার ও ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জ ত্যাগ করব না।"

এনসিপির হবিগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক আবু হেনা মোস্তফা কামাল জানান, হামলার পর নিরাপত্তার স্বার্থে সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সাময়িকভাবে স্থানীয় একটি ব্যাংকে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন।

তবে এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন। তিনি বলেন, "হবিগঞ্জ একটি শান্তিপূর্ণ এলাকা। বাইরে থেকে আসা কিছু লোক উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ায় সাধারণ জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে ধাওয়া দেয়। এর সঙ্গে ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মী জড়িত নয়। নিজেদের হাইলাইট করতেই তারা ছাত্রদলের ওপর দায় চাপাচ্ছে।"

এ ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল হকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মুঠোফোন রিসিভ না করায় তাঁর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।