ঢাকা ২৪ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি গাজীপুরে ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শতভাগ ফিট ইয়ামাল, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে স্বস্তিতে স্পেন দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু শাল্লায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার কনেবাহী গাড়ি খাদে ,উৎসবের রাতেই বিষাদের ছায়া, নিহত ২ চরভদ্রাসনে হিউম্যান অ্যাপেল অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে ৫০০ বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের বল ‘ট্রাইওন্ডা’ উন্মোচন করলো ফিফা

#
news image

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের অফিসিয়াল ম্যাচ বল আজ সকলের সামনে উন্মোচন করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রন সংস্থা ফিফা। তিনটি সহ আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার ঐক্যকে একত্রিত করে উচ্চ প্রযুক্তির পরিমার্জন ও নকশা এতে সমন্বিত করা হয়েছে। 

বলটির নাম দেয়া হয়েছে ‘ট্রাইওন্ডা।’ ১৯৭০ সাল থেকে বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল সরবরাহকারী জার্মান ক্রীড়া সামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এডিডাস আরো একবার এই বল নকশা করার সুযোগ পেয়েছে। 

ফিফা সভাপতি গিয়ান্নি ইনফান্তিনো নিউ ইয়র্কে আগামী বছরের বিশ্বকাপ ফুটবলের বল উন্মোচন অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘ট্রাইওন্ডাকে সবার সামনে উপস্থাপন করতে পেরে আমি দারুন আনন্দিত ও গর্বিত।’

প্রথমবারের মত তিন দেশে যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজিত হচ্ছে। বর্ধিত কলেবরের এই বিশ্বকাপে ৪৮টি দেশ অংশ নিবে। 

ট্রাইওন্ডা নামটি এসেছে দুটি শব্দ থেকে- ‘ট্রাই’ ও ‘ওন্ডা’। ‘ট্রাই’ অর্থ তিন আর ওন্ডা মানে ঢেউ। বলে লাল, সবুজ ও নীল- এই তিন রঙের ঢেউ দিয়ে আয়োজক দেশগুলোকে বোঝানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো- এই তিন দেশের ঐক্য তুলে ধরা হয়েছে। এতে ব্যবহার করা হয়েছে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তি।

বলের নকশায় তিন দেশের জাতীয় প্রতীকও আছে। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য তারা, কানাডার জন্য ম্যাপল পাতা এবং মেক্সিকোর জন্য ঈগল। বলের ওপর এসব প্রতীক গ্রাফিকস আকারে খোদাই করা হয়েছে। বলটিতে সোনালি রঙের ছোঁয়াও আছে। এর মাধ্যমে বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয়েছে এবং মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই বল ফুটবলের সর্ববৃহৎ মঞ্চের জন্য তৈরী।

সবচেয়ে বড় নতুনত্ব হলো এডিডাসের কানেক্টেড বল প্রযুক্তি। বলের ভেতরে একপাশে থাকা ৫০০ হার্জ সেন্সর ভিএআর ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের রিয়েল-টাইম তথ্য দেবে। এর ফলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অফসাইড ধরা যাবে। এ ছাড়া হ্যান্ডবল বা ফাউলের মতো বিতর্কিত পরিস্থিতি সহজেই চিহ্নিত করা যাবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

০৩ অক্টোবর, ২০২৫,  8:13 PM

news image

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের অফিসিয়াল ম্যাচ বল আজ সকলের সামনে উন্মোচন করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রন সংস্থা ফিফা। তিনটি সহ আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার ঐক্যকে একত্রিত করে উচ্চ প্রযুক্তির পরিমার্জন ও নকশা এতে সমন্বিত করা হয়েছে। 

বলটির নাম দেয়া হয়েছে ‘ট্রাইওন্ডা।’ ১৯৭০ সাল থেকে বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল সরবরাহকারী জার্মান ক্রীড়া সামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এডিডাস আরো একবার এই বল নকশা করার সুযোগ পেয়েছে। 

ফিফা সভাপতি গিয়ান্নি ইনফান্তিনো নিউ ইয়র্কে আগামী বছরের বিশ্বকাপ ফুটবলের বল উন্মোচন অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘ট্রাইওন্ডাকে সবার সামনে উপস্থাপন করতে পেরে আমি দারুন আনন্দিত ও গর্বিত।’

প্রথমবারের মত তিন দেশে যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজিত হচ্ছে। বর্ধিত কলেবরের এই বিশ্বকাপে ৪৮টি দেশ অংশ নিবে। 

ট্রাইওন্ডা নামটি এসেছে দুটি শব্দ থেকে- ‘ট্রাই’ ও ‘ওন্ডা’। ‘ট্রাই’ অর্থ তিন আর ওন্ডা মানে ঢেউ। বলে লাল, সবুজ ও নীল- এই তিন রঙের ঢেউ দিয়ে আয়োজক দেশগুলোকে বোঝানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো- এই তিন দেশের ঐক্য তুলে ধরা হয়েছে। এতে ব্যবহার করা হয়েছে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তি।

বলের নকশায় তিন দেশের জাতীয় প্রতীকও আছে। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য তারা, কানাডার জন্য ম্যাপল পাতা এবং মেক্সিকোর জন্য ঈগল। বলের ওপর এসব প্রতীক গ্রাফিকস আকারে খোদাই করা হয়েছে। বলটিতে সোনালি রঙের ছোঁয়াও আছে। এর মাধ্যমে বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয়েছে এবং মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই বল ফুটবলের সর্ববৃহৎ মঞ্চের জন্য তৈরী।

সবচেয়ে বড় নতুনত্ব হলো এডিডাসের কানেক্টেড বল প্রযুক্তি। বলের ভেতরে একপাশে থাকা ৫০০ হার্জ সেন্সর ভিএআর ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের রিয়েল-টাইম তথ্য দেবে। এর ফলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অফসাইড ধরা যাবে। এ ছাড়া হ্যান্ডবল বা ফাউলের মতো বিতর্কিত পরিস্থিতি সহজেই চিহ্নিত করা যাবে।