গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে স্বামী-স্ত্রী ও সন্তান দগ্ধ হয়েছেন।
বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোর ৬ টার দিকে টঙ্গীর চেরাগ আলী মুদাফা ভাদাম রোড মাদ্রাসা মার্কেটের পাশে ফখরুল ইসলামের একটি দুতলা বাড়ির নিচ তলায় এই এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন মো. লালচান (৪৬), তার স্ত্রী মোছা. নাসিমা বেগম (৪০) এবং তাদের মেয়ে মোছা. তানিসা আক্তার (১৬)। তাদের উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ জানান, লাল চানের শরীরের ৯৫ শতাংশ, নাসিমার ৮৫ ও তানিশার ৮৬ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাঁদের ৩ জনেরই শ্বাসনালি পুড়ে গেছে। সবারই অবস্থা আশঙ্কাজনক।
বাড়ির মালিক ফখরুল ইসলাম জানান, সকালে ভাড়া বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুন লাগার খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ সময় দগ্ধ তিনজনকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
দগ্ধ দম্পতির বড় মেয়ে বিউটি আক্তার জানান, তাঁরা পাশাপাশি এলাকায় থাকেন। সকালে খবর পান, বাবা-মায়ের বাসায় বিস্ফোরণে আগুন ধরে গেছে।
তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পরে তিনি হাসপাতালে গিয়ে তাঁদের চিকিৎসাধীন দেখতে পান।
তিনি আরও জানান, ওই বাসায় তিতাসের গ্যাস রয়েছে। পাশাপাশি গ্যাস সিলিন্ডারেও ব্যবহার করা হয়। তাঁদের ধারণা, লিকেজের কারণে বাসায় গ্যাস জমে ছিল। সেই গ্যাস থেকেই বিস্ফোরণ হয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
তাঁদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার রূপসী কুড়িপাড়া গ্রামে। ওই দম্পতি স্থানীয় একটি গার্মেন্টসে অপারেটর হিসেবে চাকরি করেন। আর তানিশা স্কুলে লেখাপড়া করে।
এ বিষয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আরিফুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে স্বামী-স্ত্রী ও সন্তান দগ্ধ হয়েছেন।
বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোর ৬ টার দিকে টঙ্গীর চেরাগ আলী মুদাফা ভাদাম রোড মাদ্রাসা মার্কেটের পাশে ফখরুল ইসলামের একটি দুতলা বাড়ির নিচ তলায় এই এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন মো. লালচান (৪৬), তার স্ত্রী মোছা. নাসিমা বেগম (৪০) এবং তাদের মেয়ে মোছা. তানিসা আক্তার (১৬)। তাদের উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ জানান, লাল চানের শরীরের ৯৫ শতাংশ, নাসিমার ৮৫ ও তানিশার ৮৬ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাঁদের ৩ জনেরই শ্বাসনালি পুড়ে গেছে। সবারই অবস্থা আশঙ্কাজনক।
বাড়ির মালিক ফখরুল ইসলাম জানান, সকালে ভাড়া বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুন লাগার খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ সময় দগ্ধ তিনজনকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
দগ্ধ দম্পতির বড় মেয়ে বিউটি আক্তার জানান, তাঁরা পাশাপাশি এলাকায় থাকেন। সকালে খবর পান, বাবা-মায়ের বাসায় বিস্ফোরণে আগুন ধরে গেছে।
তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পরে তিনি হাসপাতালে গিয়ে তাঁদের চিকিৎসাধীন দেখতে পান।
তিনি আরও জানান, ওই বাসায় তিতাসের গ্যাস রয়েছে। পাশাপাশি গ্যাস সিলিন্ডারেও ব্যবহার করা হয়। তাঁদের ধারণা, লিকেজের কারণে বাসায় গ্যাস জমে ছিল। সেই গ্যাস থেকেই বিস্ফোরণ হয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
তাঁদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার রূপসী কুড়িপাড়া গ্রামে। ওই দম্পতি স্থানীয় একটি গার্মেন্টসে অপারেটর হিসেবে চাকরি করেন। আর তানিশা স্কুলে লেখাপড়া করে।
এ বিষয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আরিফুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

মতামত