গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের পাবুরিয়াচালা গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একটি পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় মো. চান মিয়াসহ তাঁর তিন ছেলে আহত হয়েছেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে রেজাউল ও সজিবসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ সেপ্টেম্বর আদালতে হাজিরা শেষে বাড়ি ফেরার পথে চান মিয়াকে পেছন থেকে লাঠি ও লোহার রড দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ করা হয়।
এতে তিনি মাথায় আঘাত পান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় তাঁর ছেলে মো. মোকারম হোসেন এগিয়ে এলে তাকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পরদিন ২৬ সেপ্টেম্বর কয়েকজন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পাবুরিয়াচালা গ্রামের বাড়িতে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। এতে চান মিয়ার দুই ছেলে মোস্তফা ও মোশারফ আহত হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়া চান মিয়াকে মারধর, দাড়ি টেনে ছিঁড়ে ফেলা এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টার অভিযোগও করা হয়েছে। তাঁর পুত্রবধূ মনোয়ারাকে টানাহেঁচড়া ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ রয়েছে।
পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। আহতরা শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
এ ঘটনায় মো. চান মিয়া সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের পাবুরিয়াচালা গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একটি পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় মো. চান মিয়াসহ তাঁর তিন ছেলে আহত হয়েছেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে রেজাউল ও সজিবসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ সেপ্টেম্বর আদালতে হাজিরা শেষে বাড়ি ফেরার পথে চান মিয়াকে পেছন থেকে লাঠি ও লোহার রড দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ করা হয়।
এতে তিনি মাথায় আঘাত পান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় তাঁর ছেলে মো. মোকারম হোসেন এগিয়ে এলে তাকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পরদিন ২৬ সেপ্টেম্বর কয়েকজন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পাবুরিয়াচালা গ্রামের বাড়িতে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। এতে চান মিয়ার দুই ছেলে মোস্তফা ও মোশারফ আহত হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়া চান মিয়াকে মারধর, দাড়ি টেনে ছিঁড়ে ফেলা এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টার অভিযোগও করা হয়েছে। তাঁর পুত্রবধূ মনোয়ারাকে টানাহেঁচড়া ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ রয়েছে।
পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। আহতরা শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
এ ঘটনায় মো. চান মিয়া সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

মতামত