ঢাকা ১৯ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
শ্রীপুরে পচা মাংস বিক্রির অভিযোগে ব্যবসায়ীকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা শিক্ষানুরাগী হাজী তাজউদ্দীন মৃধার ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ, বিনম্র শ্রদ্ধা ও দোয়া মাহফিল সংবাদ সংগ্রেহে হামলায় ফুঁসছেন গাজীপুরের সাংবাদিকরা, দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নারী-বান্ধব ও নারী চালকদের বিশেষ বাস সার্ভিস আরও সম্প্রসারণ করা হবে: সেতুমন্ত্রী ফকিরহাটে ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড হেলথ কেয়ার সোসাইটির কমিটি গঠন বড়লেখায় জঙ্গল থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ শ্রীপুরে বাগানের ভেতর থেকে সিএনজিচালকের মরদেহ উদ্ধার তেঁতুলিয়ায় তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও মিলছে না তথ্য, আপিলের প্রস্তুতি 'শোককে শক্তিতে রূপ দিয়ে তারেক রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করব' - শওকত সরকার

নারী-বান্ধব ও নারী চালকদের বিশেষ বাস সার্ভিস আরও সম্প্রসারণ করা হবে: সেতুমন্ত্রী

#
news image

যাত্রী পরিবহনে নারীদের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে নারী-বান্ধব ও নারী চালকদের মাধ্যমে পরিচালিত বিশেষ বাস সার্ভিস আরও সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, নারীদের নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও যাত্রীবান্ধব পরিবহনসেবা নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার। এ উদ্যোগ শুধু কয়েকটি রুটে সীমাবদ্ধ থাকবে না, পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও গুরুত্বপূর্ণ শহরে এ ধরনের বাসসেবা চালু করা হবে।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) কার্যালয়ে বিশেষ ‘মহিলা বাস সার্ভিস’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, অতিরিক্ত সচিব আনিসুর রহমান, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া চট্টগ্রাম ও বগুড়া থেকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা অনলাইনে যুক্ত হন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে ১৪টি বাস ১৩টি রুটে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় ১০টি রুটে ১০টি বাস (১টি একতলা ও ৯টি দ্বিতল), চট্টগ্রামে ১টি রুটে ২টি দ্বিতল বাস এবং বগুড়ায় ২টি রুটে ২টি দ্বিতল বাস চলাচল করবে। ভবিষ্যতে বাসের সংখ্যা ও রুট উভয়ই বাড়ানো হবে।

মন্ত্রী বলেন, নারীরা বাসে ওঠার আগে অপেক্ষার সময়, বাসে অবস্থানকালে এবং নামার সময় বিভিন্ন অস্বস্তিকর ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। এসব বিবেচনায় নিয়ে নারীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতেই নারী-বান্ধব বাস সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী এবং ভোটারদেরও অর্ধেকের বেশি নারী। পরিবার ও দেশের অর্থনীতিতে তাদের অবদানের কথা মাথায় রেখে নিরাপদ যাতায়াত সুনিশ্চিত করা প্রয়োজন।

পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সরকার সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় ২০০টি ইভি (বৈদ্যুতিক) বাস সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে ১০০টি বাস নারীদের জন্য নির্ধারণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ার কারণে আন্তর্জাতিক দরপত্রের দেড় থেকে দুই বছরের দীর্ঘসূত্রতা এড়ানো সম্ভব হবে।

ঢাকার রুট পারমিটের অসংগতি দূর করার আশ্বাস দিয়ে মন্ত্রী বলেন, চাহিদা ও যাত্রীর চাপ বিবেচনায় নিয়ে নতুন করে রুট পারমিট ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা যৌক্তিক করা হবে। বিআরটিসির সার্বিক চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, সংস্থাটি বর্তমানে লোকসানে নেই, ব্রেক-ইভেন অবস্থানে রয়েছে। সংস্থাটিকে আরও আধুনিক ও দক্ষ করতে ঢেলে সাজানো হচ্ছে।

নারী চালকদের প্রশংসায় সেতুমন্ত্রী বলেন, নারীরা দক্ষতার সঙ্গে গাড়ি চালাতে পারেন। মুক্তিযুদ্ধের মতো বড় সংকটেও তারা সাহসের পরিচয় দিয়েছেন। তাই পরিবহন খাতেও নারীদের জন্য সুযোগ বাড়াতে হবে। কর্মকর্তা ও বিআরটিসিকে সতর্ক করে মন্ত্রী বলেন, অতীতে অনেক উদ্যোগ উদ্বোধনের পর বন্ধ হয়ে গেছে, তবে বর্তমান সরকার এই সেবাকে টেকসই রাখতে বদ্ধপরিকর। সার্ভিস চালু রাখার পর ২ মাস পর সেবার মান আরও উন্নত করতে হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

১৮ আগস্ট, ২০২৬,  6:21 PM

news image

যাত্রী পরিবহনে নারীদের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে নারী-বান্ধব ও নারী চালকদের মাধ্যমে পরিচালিত বিশেষ বাস সার্ভিস আরও সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, নারীদের নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও যাত্রীবান্ধব পরিবহনসেবা নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার। এ উদ্যোগ শুধু কয়েকটি রুটে সীমাবদ্ধ থাকবে না, পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও গুরুত্বপূর্ণ শহরে এ ধরনের বাসসেবা চালু করা হবে।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) কার্যালয়ে বিশেষ ‘মহিলা বাস সার্ভিস’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, অতিরিক্ত সচিব আনিসুর রহমান, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া চট্টগ্রাম ও বগুড়া থেকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা অনলাইনে যুক্ত হন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে ১৪টি বাস ১৩টি রুটে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় ১০টি রুটে ১০টি বাস (১টি একতলা ও ৯টি দ্বিতল), চট্টগ্রামে ১টি রুটে ২টি দ্বিতল বাস এবং বগুড়ায় ২টি রুটে ২টি দ্বিতল বাস চলাচল করবে। ভবিষ্যতে বাসের সংখ্যা ও রুট উভয়ই বাড়ানো হবে।

মন্ত্রী বলেন, নারীরা বাসে ওঠার আগে অপেক্ষার সময়, বাসে অবস্থানকালে এবং নামার সময় বিভিন্ন অস্বস্তিকর ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। এসব বিবেচনায় নিয়ে নারীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতেই নারী-বান্ধব বাস সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী এবং ভোটারদেরও অর্ধেকের বেশি নারী। পরিবার ও দেশের অর্থনীতিতে তাদের অবদানের কথা মাথায় রেখে নিরাপদ যাতায়াত সুনিশ্চিত করা প্রয়োজন।

পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সরকার সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় ২০০টি ইভি (বৈদ্যুতিক) বাস সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে ১০০টি বাস নারীদের জন্য নির্ধারণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ার কারণে আন্তর্জাতিক দরপত্রের দেড় থেকে দুই বছরের দীর্ঘসূত্রতা এড়ানো সম্ভব হবে।

ঢাকার রুট পারমিটের অসংগতি দূর করার আশ্বাস দিয়ে মন্ত্রী বলেন, চাহিদা ও যাত্রীর চাপ বিবেচনায় নিয়ে নতুন করে রুট পারমিট ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা যৌক্তিক করা হবে। বিআরটিসির সার্বিক চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, সংস্থাটি বর্তমানে লোকসানে নেই, ব্রেক-ইভেন অবস্থানে রয়েছে। সংস্থাটিকে আরও আধুনিক ও দক্ষ করতে ঢেলে সাজানো হচ্ছে।

নারী চালকদের প্রশংসায় সেতুমন্ত্রী বলেন, নারীরা দক্ষতার সঙ্গে গাড়ি চালাতে পারেন। মুক্তিযুদ্ধের মতো বড় সংকটেও তারা সাহসের পরিচয় দিয়েছেন। তাই পরিবহন খাতেও নারীদের জন্য সুযোগ বাড়াতে হবে। কর্মকর্তা ও বিআরটিসিকে সতর্ক করে মন্ত্রী বলেন, অতীতে অনেক উদ্যোগ উদ্বোধনের পর বন্ধ হয়ে গেছে, তবে বর্তমান সরকার এই সেবাকে টেকসই রাখতে বদ্ধপরিকর। সার্ভিস চালু রাখার পর ২ মাস পর সেবার মান আরও উন্নত করতে হবে।