তেঁতুলিয়ায় তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও মিলছে না তথ্য, আপিলের প্রস্তুতি
মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধি :
১৫ আগস্ট, ২০২৬, 9:59 PM
তেঁতুলিয়ায় তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও মিলছে না তথ্য, আপিলের প্রস্তুতি
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত তথ্য। প্রয়োজনীয় তথ্যের আবেদন ফাইলবন্দী করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিকার চেয়ে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালকের কাছে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে তেঁতুলিয়া উপজেলায় চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে অনুমোদিত তালিকা ও সংশ্লিষ্ট বাগান মালিকদের তথ্যাদি চেয়ে চলতি বছরের মে মাসের ৬ তারিখে বিধিমোতাবেক আবেদন করেন তরিকুল ইসলাম। তবে সস্প্রতি লালমনিরহাটের হাতিবান্ধায় বদলি হওয়া তৎকালীন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ফিরোজুল ইসলাম এবং সম্প্রতি পঞ্চগড়ের আটোয়ারী থেকে বোদায় বদলি হওয়া অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু তাহের নির্দিষ্ট সময়ে চাহিত তথ্য প্রদান করেননি।
তথ্য অধিকার আইনের ৯ ধারায় নির্ধারিত সময়সীমা না মেনে নানা অজুহাতে তথ্য প্রদান বিলম্বিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। এমনকি লিখিত কোনো সিদ্ধান্ত না জানিয়ে ফ্যামিলি কার্ডের শুমারি ও ব্যস্ততার অজুহাতে দিনের পর দিন কালক্ষেপণ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময় পার হওয়ায় এবার জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালকের কাছে আপিল এবং পরবর্তীতে প্রধান তথ্য কমিশনার ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ওই সাংবাদিক।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চা-শ্রমিকদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি ভাতা সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য গোপন রাখা হলে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা বঞ্চিত হন। সমাজসেবা দপ্তরের এই ধরনের কার্যক্রমে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তারা দুদকের হস্তক্ষেপ দাবি করেন।
এ বিষয়ে সম্প্রতি বদলি হওয়া সমাজসেবা কর্মকর্তা ফিরোজুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ততার কথা স্বীকার করেন। তবে আবেদনকারীকে লিখিতভাবে তথ্য না দেওয়ার কারণ কিংবা অগ্রগতি বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো চিঠি দেওয়া হয়নি।
মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধি :
১৫ আগস্ট, ২০২৬, 9:59 PM
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত তথ্য। প্রয়োজনীয় তথ্যের আবেদন ফাইলবন্দী করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিকার চেয়ে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালকের কাছে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে তেঁতুলিয়া উপজেলায় চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে অনুমোদিত তালিকা ও সংশ্লিষ্ট বাগান মালিকদের তথ্যাদি চেয়ে চলতি বছরের মে মাসের ৬ তারিখে বিধিমোতাবেক আবেদন করেন তরিকুল ইসলাম। তবে সস্প্রতি লালমনিরহাটের হাতিবান্ধায় বদলি হওয়া তৎকালীন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ফিরোজুল ইসলাম এবং সম্প্রতি পঞ্চগড়ের আটোয়ারী থেকে বোদায় বদলি হওয়া অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু তাহের নির্দিষ্ট সময়ে চাহিত তথ্য প্রদান করেননি।
তথ্য অধিকার আইনের ৯ ধারায় নির্ধারিত সময়সীমা না মেনে নানা অজুহাতে তথ্য প্রদান বিলম্বিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। এমনকি লিখিত কোনো সিদ্ধান্ত না জানিয়ে ফ্যামিলি কার্ডের শুমারি ও ব্যস্ততার অজুহাতে দিনের পর দিন কালক্ষেপণ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময় পার হওয়ায় এবার জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালকের কাছে আপিল এবং পরবর্তীতে প্রধান তথ্য কমিশনার ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ওই সাংবাদিক।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চা-শ্রমিকদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি ভাতা সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য গোপন রাখা হলে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা বঞ্চিত হন। সমাজসেবা দপ্তরের এই ধরনের কার্যক্রমে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তারা দুদকের হস্তক্ষেপ দাবি করেন।
এ বিষয়ে সম্প্রতি বদলি হওয়া সমাজসেবা কর্মকর্তা ফিরোজুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ততার কথা স্বীকার করেন। তবে আবেদনকারীকে লিখিতভাবে তথ্য না দেওয়ার কারণ কিংবা অগ্রগতি বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো চিঠি দেওয়া হয়নি।