মাধবপুরে প্রশাসনের ‘নাকের ডগায়’ অবৈধ সিলিকা-বালু উত্তোলন, নেপথ্যে ইফতিখার চক্র
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি :
১৩ আগস্ট, ২০২৬, 11:33 PM
মাধবপুরে প্রশাসনের ‘নাকের ডগায়’ অবৈধ সিলিকা-বালু উত্তোলন, নেপথ্যে ইফতিখার চক্র
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের রতনপুর জিধর ছড়া থেকে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে অবৈধভাবে সিলিকা-বালু উত্তোলন করে আসছে একটি প্রভাবশালী চক্র। স্থানীয়দের অভিযোগ, চক্রটির নেতৃত্বে রয়েছেন রতনপুর এলাকার নাসির উদ্দিনের ছেলে ইফতিখার। তার পেছনে তথাকথিত "অদৃশ্য শক্তির" ছত্রছায়া থাকায় প্রশাসনও রহস্যজনক কারণে নীরব ভূমিকা পালন করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইফতিখারের নেতৃত্বে দিন-রাত ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ছড়া থেকে সিলিকা-বালু তুলে বিভিন্ন এলাকায় পাচার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি, হুমকি-ধামকি ও মিথ্যা মামলার ভয় দেখানো হয়। সংক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশকে "ম্যানেজ" করেই এই অবৈধ কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ‘বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ এবং ‘পরিবেশ সংরক্ষণ আইন’ অনুযায়ী সরকারি অনুমতি ছাড়া নদী, খাল বা ছড়া থেকে বালু ও পাথর উত্তোলন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে মাধবপুরে আইন অমান্য করে প্রকাশ্যে সিলিকা-বালু তোলায় সরকার একদিকে যেমন প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে ছড়ার নাব্যতাসহ পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।
সম্প্রতি রতনপুর স্টেশনের উত্তর পাশে অবস্থিত রেল ব্রিজের নিচ থেকে বালু তোলায় বাধা দেওয়ায় রতনপুর গ্রামের ইফতিখার ও তার দলবলের হামলার শিকার হন কয়েকজন রেল কর্মকর্তা-কর্মচারী। এ ঘটনায় মাধবপুর থানায় একটি লিখিত এজাহারও দায়ের করা হয়েছে।
প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় বেপরোয়া হয়ে ওঠা এই চক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধে এবং পরিবেশ ও সরকারি রাজস্ব রক্ষায় দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি :
১৩ আগস্ট, ২০২৬, 11:33 PM
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের রতনপুর জিধর ছড়া থেকে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে অবৈধভাবে সিলিকা-বালু উত্তোলন করে আসছে একটি প্রভাবশালী চক্র। স্থানীয়দের অভিযোগ, চক্রটির নেতৃত্বে রয়েছেন রতনপুর এলাকার নাসির উদ্দিনের ছেলে ইফতিখার। তার পেছনে তথাকথিত "অদৃশ্য শক্তির" ছত্রছায়া থাকায় প্রশাসনও রহস্যজনক কারণে নীরব ভূমিকা পালন করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইফতিখারের নেতৃত্বে দিন-রাত ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ছড়া থেকে সিলিকা-বালু তুলে বিভিন্ন এলাকায় পাচার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি, হুমকি-ধামকি ও মিথ্যা মামলার ভয় দেখানো হয়। সংক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশকে "ম্যানেজ" করেই এই অবৈধ কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ‘বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ এবং ‘পরিবেশ সংরক্ষণ আইন’ অনুযায়ী সরকারি অনুমতি ছাড়া নদী, খাল বা ছড়া থেকে বালু ও পাথর উত্তোলন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে মাধবপুরে আইন অমান্য করে প্রকাশ্যে সিলিকা-বালু তোলায় সরকার একদিকে যেমন প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে ছড়ার নাব্যতাসহ পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।
সম্প্রতি রতনপুর স্টেশনের উত্তর পাশে অবস্থিত রেল ব্রিজের নিচ থেকে বালু তোলায় বাধা দেওয়ায় রতনপুর গ্রামের ইফতিখার ও তার দলবলের হামলার শিকার হন কয়েকজন রেল কর্মকর্তা-কর্মচারী। এ ঘটনায় মাধবপুর থানায় একটি লিখিত এজাহারও দায়ের করা হয়েছে।
প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় বেপরোয়া হয়ে ওঠা এই চক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধে এবং পরিবেশ ও সরকারি রাজস্ব রক্ষায় দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।