ফ্যাসিবাদী শাসনে ভঙ্গুর বাংলাদেশ এখন পুনর্গঠনের সময় এসেছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক :
১০ আগস্ট, ২০২৬, 8:47 PM
ফ্যাসিবাদী শাসনে ভঙ্গুর বাংলাদেশ এখন পুনর্গঠনের সময় এসেছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা শোষণ ও শাসনের ফলে বাংলাদেশ একটি ঋণ ও আমদানি-নির্ভর ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসহ সব ক্ষেত্রে ভঙ্গুর এই রাষ্ট্রটি এখন পুনর্গঠনের সময় এসেছে এবং এই যাত্রায় এসডিজির ভূমিকা অনস্বীকার্য।
আজ সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো নির্ধারণ’ বিষয়ক তিন দিনব্যাপী জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, জনগণের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত অর্থনৈতিক কাঠামো বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিয়েছে, যা জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) সঙ্গে সমন্বিত। তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির জননীতি সব সময় জনবান্ধব। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯-দফা, বেগম খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ এবং বর্তমানের রাষ্ট্র সংস্কারের ‘৩১ দফা’—প্রতিটিই এমডিজি ও এসডিজির ভিশন-মিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সরকার ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’ নীতিতে বিশ্বাস করে দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জেন্ডার সমতা ও জলবায়ু সহনশীলতাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণ ও এসডিজি অগ্রগতি সুসংহত করতে সরকার ‘পুনরুদ্ধার-পুনর্বাসন-পুনর্গঠন’ (থ্রি-আর) কৌশল গ্রহণ করেছে বলে জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠনের পরদিন থেকেই নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড এবং ই-হেলথ কার্ডের মতো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এছাড়া ইমাম, মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মের গুরুদেরও সম্মানী ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। চলতি মেয়াদের মধ্যেই দেশের সম্ভাব্য প্রতিটি নাগরিককে সুরক্ষা বলয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
এসডিজি স্থানীয়করণের উদাহরণ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী জানান, রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনার দাকোপের পানখালী এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জের নাফানগর—এই তিনটি গ্রামকে পাইলট ‘এসডিজি ভিলেজ’ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। এখানে ফ্যামিলি কার্ড, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ইকোট্যুরিজম ও ‘ওয়ান ভিলেজ-ওয়ান প্রোডাক্ট’ সহ নানা কর্মসূচি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হবে এবং সফলতার ভিত্তিতে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
তারেক রহমান স্পষ্ট করেন যে, আগামী দিনের পথচলায় একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই সরকারের মূল লক্ষ্য, যেখানে থাকবে অবাধ নির্বাচন, আইনের শাসন, সর্বজনীন নাগরিক অধিকার ও অর্থনৈতিক ন্যায্যতা।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং পরিকল্পনা সচিব এস. এম. শাকিল আখতারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক :
১০ আগস্ট, ২০২৬, 8:47 PM
দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা শোষণ ও শাসনের ফলে বাংলাদেশ একটি ঋণ ও আমদানি-নির্ভর ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসহ সব ক্ষেত্রে ভঙ্গুর এই রাষ্ট্রটি এখন পুনর্গঠনের সময় এসেছে এবং এই যাত্রায় এসডিজির ভূমিকা অনস্বীকার্য।
আজ সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো নির্ধারণ’ বিষয়ক তিন দিনব্যাপী জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, জনগণের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত অর্থনৈতিক কাঠামো বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিয়েছে, যা জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) সঙ্গে সমন্বিত। তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির জননীতি সব সময় জনবান্ধব। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯-দফা, বেগম খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ এবং বর্তমানের রাষ্ট্র সংস্কারের ‘৩১ দফা’—প্রতিটিই এমডিজি ও এসডিজির ভিশন-মিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সরকার ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’ নীতিতে বিশ্বাস করে দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জেন্ডার সমতা ও জলবায়ু সহনশীলতাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণ ও এসডিজি অগ্রগতি সুসংহত করতে সরকার ‘পুনরুদ্ধার-পুনর্বাসন-পুনর্গঠন’ (থ্রি-আর) কৌশল গ্রহণ করেছে বলে জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠনের পরদিন থেকেই নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড এবং ই-হেলথ কার্ডের মতো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এছাড়া ইমাম, মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মের গুরুদেরও সম্মানী ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। চলতি মেয়াদের মধ্যেই দেশের সম্ভাব্য প্রতিটি নাগরিককে সুরক্ষা বলয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
এসডিজি স্থানীয়করণের উদাহরণ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী জানান, রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনার দাকোপের পানখালী এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জের নাফানগর—এই তিনটি গ্রামকে পাইলট ‘এসডিজি ভিলেজ’ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। এখানে ফ্যামিলি কার্ড, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ইকোট্যুরিজম ও ‘ওয়ান ভিলেজ-ওয়ান প্রোডাক্ট’ সহ নানা কর্মসূচি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হবে এবং সফলতার ভিত্তিতে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
তারেক রহমান স্পষ্ট করেন যে, আগামী দিনের পথচলায় একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই সরকারের মূল লক্ষ্য, যেখানে থাকবে অবাধ নির্বাচন, আইনের শাসন, সর্বজনীন নাগরিক অধিকার ও অর্থনৈতিক ন্যায্যতা।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং পরিকল্পনা সচিব এস. এম. শাকিল আখতারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।