ঢাকা ১০ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
ফকিরহাটে এসএসসি ও দাখিলে ভালো ফল, ভোকেশনালে হতাশা: জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১৫ জন আজমিরীগঞ্জে এসএসসিতে পাসের হার ৫২.৩৭%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন বড়লেখায় দারুল কোরআন মডেল মাদ্রাসার হিফজ সমাপনী ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সরিষাবাড়ীতে এসএসসি ও সমমানে ফল বিপর্যয়: তিন প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল ২২ আগস্ট শুরু হচ্ছে রাজশাহীর জেলা প্রশাসক আন্তঃউপজেলা ফুটবল প্রতিযোগিতা সৌদি আরবে মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশির ১৩ জনই নওগাঁর রামপালে ঘরভাড়া মেটাতে মাথার চুল বিক্রি করলেন অসহায় নারী পিরোজপুরে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ: অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী পরিবারের প্রতিবাদ ১০৩টি ছররা বুলেট শরীরে নিয়ে বেঁচে থাকার এক অবিশ্বাস্য গল্প ফ্যাসিবাদী শাসনে ভঙ্গুর বাংলাদেশ এখন পুনর্গঠনের সময় এসেছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সরিষাবাড়ীতে এসএসসি ও সমমানে ফল বিপর্যয়: তিন প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল

#
news image

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলার তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। সার্বিক ফলাফলে উপজেলার ৪৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পাসের হার ৫৬.৪৮ শতাংশ, ২২টি মাদ্রাসায় ৪১.৪৫ শতাংশ এবং ১৭টি কারিগরি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ৭৪.২১ শতাংশ।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর সরিষাবাড়ীর ৪৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৩ হাজার ৯৯১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ২ হাজার ২৫৪ জন পাস করেছে এবং ১ হাজার ৭৩৭ জন অকৃতকার্য হয়েছে; জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২৭ জন। অন্যদিকে ২২টি মাদ্রাসা থেকে ৬০৮ জন অংশ নিয়ে মাত্র ২৫২ জন পাস করেছে, অকৃতকার্য হয়েছে ৩৫৬ জন; জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ২ জন। তবে তুলনামূলক ভালো ফল করেছে কারিগরি শিক্ষার শিক্ষার্থীরা। ১৭টি কারিগরি প্রতিষ্ঠান থেকে ৫৩৫ জন পরীক্ষা দিয়ে ৩৯৭ জন পাস করেছে এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৬ জন।

ফলাফলে সবচেয়ে চরম চিত্র ফুটে উঠেছে তিনটি প্রতিষ্ঠানে, যেখানে পাসের হার শূন্য। এর মধ্যে চাপারকোনা মনিজা আবুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১১ জন, চর সরিষাবাড়ী বালিকা দাখিল মাদ্রাসার ৯ জন এবং বড়বাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার ৪ জন পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল করেছে।

এছাড়া বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ফল অত্যন্ত হতাশাজনক। পাটাবুগা দাখিল মাদ্রাসায় পাসের হার ৭.১৪ শতাংশ (১৪ জনের মধ্যে পাস ১), দৌলতপুর ফাজিল মাদ্রাসায় ১০.২০ শতাংশ (৪৯ জনের মধ্যে পাস ৫), আদ্রা আব্দুর গফুর জয়নাল আবেদীন আলিম মাদ্রাসায় ১৩.৬৪ শতাংশ (২২ জনের মধ্যে পাস ৩) এবং মহিষাবাদুরিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ১৭.৬৫ শতাংশ (১৭ জনের মধ্যে পাস ৩)। মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বাঁশবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে পাসের হার ১৩.৪৬ শতাংশ (৫২ জনের মধ্যে পাস ৭), কুঠিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৯.৩০ শতাংশ (৫৭ জনের মধ্যে পাস ১১) এবং পোগলদিঘা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ২২ শতাংশ (৫০ জনের মধ্যে পাস ১১)।

কারিগরি শিক্ষায় কিছুটা স্বস্তি থাকলেও সাধারণ ও মাদ্রাসা শিক্ষায় পাসের ধস নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর কবীর জানান, কম পাসের হার ও শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর ফল বিশ্লেষণ করে শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সরিষাবাড়ী (জামালপুর ) প্রতিনিধি :

১০ আগস্ট, ২০২৬,  9:39 PM

news image

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলার তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। সার্বিক ফলাফলে উপজেলার ৪৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পাসের হার ৫৬.৪৮ শতাংশ, ২২টি মাদ্রাসায় ৪১.৪৫ শতাংশ এবং ১৭টি কারিগরি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ৭৪.২১ শতাংশ।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর সরিষাবাড়ীর ৪৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৩ হাজার ৯৯১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ২ হাজার ২৫৪ জন পাস করেছে এবং ১ হাজার ৭৩৭ জন অকৃতকার্য হয়েছে; জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২৭ জন। অন্যদিকে ২২টি মাদ্রাসা থেকে ৬০৮ জন অংশ নিয়ে মাত্র ২৫২ জন পাস করেছে, অকৃতকার্য হয়েছে ৩৫৬ জন; জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ২ জন। তবে তুলনামূলক ভালো ফল করেছে কারিগরি শিক্ষার শিক্ষার্থীরা। ১৭টি কারিগরি প্রতিষ্ঠান থেকে ৫৩৫ জন পরীক্ষা দিয়ে ৩৯৭ জন পাস করেছে এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৬ জন।

ফলাফলে সবচেয়ে চরম চিত্র ফুটে উঠেছে তিনটি প্রতিষ্ঠানে, যেখানে পাসের হার শূন্য। এর মধ্যে চাপারকোনা মনিজা আবুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১১ জন, চর সরিষাবাড়ী বালিকা দাখিল মাদ্রাসার ৯ জন এবং বড়বাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার ৪ জন পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল করেছে।

এছাড়া বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ফল অত্যন্ত হতাশাজনক। পাটাবুগা দাখিল মাদ্রাসায় পাসের হার ৭.১৪ শতাংশ (১৪ জনের মধ্যে পাস ১), দৌলতপুর ফাজিল মাদ্রাসায় ১০.২০ শতাংশ (৪৯ জনের মধ্যে পাস ৫), আদ্রা আব্দুর গফুর জয়নাল আবেদীন আলিম মাদ্রাসায় ১৩.৬৪ শতাংশ (২২ জনের মধ্যে পাস ৩) এবং মহিষাবাদুরিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ১৭.৬৫ শতাংশ (১৭ জনের মধ্যে পাস ৩)। মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বাঁশবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে পাসের হার ১৩.৪৬ শতাংশ (৫২ জনের মধ্যে পাস ৭), কুঠিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৯.৩০ শতাংশ (৫৭ জনের মধ্যে পাস ১১) এবং পোগলদিঘা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ২২ শতাংশ (৫০ জনের মধ্যে পাস ১১)।

কারিগরি শিক্ষায় কিছুটা স্বস্তি থাকলেও সাধারণ ও মাদ্রাসা শিক্ষায় পাসের ধস নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর কবীর জানান, কম পাসের হার ও শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর ফল বিশ্লেষণ করে শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।